রাঙামাটিতে উদযাপিত হলো ফটোগ্রাফির ২০০ বছর পূর্তি

ছবি: আগামীর সময়
আলোকচিত্রের দুই শতাব্দী অতিক্রমের ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে রাঙামাটিতে মহাসমারোহে উদযাপিত হয়েছে ‘ফটোগ্রাফির ২০০ বছর পূর্তি’।
এ উপলক্ষে শুক্রবার সকালে রাঙামাটি প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ‘পোর্ট্রিয়েট’র উদ্যোগে এক বিশেষ আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পোর্ট্রিয়েটের উপদেষ্টা ও ‘দ্য পিপলস’র সম্পাদক ওসামান গণি মনসুর।
পোর্ট্রিয়েটের প্রতিষ্ঠাতা রূপম চক্রবর্তীর সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, পোর্ট্রিয়েটের বর্ষপূর্তি পালন কমিটির আহ্বায়ক বুলবুল আহমেদ, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে. প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইলিয়াস, ফটোসাংবাদিক সুপ্রিয় চাকমা।
আলোচনাসভায় বক্তারা আলোকচিত্রের সামাজিক, ঐতিহাসিক ও প্রযুক্তিগত বিবর্তনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, মানুষের স্মৃতি, ইতিহাস ও সময়কে বন্দি করে রাখার সবচেয়ে শক্তিশালী এবং জীবন্ত মাধ্যম হলো ফটোগ্রাফি। ১৮২৬ সালে ফরাসি উদ্ভাবক জোসেফ নিকেফোর নিএপ্স প্রথম স্থায়ী আলোকচিত্র তৈরিতে সফলতা অর্জন করেন। পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালে ‘ডাগেরিওটাইপ’ পদ্ধতি বিশ্বজুড়ে প্রকাশের মধ্য দিয়ে এটি একটি সার্বজনীন দৃশ্যমান মাধ্যম হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পায়.
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, গত দুই শতাব্দীতে ফটোগ্রাফির প্রযুক্তিতে এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। এনালগ ফিল্ম ক্যামেরার যুগ পেরিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্মার্টফোনের বর্তমান যুগে এসে ছবি তোলা আরও সহজলভ্য ও দ্রুততর হয়েছে। সংবাদ পরিবেশন, সামাজিক বিপ্লব, বিজ্ঞান, শিল্প-সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিজীবনের অমূল্য মুহূর্ত সংরক্ষণে একটি ছবির ক্ষমতা হাজারো শব্দের চেয়েও শক্তিশালী।
অনুষ্ঠানে রাঙামাটির স্থানীয় আলোকচিত্রী, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা পার্বত্য অঞ্চলে প্রকৃতির বৈচিত্র্য ও জীবনযাত্রাকে আলোকচিত্রের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান।




