সুন্দরবন
দস্যুদের ফেলে যাওয়া ৯ আগ্নেয়াস্ত্র ও ১৪ রাউণ্ড গুলি উদ্ধার

সংগৃহীত ছবি
সুন্দরবন থেকে দস্যুদের ফেলে যাওয়া ৯টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১৪ রাউণ্ড গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে কোস্ট গার্ড। বুধবার (৭ অক্টোরবর) রাত ৮টার দিকে পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের শ্যালা নদী সংলগ্ন বন থেকে এসব অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা গহীন বনে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদের মধ্যে রয়েছে ৬টি একনলা বন্দুক, ৩টি এয়ারগান, ১টি পাইপগানের ট্রিগার এবং ১৪ রাউণ্ড তাজা কার্তুজ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানিয়েছেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
মিডিয়া কর্মকর্তা সাব্বির আলম সুজন জানান, গোয়েন্দা তথ্যে ভিত্তিতে একটি সক্রিয় দস্যুদল ডাকাতির উদ্দেশে বাগেরহাটের মোংলা থানাধীন সুন্দরবনের শ্যালার চর ফরেস্ট অফিসসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানের খবর জানতে পারে কোস্ট গার্ড। বুধবার রাত ৮টার দিকে মোংলা কোস্ট গার্ড ওই এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা বনের গহীনে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাওয়া যায়। দস্যুরা এসব অস্ত্রশস্ত্র বনের মধ্যে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রেখেছিল। দস্যুরা পালিয়ে যাওয়ায় রাতের অন্ধকারে কাউকে আটক বা তারা কোন বাহিনীর সদস্য তাও সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
মিডিয়া কর্মকর্তা আরো জানান, বর্তমান সরকারের দিকনির্দেশনায় সুন্দরবনের সক্রিয় সকল বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। তারই ধারাবাহিকতায় সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
সুন্দরবন দস্যুমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান কোস্ট গার্ডের এই কর্মকর্তা।




