ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচল করছে নিষিদ্ধ যান, সাড়ে ৩ মাসে ১৩ মৃত্যু

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জ অংশের ১৪ কিলোমিটার জুড়ে ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও নিষিদ্ধ ত্রিচক্র যান চলাচল করছে। ছবি: আগামীর সময়
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জ অংশের ১৪ কিলোমিটার জুড়ে ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও নিষিদ্ধ ত্রিচক্র যান চলাচল করছে। বেপরোয়া চলাচলে ক্রমশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে মহাসড়কটি।
চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত মহাসড়কের গজারিয়া অংশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক।
উচ্চ আদালত বাংলাদেশের জাতীয় কয়েকটি মহাসড়কে থ্রি হুইলারসহ লেগুনা, নছিমন, ট্রাক্টর, ভটভটি, মাহিন্দ্রা ও এই জাতীয় যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এরপরেও মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে চলাচল করছে যানগুলো।
স্থানীয়রা জানান, সরকারী নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে ইট-বালু-রড-সিমেন্ট ভর্তি ড্রাম ট্রাক বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে এই মহাসড়কে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন ও পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে নিষিদ্ধ যানবাহনের অবাধে চলাচল।
সম্প্রতি সরজমিনে গজারিয়া অংশে মহাসড়কের ১৪ কিলোমিটার ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়ক জুড়ে থ্রি-হুইলার নির্বিঘ্নে চলাচল করছে।
মহাসড়ক সংলগ্ন একাধিক বাস স্ট্যান্ডসহ যেখানে-সেখানে দুরপাল্লার গাড়িসহ নিষিদ্ধ গাড়ি পার্কিং করে যানজট সৃষ্টি করার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীরা ।
যাত্রী ও যানবাহন চালকদের অভিযোগ, মহাসড়কের ওই অংশে হাইওয়ে পুলিশের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। মহাসড়কটির ভবেরচর বাসষ্ট্যান্ড এলাকা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির অর্ধ কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে অবস্থিত হলেও বাসষ্ট্যান্ডটি হয়ে উঠেছে নিষিদ্ধ থ্রিহুইলার যানবাহনের অভয়ারণ্য। মহাসড়কের জামালদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হাইওয়ে পুলিশ বক্সের অবস্থান। এরপরেও সেখানে পুলিশের কার্যক্রম দেখা যায় না।
মহাসড়কের জামালদী বাসষ্ট্যান্ড থেকে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্ন বালুয়াকান্দী অংশে উল্টো পথে ঝুঁকি নিয়ে নিষিদ্ধ থ্রিহুইলার ও স্থানীয় বিভিন্ন ভারী শিল্প কারখানার কাঁচামাল ও পণ্যবাহী লরি ও ট্রাক চলাচল করতে দেখা গেছে।
এছাড়া, ভাটেরচর, ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় খ্রি থ্রিহুইলার পার্কিং করে রাখা থাকে।




