মহেশখালীতে নৌকাডুবি, নিখোঁজ ২ জেলের মরদেহ উদ্ধার

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
কক্সবাজারের মহেশখালীতে মাছ ধরার নৌকা ডুবির ঘটনায় উদ্ধার করা হয়েছে নিখোঁজ দুই জেলের লাশ।
সোনাদিয়া চ্যানেলের হারিরমুখ চর এলাকায় ভাসমান অবস্থায় মুহিবুল্লাহ (৫৫) ও নুরুল আলমের (২৬) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের লাশ উদ্ধার করা হয় শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর)।
নিহত নুরুল আলম মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের খোন্দকার পাড়ার মুজিবুর রহমানের ছেলে। মুহিবুল্লাহ একই উপজেলার বড় মহেশখালী ইউনিয়নের জাগিরাঘোনা এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে।
মহেশখালী থানা পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুরে জেলেরা ভাসমান অবস্থায় মুহিবুল্লাহর লাশ দেখতে পান। পরে প্রায় আধা কিলোমিটার পশ্চিমে আরও এক জেলের লাশ দেখতে পেয়ে তারা নিখোঁজ জেলেদের পরিবার ও পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই জেলের লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশের ভাষ্য, বুধবার রাত ৩টার দিকে কুতুবজোম ইউনিয়নের ফরিদ আলম মাঝির ‘এফবি তাহসিন’ নামের মাছ ধরার নৌকা নিয়ে আটজন জেলে সাগরে যায়।
রাত সাড়ে ৩টার দিকে সোনাদিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে হারিরমুখ এলাকায় নৌকাটি ঝোড়ো হাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে।
একপর্যায়ে ৮ জেলেসহ নৌকাটি ডুবে যায়। আশপাশে থাকা ফিশিং বোট ঘটনাস্থলে গিয়ে চার জেলেকে উদ্ধার করে। বাকি চারজন নিখোঁজ হন।
বৃহস্পতিবার ভোরে অন্যান্য বোটের সহযোগিতায় ডুবে যাওয়া নৌকাটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় নৌকার ভেতরে নিখোঁজ চার জেলের মধ্যে ফয়েজ আহমদ ও মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের মরদেহ পাওয়া যায়।
মহেশখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রতুল কুমার শীল বললেন, ‘শুক্রবার দুপুরে সোনাদিয়া চ্যানেলের হারিরমুখ চর এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় নিখোঁজ দুই জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে বুধবার রাতে তিনটার দিকে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার পথে ঝোড়ো হাওয়ার কবলে পড়ে একটি ফিশিং বোট ডুবে আরও দুই জেলের মৃত্যু হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো আপত্তি না থাকলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ দুটি তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’





