তিন ছাত্রের মৃত্যুর পর চুয়েটে পুকুরে নামা বন্ধ

দুই সপ্তাহে তিন ছাত্রের মৃত্যুর পর পুকুরে নামায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চুয়েট প্রশাসন। ছবি: আগামীর সময়
একই পুকুরে মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে নড়েচড়ে বসেছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) কর্তৃপক্ষ। বুধবার সন্ধ্যা থেকে পুকুরটিতে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ ও গোসল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে চুয়েট প্রশাসন।
পুকুরের সবগুলো ঘাটে দেওয়া হয়েছে টিনের বেড়া। তাতে সাঁটানো হয়েছে ‘পুকুরে নামা নিষেধ’ - লেখা স্টিকার। পুকুরের পানি সেচে কমিয়ে ফেলার সিদ্ধান্তও হয়েছে। শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই যেন পুকুরে না নামে, সে বিষয়ে জারি হয়েছে সতর্কতা।
চুয়েটের কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের কাছে ওই পুকুরে ডুবে প্রাণ হারান কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র চমক দত্ত এবং ইলেক্ট্রিক এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একই বর্ষের ছাত্র শান্ত দেব। গতকাল বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
কয়েকদিন আগেই একসঙ্গে ট্রেনে চড়ে ক্যাম্পাসে ফিরেছিলেন দুই বন্ধু। দুজনের বাড়িই মৌলভীবাজারের পাশাপাশি গ্রামে। ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের ছিল নানা স্বপ্ন। বুধবার দুপুরে চুয়েটের পুকুরে গোসলে নেমে থেমে গেল দুই বন্ধুর জীবন।
মাত্র দুই সপ্তাহ আগে একই পুকুরে ডুবে প্রাণ হারিয়েছিলেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অর্ণব সাহা।
এসব ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ ও সমালোচনা আরও তীব্র হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পুকুরটি দ্রুত সেচে পানি শুকিয়ে ফেলা, জলাশয়টির স্থায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।





