২০০ শিক্ষার্থী নিয়ে চট্টগ্রামে তিন দিনব্যাপী সিজিএস বিজনেস সামিট শুরু

সিজিএস বিজনেস সামিট
শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ তৈরি এবং বাস্তবভিত্তিক সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়াতে চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘সিজিএস বিজনেস সামিট ২০২৬’।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে চট্টগ্রাম ক্লাব মিলনায়তনে এই সামিটের উদ্বোধন করা হয়। এতে সারা দেশের ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক। বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘দেশের বৃহত্তর অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা তৈরিতে চিটাগাং চেম্বার সবসময় সহযোগিতা করবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়াসিফ সালাম। এ ছাড়া সিজিএস আপারের প্রিন্সিপাল রুহবাইনা মাহমুদ চৌধুরী, আয়োজক কমিটির সদস্য আদিয়াত মাহফুজ ও সাফওয়ান সাজিদ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকেরা জানান, এটি সিজিএস বিজনেস সামিটের দ্বিতীয় আসর। এবারের আয়োজনের মূল বিষয়বস্তু (থিম) নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ডিজাইন ইওর ফিউচার’। এতে মূলত টেকসই উন্নয়ন, উদ্যোক্তা তৈরি ও ক্ষমতায়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। আগামীকাল ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর চিটাগাং গ্রামার স্কুল (সিজিএস) ক্যাম্পাসে সামিটের মূল পর্ব ও সমাপনী অনুষ্ঠান হবে।
সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি এবং ডিপ্লোমা প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। তিন দিনের এই আয়োজনে কৃষি ও পরিবেশগত উদ্ভাবনসহ মোট পাঁচটি বিশেষায়িত খাতে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রকল্প বা ধারণা উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন। সামিটে ১২ জনের বেশি মেন্টর বা পরামর্শক এবং ৪টি অভিজ্ঞতাভিত্তিক কর্মশালা থাকছে। একটি ধারণাকে কীভাবে বাস্তব পণ্যে রূপ দিয়ে বাজারে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শেখানো হবে। পাশাপাশি মার্কেটিং, হিসাবরক্ষণ ও বাজেট ব্যবস্থাপনার ওপরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়িক জগতের বাস্তব অভিজ্ঞতা দিতে বিনিয়োগকারী ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ রাখা হয়েছে। তিন ধাপের এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য মোট এক লাখ টাকার পুরস্কার (প্রাইজ পুল) রয়েছে।
আয়োজক সূত্র জানায়, গত বছর এই সামিটে পরিবেশবান্ধব পচনশীল টি-ব্যাগ উদ্ভাবন করে একটি দল বিজয়ী হয়েছিল। এবারের বিজয়ীদের ধারণাগুলো নিয়েও একইভাবে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যুক্ত করে উচ্চতর পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ তৈরি করা হবে।



