ভাঙা কালভার্টে বন্ধ যান চলাচল, দুর্ভোগে রাণীশংকৈলের কয়েক গ্রামের মানুষ

শিদলি থেকে ক্লাবমোড় ও চড়োল পাড়াগামী সড়কের কালভার্টের পলেস্তরা খসে পড়ে রড বেরিয়ে গেছে। ছবি: আগামীর সময়
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে একটি কালভার্ট। কালভার্টটিতে ফাটল ধরেছে, খসে পড়েছে পলেস্তারা, বেরিয়ে এসেছে রড। দ্রুত সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা না হলে যেকোনো সময় এটি ধসে পড়তে পারে।
উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নের শিদলি থেকে ক্লাবমোড় ও চড়োল পাড়াগামী সড়কের এই কালভার্টটি ভাঙলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিদলি ও ক্লাবমোড়ের মাঝামাঝি সড়কের ওপর অবস্থিত কালভার্টটির বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। নিচের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় রড বেরিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ছাদের নিচের অংশ পুরোপুরি ফাঁকা হয়ে গেছে। এমন অবস্থায় কালভার্টটি দিয়ে যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে ট্রলিসহ ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ভ্যানসহ ছোট যানবাহন ও সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কালভার্টটি দিয়ে প্রতিদিন কয়েকটি গ্রামের শত শত শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। শিদলি হয়ে ক্লাবমোড় ও চড়োল পাড়া দিয়ে রাউতনগর বাজারে যাওয়ার এটিই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। কালভার্টটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় কৃষিপণ্য পরিবহনেও ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকেরা। বিশেষ করে আমন ধান কাটার মৌসুমে অনেক কৃষক তাদের উৎপাদিত ধান বাড়িতে নিতে পারছেন না। বিকল্প পথে ঘুরে ধান পরিবহন করতে হচ্ছে তাদের।
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীরসহ অনেকে জানিয়েছেন, কালভার্টটির ছাদের পলেস্তারা খসে রড বেরিয়ে গেছে। এতে এটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত কালভার্টটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
উপজেলা প্রকৌশলী আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, কালভার্টটির সমস্যা সমাধানে খুব শিগগির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দ্রুতই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।




