ঈদযাত্রায় স্বস্তি, গজারিয়ায় ছিল না চিরচেনা যানজট

সংগৃহীত ছবি
পবিত্র ঈদুল আজহার আগের দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া অংশে দেখা যায়নি চিরচেনা যানজট। বুধবার সকাল থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মহাসড়কের প্রায় ১৩ কিলোমিটার এলাকায় যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক। এতে স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভবেরচর, বাউশিয়া, ভাটেরচর ও জামালদীসহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি। সড়কের দুই পাশে স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করেছে দূরপাল্লার বাস ও পণ্যবাহী যানবাহন। ফলে এবারের ঈদযাত্রা তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক হয়েছে বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
ঢাকা ও কুমিল্লাগামী একাধিক যাত্রী জানিয়েছেন, অন্যান্য সময়ের তুলনায় এবার সড়কে চাপ কম থাকায় নির্বিঘ্নে পৌঁছানো যাচ্ছে গন্তব্যে। তাদের ভাষ্য, এবারের ঈদযাত্রা আগের চেয়ে অনেক বেশি আরামদায়ক।
ভবেরচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আখন্দের দাবি, ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। এপিবিএন, হাইওয়ে ও থানা পুলিশের অর্ধশতাধিক সদস্য ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে দায়িত্ব পালন করছেন, যোগ করেছেন তিনি।
তিনি আরও বলেছেন, ‘হঠাৎ বিকল হওয়া বা দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দ্রুত মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নিতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। যানজট এড়াতে চলছে নিয়মিত টহল ও নজরদারি।’
যদিও এর আগেরদিন, অর্থাৎ বুধবার এ-মহাসড়কে ছিল ১৩ কিলোমিটারের দীর্ঘ যানজট। সোনারগাঁ এলাকায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধই সেই যানজটের কারণ বলে সে-সময় উল্লেখ করেছিলেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।






