রাজশাহী
২৬ লাখ টাকার ‘মিথ্যা অভিযোগ’, অবশেষে প্রকাশ্যে ক্ষমা

২৬ লাখ টাকা চাঁদাবাজি ও অপহরণের অভিযোগ। কয়েক মাসের বিরোধ। তারপর বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বদলে গেল পুরো পরিস্থিতি। রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ভবনে দুই পক্ষের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক সমঝোতা বৈঠকে অভিযোগকারী প্রকাশ্যে স্বীকার করলেন, হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এরপর তিনি ক্ষমা চাইলেন। প্রত্যাহার করে নিলেন অভিযোগও। বুধবার সন্ধ্যায় এই সমঝোতার মধ্য দিয়ে রাজশাহীর নগরীর শিরোইলে হোটেল হকস ইনের সত্ত্বাধিকারী মো. এনাজুল হক অমি এবং আবাসন ব্যবসায়ী মো. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিনের মধ্যে কয়েক মাসের বিরোধের অবসান ঘটেছে।
‘জয়েন্ট ফ্যামিলি প্রোপার্টিজ লিমিটেড’-এর চেয়ারম্যান তুহিন বৈঠকে বলেছেন, অমির বিরুদ্ধে ২৬ লাখ টাকা চাঁদাবাজি ও অপহরণের যে অভিযোগ করা হয়েছিল, তা সত্যবিবর্জিত। এ ধরনের অভিযোগ করার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’
এ সময় তিনি অমির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমাও চান। একই সঙ্গে দায়ের করা অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন তিনি।
জানা গেছে, এই বিরোধের সূত্রপাত গত ১৩ মে। সেদিন ঘটে যাওয়া একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। পরে সেই বিরোধ আরও জটিল হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে অমির বিরুদ্ধে ২৬ লাখ টাকা চাঁদাবাজি ও অপহরণের অভিযোগ করা হয়। কয়েক মাস ধরে সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। তবে বুধবারের বৈঠকে সেই বিরোধের মোড় ঘুরে যায়। অভিযোগকারী পক্ষই আগের অবস্থান থেকে সরে আসে। অভিযোগ প্রত্যাহারের পাশাপাশি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া হয়।
সমঝোতা বৈঠক ও পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ সুইট উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অন্যদের মধ্যে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মো. হাসেন আলী, সহসভাপতি মো. জিয়া উদ্দিন এবং পরিচালক গোলাম সাকলাইন ইকো ও মো. তাসনিম হোসেনসহ দুই পক্ষের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।






