দৌলতপুর
শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক আটক

অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আশিকুল্লাহ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে আশিকুল্লাহ নামের এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর ছোড়া ইটপাটকেলে দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমানসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে উপজেলার খলিশাকুণ্ডি ইউনিয়নের মালিথাপাড়া এলাকার মারকাজুল সুন্নাহ মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। আটক শিক্ষক আশিকুল্লাহ যশোরের বাঘারপাড়ার জামদিয়া গ্রামের মৃত কারী এনাকুল্লাহর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আশিকুল্লাহ শিক্ষার্থীকে কোরআন শেখাতেন। এই সূত্রে প্রায়ই শিক্ষার্থীকে নিজের কক্ষে ডেকে নিতেন। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা কাউকে না জানাতে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানালে স্বজনেরা স্থানীয়দের অবহিত করেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসা ভবনটি ঘেরাও করেন। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষক নিজের কক্ষে ভেতর থেকে দরজা আটকে রাখেন। পরে এলাকাবাসী মাদ্রাসাটি অবরুদ্ধ করে রাখলে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধারের চেষ্টা করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশের টহল পিকআপ লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে ওসি খালেদুর রহমানসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ওসি খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, ধর্ষণের অভিযোগে এক শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
তিনি আরও জানিয়েছেন, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।




