সীমান্তে যুবকের ওপর হামলার অভিযোগ, আতঙ্কে স্থানীয়রা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা সীমান্ত এলাকায় মো. তারেক নামের এক যুবকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার বিকালে পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তসংলগ্ন ফাইশাখালী এলাকায় ঘটে এ ঘটনা।
ভুক্তভোগীর দাবি, সশস্ত্র রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং পরে নৌকার বৈঠা দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে।
আহত তারেক পালংখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আঞ্জুমানপাড়া এলাকার আবদুস সালামের ছেলে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বিকালে সীমান্তসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় মাছ ধরতে যান তারেক। এ সময় সেখানে অবস্থান নেওয়া সশস্ত্র ব্যক্তিরা তাকে লক্ষ্য করে দুটি গুলি ছোড়ে। গুলি শরীরে না লাগলেও পরে কাছে এসে নৌকার বৈঠা দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়।
ঘটনার পর আহত তারেককে উদ্ধার করে উখিয়ার কোটবাজারের অরিজিন হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা। হাসপাতালের পরিচালক দরবেশ আলী জানিয়েছেন, জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বিকাল ৫টার দিকে বাড়ি ফিরে যান তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ, আগে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বা ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনা শোনা গেলেও এখন অস্ত্রধারীরা সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এতে এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক।
এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী। সম্প্রতি আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তঘেঁষা এলাকা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের পরিণত হয়েছে অভয়ারণ্যে। তার দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তার কারণেই জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সীমান্ত এলাকায় টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না করলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জানালেন তিনি।




