Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
কিরণের যৌতুকবিরোধী লড়াই
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

অসময়ে যমুনার ভাঙনে দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষ

জামালপুর প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৬, ১৪:০৩
অসময়ে যমুনার ভাঙনে দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষ

ছবিঃ আগামীর সময়

শুষ্ক মৌসুমে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। অসময়ের এই ভাঙনে জেলার একমাত্র নৌ থানা, বাজার, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুলসহ হাজারো বসতভিটা নতুন করে হুমকির মুখে পড়েছে। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের জানায়, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার চিকাজনী ইউনিয়নের খোলাবাড়ি থেকে চরডাকাতিয়া হয়ে বড়খাল পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে খোলাবাড়ি, হাজারী, মাগুরীহাট, মাঝিপাড়া ও চর ডাকাতিয়া গ্রামের কয়েক হাজার বসতভিটা এবং শত শত একর ফসলি জমি যমুনার গর্ভে বিলীন হয়েছে।

প্রতিবছর বন্যার সময়ের ভাঙনে ওই এলাকার বেশিরভাগ অংশই যমুনার গর্ভে চলে গেছে। এবার শুষ্ক মৌসুমেই ভাঙন তীব্র হওয়ায় জেলার একমাত্র নৌ থানা, চর মাগুরিহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাজার, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু তীব্র ভাঙনের সময় পানি উন্নয়ন বোর্ড কয়েকটি স্থানে জিও ব্যাগ (বালুর বস্তা) ফেললেও স্থায়ীভাবে ভাঙনরোধে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার ইতোমধ্যে এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। কেউ অন্যের জমি ভাড়া নিয়ে বসবাস করছে, আবার কেউ রাস্তার পাশে অস্থায়ী আশ্রয় নিয়েছে। কাজের সুযোগ কম থাকায় অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা। দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নদীতে পানি কম থাকলেও তীর ভেঙে পড়ছে। ভাঙনের কারণে নৌ থানাটি এখন নদীর খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রায় দেড় কিলোমিটার পাকা সড়ক ইতোমধ্যে নদীতে বিলীন হয়েছে। খোলাবাড়ি বাজারের বড় অংশ এখন বালুচরে পরিণত হয়েছে।

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত চরমাগুরীহাট এলাকার ইউনুছ আলী জানান, জীবনের ৭০ বছরে ১১ বার নদীভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে নতুন করে বসতি গড়তে হয়েছে। এখন অন্যের জমিতে আশ্রয় নিয়েছেন, তবে সেটিও ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

খোলাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম জানান, খোলাবাড়ি গ্রামটি প্রায় মানচিত্র থেকেই হারিয়ে যাচ্ছে। কয়েক বছর ধরে ভাঙনে বসতঘর, ফসলিজমি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিলীন হয়েছে। এখন গ্রামটির মাত্র ২০ শতাংশ অংশ অবশিষ্ট আছে, সেটিও ভাঙনের মুখে।

চরডাকাতিয়া গ্রামের রহিমা বেগম জানান, তিনি তেরবার নদীভাঙনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে অন্যের জমিতে আশ্রয় নিয়ে দিনমজুরির কাজ করে জীবন চালাচ্ছেন। এলাকার অবশিষ্ট অংশ রক্ষায় দ্রুত একটি শক্ত বাঁধ নির্মাণ করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নকিবুজ্জামান খান বলেছেন, প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত বন্যার সময় ১৫৭ মিটার অংশে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে আরও ২২০ মিটার এলাকায় অস্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত তিন মাসে চিকাজনী ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রামে নদীভাঙনের শিকার হয়েছেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

যমুনা নদীনদী ভাঙনভাঙন
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১৯ জুন ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    সুইজারল্যান্ড
    ৪
    বসনিয়া-হার্জেগোভিনা
    ১
    ১৯ জুন ২০২৬
    রাত ৪:০০ টা
    কানাডা
    ০
    কাতার
    ০
    ১৯ জুন ২০২৬
    সকাল ৭:০০ টা
    মেক্সিকো
    ০
    দক্ষিণ কোরিয়া
    ০
    চেকদের থেকে পয়েন্ট আদায় করল দক্ষিণ আফ্রিকা

    চেকদের থেকে পয়েন্ট আদায় করল দক্ষিণ আফ্রিকা

    ১৯ জুন ২০২৬, ০০:৩১

    ঝুঁকিপূর্ণ দেয়াল কেড়ে নিল বৃদ্ধ কৃষকের শেষ সম্বল

    ঝুঁকিপূর্ণ দেয়াল কেড়ে নিল বৃদ্ধ কৃষকের শেষ সম্বল

    ১৯ জুন ২০২৬, ০০:৫৪

    ভালো নেই ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী কোচ পাহেইরা

    ভালো নেই ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী কোচ পাহেইরা

    ১৯ জুন ২০২৬, ০১:০৯

    জেকোর রেকর্ড, প্রথমার্ধে গোলহীন সুইজারল্যান্ড–বসনিয়া

    জেকোর রেকর্ড, প্রথমার্ধে গোলহীন সুইজারল্যান্ড–বসনিয়া

    ১৯ জুন ২০২৬, ০২:০১

    হরমুজ শান্তির রুট নাকি  নতুন সমীকরণের পথ?

    হরমুজ শান্তির রুট নাকি নতুন সমীকরণের পথ?

    ১৯ জুন ২০২৬, ০২:০৫

    বাবার বিক্রি করা শিশুকে উদ্ধার, ফিরে পেল মায়ের বুক

    বাবার বিক্রি করা শিশুকে উদ্ধার, ফিরে পেল মায়ের বুক

    ১৯ জুন ২০২৬, ০১:৩৫

    মার্কিন পণ্য কেনার কড়া  শর্তে ছাড় ৬ বিলিয়ন ডলার

    মার্কিন পণ্য কেনার কড়া শর্তে ছাড় ৬ বিলিয়ন ডলার

    ১৯ জুন ২০২৬, ০১:৪৭

    সুখের দেশের সেই রূপসী রিসোর্ট যেন দুর্গ

    সুখের দেশের সেই রূপসী রিসোর্ট যেন দুর্গ

    ১৯ জুন ২০২৬, ০২:০০

    কেন্দুয়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১০

    কেন্দুয়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১০

    ১৯ জুন ২০২৬, ০০:০০

    বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ টিকিয়ে রেখেছিল সৌদি পাইপলাইন

    বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ টিকিয়ে রেখেছিল সৌদি পাইপলাইন

    ১৯ জুন ২০২৬, ০১:৫১

    মেসির বাবার অসুস্থতার গুঞ্জন নিয়ে পরিবারের বিবৃতি

    মেসির বাবার অসুস্থতার গুঞ্জন নিয়ে পরিবারের বিবৃতি

    ১৯ জুন ২০২৬, ০২:২৩

    আ.লীগের ২৩ জুন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হামলার শঙ্কা

    আ.লীগের ২৩ জুন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হামলার শঙ্কা

    ১৯ জুন ২০২৬, ০২:২৪

    প্যারিসে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বৈশ্বিক মহাসমাবেশ

    প্যারিসে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বৈশ্বিক মহাসমাবেশ

    ১৯ জুন ২০২৬, ০২:১৯

    মন্ত্রিসভায় চার আইনের খসড়া অনুমোদন

    মন্ত্রিসভায় চার আইনের খসড়া অনুমোদন

    ১৯ জুন ২০২৬, ০২:৩৭

    সবার আগে আমার এলাকা

    সবার আগে আমার এলাকা

    ১৯ জুন ২০২৬, ০০:২৪

    advertiseadvertise