লাকসামে ১৮ ঘণ্টার মধ্যে ১৪ ঘণ্টাই বিদ্যুৎবিহীন, জনদুর্ভোগ চরমে

সংগৃহীত ছবি
কুমিল্লার লাকসামে গত ১৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১৪ ঘণ্টায় ছিল না বিদ্যুৎ। এতে জনজীবন পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। একাধিক দফায় বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে এলাকায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বেতিহাটি গ্রামসহ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রথমবার দেখা যায় বড় ধরনের বিঘ্ন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট অভিযোগ কেন্দ্র এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও দীর্ঘ সময় মেলেনি কোনো সমাধান। প্রায় ৭ ঘণ্টা পর দুপুর সোয়া ১টার দিকে স্বাভাবিক হয় বিদ্যুৎ সংযোগ।
তবে বিকেল ৩টার দিকে হালকা বৃষ্টি ও বাতাসের মধ্যেই আবারও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। পরে সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় বিদ্যুৎ ফিরে এলেও রাত পৌনে ৯টার দিকে পুনরায় বিভ্রাট দেখা দেয়। অবশেষে রাত ১টার দিকে স্বাভাবিক হয় বিদ্যুৎ সরবরাহ।
বারবার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তাদের দাবি, সামান্য বাতাস বা আকাশে মেঘ জমলেই বিদ্যুৎ চলে যায় এবং অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ আর ফিরে আসে না। এতে বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক বাতি, পাখা, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, জুলাই মাসে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি চার লাকসাম সদর দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




