আগামীর সময়ে সংবাদ প্রকাশের পর চুয়েটে বেতন-ভাতা সংকটের সমাধান

ছবি: আগামীর সময়
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অবসান হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বেতন-ভাতা বন্ধের বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছিল ‘দৈনিক আগামীর সময়’। এরপর বুধবার সকালে চুয়েট শাখার সোনালী ব্যাংকের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে বিষয়টি সমাধান হলে দুপুর সাড়ে ১২টার পর থেকে সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবে বেতন-ভাতার টাকা জমা হতে শুরু করে।
সোনালী ব্যাংক চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিক বললেন, ‘আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। এর কিছুক্ষণ পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে সমস্যাটি সমাধান হয়েছে।’
চুয়েট কর্মচারী সমিতির সভাপতি জামাল উদ্দিন বললেন, ‘সকাল ১১টা থেকে আমরা চুয়েট শাখার সোনালী ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছিলাম। পরে আমাদের আন্দোলনের মুখে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি সমাধান করেন। দুপুর সাড়ে ১২টার পর থেকেই কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের ব্যাংকে টাকা ঢুকতে শুরু করে।’
বেতন-ভাতা পাওয়ার পর ব্যাংকের সামনে থেকে অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করলেও নিজেদের মূল আন্দোলন অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জামাল উদ্দিন জানালেন, ‘বেতন-ভাতার সমস্যার সমাধান হওয়ায় আমরা ব্যাংকের সামনে থেকে সরে এসেছি। তবে আমাদের আগের দাবি, উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল করতে হবে— এ দাবিতে আমাদের আন্দোলন চলবে।’
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ১ হাজার ৮৭ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা বন্ধ করে দেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। মঙ্গলবার সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপককে চিঠি দিয়ে বেতন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে নতুন উপাচার্য নিয়োগ বাতিল ও সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে টানা ১৬ দিন ধরে শাটডাউন কর্মসূচি চলছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষাসহ অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির রয়েছে।



