মিয়ানমারে পাচারের পথে ৫ হাজার কেজি ইউরিয়া সার জব্দ

ছবি: আগামীর সময়
কক্সবাজারের রামুতে মিয়ানমার সীমান্তে পাচারের ১০০ বস্তা বা প্রায় ৫ হাজার কেজি ইউরিয়া সার জব্দ করেছে বিজিবি। এ সময় সার পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যানসহ আটক করা হয়েছে দুইজনকে।
গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে রামু উপজেলার মরিচ্যা বিজিবি চেকপোস্ট এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), রামু উপজেলা প্রশাসন ও উখিয়া উপজেলা প্রশাসন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের পশ্চিম পালংখালী এলাকার মো. জাহেদ হোসেন (২৫) এবং পিকআপচালক বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ করিম (২৭)। বর্তমানে তিনি রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল এলাকায় বসবাস করেন।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রামুর চৌমুহনী এলাকার একটি গুদাম থেকে উখিয়ার সীমান্তবর্তী পালংখালী বাজারের দিকে একটি পিকআপ ভ্যানে করে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার পাচার করা হচ্ছে, এমন তথ্য দেয় এনএসআই। পরে ওই তথ্যের ভিত্তিতে মরিচ্যা বিজিবি চেকপোস্টে বিশেষ তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন পিকআপটি থামিয়ে তল্লাশি করে ৫০ কেজি ওজনের ১০০ বস্তা, মোট ৫ হাজার কেজি ইউরিয়া সার উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে সার পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান জব্দ এবং এতে থাকা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
রামু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুশান্ত দেবনাথ জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে জব্দ করা সার যাচাই করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সার ও পিকআপ ভ্যান জব্দ করা হয়েছে।
তার ভাষ্য, কৃষি উপকরণের অবৈধ পরিবহন ও পাচার রোধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিস সরকার বলেছেন, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত উদ্দেশ্যের বাইরে কৃষি উপকরণ পাচার বা অবৈধভাবে পরিবহন করা আইনত দণ্ডনীয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জব্দ করা ইউরিয়া সার, পিকআপ ভ্যান এবং আটক দুই ব্যক্তিকে রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, এ ঘটনায় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।





