চসিক মেয়র
আমি পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত মেয়র

আদালতের আদেশে ২০২৯ পর্যন্ত মেয়াদ দাবি মেয়র শাহাদাতের
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ২০২৯ সাল পর্যন্ত নিজের মেয়াদ রয়েছে বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত মেয়র, এক-দেড় বছরের জন্য নই।’
সোমবার গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে চলমান বিতর্কের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রেজাউল করিমকে বিজয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। পরে নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করেন বিএনপি প্রার্থী শাহাদাত হোসেন। এরপর ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর আদালতের রায়ে তাকে ঘোষণা করা হয় মেয়র এবং ৩ নভেম্বর শপথ নেন তিনি।
এ অবস্থায় মেয়াদের হিসাব নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। কারণ ইতোমধ্যে প্রায় শেষ হয়ে গেছে আগের পরিষদের মেয়াদ।
এ প্রসঙ্গে শাহাদাত হোসেন ভাষ্য, আদালত নির্বাচন বাতিল করে বৈধভাবে মেয়র ঘোষণা করেছে তাকে। তার মতে, এটি ফল নয় কোনো উপ-নির্বাচনের, বরং তার রয়েছে পূর্ণ মেয়াদের অধিকার।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমার সাড়ে তিন বছরের সময় কেড়ে নেওয়া হয়েছে অন্যায়ভাবে, যা আমার ন্যায্য অধিকার।’
তার মতে মেয়াদ গণনা শুরু হবে তার শপথ ও দায়িত্ব গ্রহণের সময় থেকে, আগের মেয়রের সময় থেকে নয় জানালেন চসিক মেয়র।
তবে নতুন নির্বাচনের ঘোষণা এলে তিনি পদত্যাগ করতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন। তিনি বললেন, ‘আমি চাই একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং প্রস্তুত আছি যে কোনো সময় নির্বাচনে অংশ নিতে।’
শাহাদাত হোসেন দাবি করেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী চাইলে দায়িত্বে থাকতে পারেন ২০২৯ সাল পর্যন্ত। তবে নতুন কোনো আদালতের আদেশ বা তার স্বেচ্ছা পদত্যাগ ছাড়া এ অবস্থার পরিবর্তন হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।



