নাঙ্গলকোটে ১ দিনের ব্যবধানে দুটি চুরির ঘটনা, আতঙ্কে ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী

ছবি: আগামীর সময়
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বাঙ্গড্ডায় একদিনের ব্যবধানে দুটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্বর্ণালংকার এবং টাকা চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা।
শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে জুম্মার নামাজের সময় বাঙ্গড্ডা বাজারের মীম জুয়েলার্সে এবং আগেরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে উত্তর নুরপুর গ্রামের নছিউল হকের বাড়িতে সংঘবদ্ধ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে এলাকায় ও বাঙ্গড্ডা বাজার ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার উত্তর নুরপুরের দ্বিতল মসজিদ সংলগ্ন বাসার নছিউল ও তার পরিবাররের সদস্যরা একটি বিয়ে খেতে লাকসামের মইনপুরে যান। এ সুযোগে সংঘবদ্ধ চোরের দল নছিউলের দুবাই প্রবাসী ছেলে মো. ইমরানের ঘরের আলমারী ভেঙ্গে সাড়ে ৪ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। নছিউলের মেয়ে তাহমিনার আড়াইভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে যায় তারা। এছাড়া চোরের দল নছিউলের আরেক ছেলে সিএনজিচালিত অটোরিক্সাচালক মো. শাহপরানের টিনশেড ঘরের তালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে আলমারীতে রাকা ৩৫হাজার টাকা লুট করে। এ গণচুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন ইমরানের স্ত্রী মেঘলা আক্তার প্রিয়া।
বাঙ্গড্ডা বাজারের ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে দোকানের মালিক আবুল বশরসহ আলী হোসেন ম্যানশনের মীম জুয়েলার্সে। ওইদিন দুপুরের দেড়টার দিকে মীম জুয়েলার্সের মালিক আবুল বশরসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জুম্মার নামাজ পড়তে যান। এই সুযোগে ৩জনের সংঘবদ্ধ চোরের দল মীম জুয়েলার্সের কলাপসিবল গেটের তালা কেটে দোকানে ঢুকে পড়ে। জুম্মার নামাজ শেষে আলী হোসেন মোবাইল এন্ড সার্ভিস সেন্টারের স্বত্ত্বাধিকারী আলী নোয়াব মজুমদার নাহিদ মীম জুয়েলার্সের তালা কাটা দেখে ভিতরে প্রবেশ করতে চান। এ সময় সংঘবদ্ধ চোরের দলের একজন পালানোর চেষ্টা করে। পরে ব্যবসায়ীরা তাকে আটক করে মারধর করেন ও পুলিশে সোপর্দ করেন।
মীম জুয়োলার্সের মালিক আবুল বশরের ভাষ্য, বাজারের ব্যবসায়ীরা চোরের কাছ থেকে প্রায় ৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও টাকা উদ্ধার করেছে। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে পুলিশ। তবে চোরের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
নাঙ্গলকোট থানার এসআই শুভ বলেছেন, মীম জুয়েলার্সের মালিক থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। উত্তর নুরপুরে চুরির ঘটনায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।





