নোবিপ্রবি উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

নোবিপ্রবি উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়— সংগৃহীত
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সঙ্গে প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের মতবিনিময় হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে এ সভা হয়। সভার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর।
মতবিনিময়কালে উপাচার্য গোলাম রব্বানী বললেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বানে সাড়া দিয়ে শতাধিক সাংবাদিকের উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আগামী ২২ জুন বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, তার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন হবে। এছাড়া ৪৯ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড এবং তিনটি ক্যাটাগরিতে তিনজনকে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে।’
তিনি জানান, শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার লক্ষ্যে প্রশাসন কাজ করছে। আগামী অর্থবছরে অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে একাডেমিক ভবন-৩ নির্মাণের কাজ বাস্তবায়িত হলে শ্রেণিকক্ষ ও ল্যাবসংকট অনেকাংশে দূর হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোনাপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন বাংলাবাজার পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীত করা গেলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে সুবিধা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টায় পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হবে।’
সভায় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘অতীতে সাংবাদিকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ভবিষ্যতেও সেই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করি। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সাংবাদিকদের যেকোনো গঠনমূলক পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করা হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।




