Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
প্রতিকূলতা জয় করে এগিয়ে চলছে বর্ণ
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় চট্টগ্রাম

রাউজানে যুবদল নেতা হত্যা : কিলার পাঁচ, অস্ত্র ছয়

প্রণব বল ও আহমেদ সারজিল, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ২২:৪৯
রাউজানে যুবদল নেতা হত্যা : কিলার পাঁচ, অস্ত্র ছয়

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় অস্ত্রধারীদের। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় অন্তত পাঁচজন অস্ত্রধারীর অংশ নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে একজনের হাতে দেখা গেছে দুটি পিস্তল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

শনিবার দুপুর ১টা ২২ মিনিটের দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে গুলি করে হত্যা করা হয় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুল হক চৌধুরীকে (৪৫)। রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ স্বপনের ছোট ভাই তিনি এবং বেতাগী এলাকার বাসিন্দা।

ঘটনাস্থলের ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, হামলাকারীদের তিনজনের হাতে মোট চারটি পিস্তল ছিল। একজনের কাছে ছিল জোড়া পিস্তল। অপর দুজনের একজনের হাতে ছোট বন্দুক এবং অন্যজনের হাতে ছিল একনলা বন্দুক। পুলিশ জানিয়েছে, পাঁচজনই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে অংশ নেয় এ হত্যাকাণ্ডে ।

রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়াত হোসেন বলেন, ‘ভিডিওচিত্র যেটা ছড়িয়ে পড়েছে সেটা এই হত্যাকাণ্ডেরই। আমরা বিশ্লেষণ করে দেখেছি। ওই ভিডিওচিত্রে আপাতত পাঁচজনকে অস্ত্র হাতে দেখা গেছে। তার মধ্যে একজনের হাতে দুটি পিস্তল ছিল। একটি একনলা বন্দুকও দেখা গেছে। ঘটনার পর সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে পালিয়ে যায় তারা। ঘটনার তদন্ত চলছে। তবে কাউকে আটক করা হয়নি।’

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, মাসুদুল হককে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ঘটনাস্থলে আসে হামলাকারীরা এবং আগে থেকেই ঘটনাস্থলে ওঁৎ পেতে থাকে।

ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল দুই অস্ত্রধারী। তাদের একজনের পরনে ছিল কালো এবং অন্যজনের পরনে ধূসর রঙের টি-শার্ট। জলপাই রঙের টি-শার্ট পরা একজনকে একটি দাঁড়িয়ে থাকা সিএনজিচালিত অটোরিকশার দিকে যেতে দেখা যায়। কালো টি-শার্ট পরা ব্যক্তি ক্যামেরার দৃশ্যসীমার বাইরে যেতেই শোনা যায় প্রথম গুলির শব্দ।

এরপর গোলাপি রঙের টি-শার্ট পরা এক ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে ছোট বন্দুক হাতে বের হয়ে পরপর তিনটি ফাঁকা গুলি ছোড়েন। গুলি করতে করতে অটোরিকশার পেছনের দিকে এগিয়ে যান তিনি। পরে জলপাই রঙের টি-শার্ট ও মাথায় টুপি পরা আরেকজনকে ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে অটোরিকশার দিকে যেতে দেখা যায়। তার হাতে ছিল দুটি পিস্তল। একই সময়ে অটোরিকশার সামনের আসন থেকে এক ব্যক্তি একনলা বন্দুক হাতে বের হয়ে আসে।

ভিডিওচিত্রে আরও দেখা যায়, কালো, ধূসর ও গোলাপি রঙের টি-শার্ট পরিহিত তিন ব্যক্তি কয়েক সেকেন্ড পর আবার অটোরিকশার দিক থেকে পেছনের দিকে ফিরে আসে। তখন আরও চারটি গুলির শব্দ শোনা যায়, যদিও সেগুলো ক্যামেরায় ধরা পড়েনি। দুপুর ১টা ২২ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড থেকে ১টা ২৪ মিনিট ৪২ সেকেন্ড পর্যন্ত প্রায় এক মিনিট ৫৪ সেকেন্ডের মধ্যে থেমে থেমে এক ডজনেরও বেশি গুলির শব্দ শোনা যায়।

তবে গুলি করার সময় মাসুদুল হককে ভিডিওচিত্রে দেখা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ক্যামেরার দৃশ্যসীমার বাইরে একটি ওষুধের দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, ধূসর রঙের টি-শার্ট পরা দুজন তাকে গুলি করে। কারণ ভিডিওচিত্রে তাদের পিস্তল হাতে অটোরিকশার দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়। তাদের একজনকে ফাঁকা গুলি ছুড়তেও দেখা গেছে।

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে দিনেদুপুরে গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা

১৩ জুন ২০২৬

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে রাউজানে ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ পর্যন্ত প্রায় ২৩ জন রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

হত্যাকাণ্ডের পর বিক্ষুব্ধ বিএনপির নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করেন। তারা সড়কে আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেন। পরে বিকেল ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।

চট্টগ্রামযুবদল নেতামাসুদুল চৌধুরী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি

    গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি

    ১৪ জুন ২০২৬, ০০:১১