ত্রুটি সারিয়ে এলএনজি সরবরাহ সচল

ছবি: আগামীর সময়
দেশে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। রাত ১০টার মধ্যেই সেটি পূর্ণমাত্রায় সরবরাহ হবে আর গ্রাহকদের ভোগান্তি কমবে।
আমদানি করা এলএনজি জাহাজে এনে কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান টার্মনালে ভিড়ানো হয়। ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দুটির একটি পরিচালনা করে দেশীয় কোম্পানি সামিট ও অন্যটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি। সেখান থেকে রূপান্তর করে পাইপলাইনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকা পর্যন্ত পৗঁছায় এই এলএনজি।
ভাসমান টামিনালের মধ্যে সামিট গ্রুপের মহেশখালী এলএনজি টামিনালে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে সকাল থেকেই সরবরাহ কমে যায়। সকালে ১০ কোটি ঘনফুট দিলেও সেটি দুপুর নাগাদ কমে ৭৬ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে। এতে দেশে বিভিন্নস্থানে গ্যাস সংকট এবং সরবরাহ চাপ তৈরি হয়।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) প্রকৌশলী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘কারিগরি ত্রুটির কারণে কয়েকঘণ্টা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল। তবে সরবরাহ বন্ধ হয়নি। সন্ধ্যা ছয়টা থেকেই এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক সময়ের মতো ১০ কোটি ঘনফুট দেওয়া শুরু হয়। পাইপলাইন দীর্ঘ হওয়ায় ঢাকা পর্যন্ত চাপ স্বাভাবিক হতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে।’
অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় সরকার কাতার ও ওমানের দুটি কম্পানি থেকে চুক্তিভিত্তিক এলএনজি আমদানি করে। এর বাইরে আন্তজাতিক বাজারের স্পট মার্কেট থেকে চড়াদামে কিনে এলএনজি।



