ভ্রাম্যমাণ আদালতে শেষ হলো ৩ জনের ‘নেশার গল্প’

কালীগঞ্জের বেতুয়া, পুনসহি ও চুয়ারিয়াখোলা-দিনের ব্যস্ততায় মুখর এসব এলাকায় শনিবার হঠাৎ করেই শুরু হয় মাদকবিরোধী অভিযান। একে একে সামনে আসে মাদক সেবনের অভিযোগ। অভিযান শেষে তিনজনকে নেওয়া হয় ভ্রাম্যমাণ আদালতের আওতায়। সেখানে নেশার গল্পের পরিণতি হয় কারাদণ্ড ও জরিমানায়।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হালদার।
অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তিনটি মামলা করা হয়। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। তবে শাস্তির মাত্রা সবার ক্ষেত্রে এক ছিল না।
ইয়াবা সেবনের দায়ে দুইজনকে ৩০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আর মাদক সেবনের অভিযোগে কাজী জুয়েলকে দেওয়া হয় ১২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। তিনটি মামলায় মোট অর্থদণ্ডের পরিমাণ ৩০০ টাকা।
প্রশাসনের এই অভিযান যেন আবারও মনে করিয়ে দিল-মাদকের নেশা শুরুতে হয়তো কয়েক মুহূর্তের আনন্দ দেয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি মানুষকে নিয়ে যেতে পারে আইনের কাঠগড়ায়।
অভিযানে প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শান্তি চন্দ্র দাস। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেঞ্চ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবুল ইসলাম।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আল-আমিন হালদার বলেন, মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক সেবন ও কারবারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তরুণদের এ ভয়াবহ নেশা থেকে দূরে রাখতে সচেতনতা তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।




