Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়দের ভাগ্য বদলাচ্ছেন জুয়েল
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় আপনি কি জানেন

বহুতল ভবনের ওপর ঝুলন্ত মহাসড়ক

আখলাকুজ্জামান অনিক
আখলাকুজ্জামান অনিক
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১৭:৪৫
শেয়ার করুন:
বহুতল ভবনের ওপর  ঝুলন্ত মহাসড়ক

২৮ ইয়ংক্সিং জি বহুতল ভবন, হাইঝু, গুয়াংঝু, গুয়াংডং, চায়না

একটু কল্পনা করুন তো! আপনি আপনার ড্রয়িংরুমে বসে নিশ্চিন্তে সকালের চা পান করছেন। হঠাৎ করেই মাথার ওপর থেকে ভেসে এলো একটানা এক গোঙানি শব্দ, আর তার সাথে আপনার ঘরের ছাদ ও দেয়াল হালকা কেঁপে উঠল। সাধারণ কেউ এমন পরিস্থিতিতে পড়লে হয়তো আঁতকে উঠবেন, ভাববেন নিশ্চয়ই কোনো বড় মাপের ভূমিকম্প হচ্ছে অথবা কোনো বিপদে পড়তে যাচ্ছেন। কিন্তু আপনি যদি চীনের গুইয়াং শহরের একটি বিশেষ এলাকার বাসিন্দা হন, তবে এই অনুভূতি আপনার কাছে নিতান্তই ডালভাত। কারণ, আপনার মাথার ঠিক ওপর দিয়েই যে ছুটে চলেছে আস্ত একটি মোটরওয়ে! হ্যাঁ, কোনো রূপকথার গল্প বা সায়েন্স ফিকশন মুভির দৃশ্য নয় এটি। বাস্তবেই এমন এক অদ্ভুত, রোমাঞ্চকর এবং বিস্ময়কর আবাসস্থলের দেখা মেলে চীনে।ডিংজিহু বা নেল হাউসশহরের শুইকৌসি ওভারপাস  শুইকৌসি ব্রিজের ঠিক নিচেই গড়ে উঠেছে ডজনেরও বেশি বহুতল আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ভবন। দূর থেকে এই দৃশ্য দেখলে মনে হবে, যেন একটি দৈত্যাকার কংক্রিটের ফিতার নিচে সযত্নে লুকিয়ে আছে আস্ত একটি পাড়া। অদ্ভুত এই স্থাপত্য আর নগর পরিকল্পনার পেছনের গল্পটি হার মানাবে যেকোনো কল্পকাহিনীকেও।


পাহাড়ঘেরা শহরের আবাসন সংকট ও অভিনব এক সমাধান

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গুইঝৌ প্রদেশের রাজধানী গুইয়াং। প্রায় ৪০ লক্ষাধিক মানুষের বাস এই কোলাহলপূর্ণ শহরে। চারপাশ উঁচু-নিচু পাহাড় দিয়ে ঘেরা থাকায় এই শহরে সমতল ভূমির বড়ই অভাব। নব্বইয়ের দশকে শহরটি যখন অর্থনৈতিকভাবে দ্রুতগতিতে বাড়ছিল, তখন আবাসন এবং পরিবহন—এই দুটি সংকটই প্রকট আকার ধারণ করে। সমতল জায়গা না থাকায় নতুন রাস্তাঘাট কিংবা মানুষের থাকার জন্য নতুন ভবন নির্মাণ করা ছিল রীতিমতো এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করতে এবং শহরের কেন্দ্রস্থলের সাথে যোগাযোগ আরও সহজ করতে ইঞ্জিনিয়াররা একটি এলিভেটেড হাইওয়ে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন, যার নাম দেওয়া হয় শুইকৌসি ব্রিজ।

১৯৯৭ সালের মে মাসে এই সুদীর্ঘ ওভারপাসটির নির্মাণকাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়। সাধারণত বিশ্বের অন্যান্য শহরে এমন বিশাল কোনো ব্রিজের নিচের জায়গাগুলো অব্যবহৃতই পড়ে থাকে। কিন্তু গুইয়াং শহরের নগর পরিকল্পনাবিদরা ছিলেন অন্য ধাতুতে গড়া; তারা ভাবলেন ভিন্ন কথা। সে সময় বিমানবন্দর এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য শহরের অনেক জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। ফলে বহু সাধারণ মানুষ তাদের ভিটেমাটি হারিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়েন। তাছাড়া শহরে সাশ্রয়ী মূল্যের বা স্বল্প ভাড়ার বাসস্থানের তীব্র সংকটও ছিল। নগর কর্তৃপক্ষ চাইলে শহরের একদম শেষ প্রান্তে বা শহরতলীতে এই গৃহহীন মানুষগুলোর জন্য আবাসন গড়তে পারতো। কিন্তু তাতে এই নিম্ন-আয়ের মানুষদের প্রতিদিন শহরের কেন্দ্রে যাতায়াত করতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো এবং যাতায়াত খরচও বেড়ে যেত। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, শহরের কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি থাকা শুইকৌসি ব্রিজের নিচের বিশাল ফাঁকা জায়গাটিকেই কাজে লাগানো হবে।

চায়নাআবাসনচীনবিস্ময়অবকাঠামো
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    আইন সংশোধনে ‘একচ্ছত্র ক্ষমতা’ নিতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড

    আইন সংশোধনে ‘একচ্ছত্র ক্ষমতা’ নিতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড

    কী হচ্ছে জামায়াত-এনসিপিতে? জোটে ভাঙনের সুর, নাকি দর কষাকষির কৌশল?

    কী হচ্ছে জামায়াত-এনসিপিতে? জোটে ভাঙনের সুর, নাকি দর কষাকষির কৌশল?

    সাহিত্যে ‘সযত্ন ভালোবাসার প্রকৃতিবিজ্ঞান’

    সাহিত্যে ‘সযত্ন ভালোবাসার প্রকৃতিবিজ্ঞান’

    ‘আমার মৃত্যুর জন্য সুমাইয়া দায়ী, আমার ছেলেকে মেরেছে শরীফ’

    ‘আমার মৃত্যুর জন্য সুমাইয়া দায়ী, আমার ছেলেকে মেরেছে শরীফ’

    তাহসিফের সঙ্গে বারে যাওয়া সেই তরুণী গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

    তাহসিফের সঙ্গে বারে যাওয়া সেই তরুণী গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

    কেন আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়লেন রাশেদ খাঁন, অন্যরা কে কী বলছেন

    কেন আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়লেন রাশেদ খাঁন, অন্যরা কে কী বলছেন

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    বদলে যাচ্ছে  জিয়া উদ্যান

    বদলে যাচ্ছে জিয়া উদ্যান

    লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত মিজান, দুই মেয়েকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার

    লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত মিজান, দুই মেয়েকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার

    তাহসিফ হত্যা মামলায় দীপের পর দিশাও রিমান্ডে

    তাহসিফ হত্যা মামলায় দীপের পর দিশাও রিমান্ডে

    চিকিৎসক বলেছিলেন আর মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর বাঁচব: তানিয়া বৃষ্টি

    চিকিৎসক বলেছিলেন আর মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর বাঁচব: তানিয়া বৃষ্টি

    অনুদান বন্ধ নয়, প্রয়োজন সংস্কার, সৃজনশীলতা ও দূরদর্শী নীতিমালা

    অনুদান বন্ধ নয়, প্রয়োজন সংস্কার, সৃজনশীলতা ও দূরদর্শী নীতিমালা

    তথ্য চাওয়া হচ্ছে পুলিশের, বাদ পড়ছেন না স্কুলবন্ধুও

    তথ্য চাওয়া হচ্ছে পুলিশের, বাদ পড়ছেন না স্কুলবন্ধুও

    পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ-সংঘর্ষের মধ্যেই মজুরি বোর্ড গঠন

    পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ-সংঘর্ষের মধ্যেই মজুরি বোর্ড গঠন

    নতুন কাঠামোয় বেতন পেলেন সরকারি চাকরিজীবীরা

    নতুন কাঠামোয় বেতন পেলেন সরকারি চাকরিজীবীরা


    প্রকৌশলের এক অভিনব বিস্ময়

    ব্রিজটি নির্মাণের ঠিক দুই বছর পর, অর্থাৎ ১৯৯৯ সালে, এর নিচে নিম্ন-আয়ের মানুষদের জন্য এবং পুনর্বাসন প্রকল্পের অংশ হিসেবে প্রথম দফায় প্রায় ১০টি আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হয়। ধীরে ধীরে ব্রিজের নিচের বাকি ফাঁকা জায়গাগুলোতেও আরও বেশ কয়েকটি ভবন মাথা তুলে দাঁড়ায়। অবাক করা বিষয় হলো, ভবনগুলো এত উঁচুতে তোলা হয়েছে যে, কোনো কোনো ভবনের ছাদ এবং মাথার ওপর থাকা ব্রিজের স্ল্যাবের মাঝখানের দূরত্ব এক মিটারেরও কম!শুইকুসি ব্রিজ, চায়না

    এক নজরে এই দৃশ্যটিকে নগর পরিকল্পনার সবচেয়ে বাজে বা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত বলে মনে হতে পারে। মাথার ওপর হাইওয়ে, আর নিচে মানুষের বাস—ভাবতেই তো দমবন্ধ লাগে! কিন্তু প্রকৌশলগত দিক থেকে এটি ছিল একটি মাস্টারপিস বা অনবদ্য সৃষ্টি। ভবনের বাসিন্দারা যেন হাইওয়ের তীব্র শব্দ ও কম্পনে অতিষ্ঠ হয়ে না পড়েন, সেজন্য ইঞ্জিনিয়াররা এখানে ব্যবহার করেছিলেন অত্যাধুনিক ‘ভাইব্রেশন-ড্যাম্পেনিং টেকনোলজি’ বা কম্পন-প্রতিরোধী প্রযুক্তি। এর পাশাপাশি রিইনফোর্সড কংক্রিট ব্যারিয়ার, শব্দ-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বিশেষ ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যুক্ত করা হয়েছিল, যাতে ওপর দিয়ে ছুটে চলা গাড়ির ক্ষতিকর প্রভাব নিচে থাকা মানুষদের ওপর যতটা সম্ভব কম পড়ে।


    সেতুর নিচে জীবনের অন্যরকম এক ছন্দ

    প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে এত সুরক্ষার ব্যবস্থা করার পরও একটি ব্যস্ত হাইওয়ের ঠিক নিচে বসবাস করা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়। হাজার হাজার বাসিন্দা যখন এই নতুন ঠিকানায় এসে উঠলেন, তখন তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়ায় গাড়ির শব্দ, রাস্তার ধুলোবালি আর অনবরত কম্পন। বিশেষ করে কোনো ভারী ট্রাক যখন ওপর দিয়ে তীব্র বেগে ছুটে যেত, তখন পুরো বাড়িটাই যেন কেঁপে উঠত।
    এত প্রতিকূলতার পরও বাসিন্দারা কিন্তু এই জায়গা ছেড়ে চলে যাননি। কারণ, অসুবিধার চেয়ে তাদের কাছে সুবিধার পাল্লাই ছিল ভারী। শহরের একদম কেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় এখানকার বাসিন্দারা খুব সহজেই ও কম খরচে তাদের কর্মস্থলে যাতায়াত করতে পারতেন।

    শুইকুসি ব্রিজের নিচে এপার্টমেন্ট, চায়না

    তাছাড়া এখানকার অ্যাপার্টমেন্টগুলোর ভাড়াও ছিল শহরের অন্যান্য জায়গার তুলনায় অনেক সস্তা। ধীরে ধীরে এই মানুষগুলো এই অদ্ভুত পরিবেশের সাথেই নিজেদের মানিয়ে নেন। মাথার ওপরের গাড়ির একটানা শব্দ আর ভবনের কম্পনকে তারা আর বিরক্তি হিসেবে না দেখে, তাদের এই অনন্য বাসস্থানের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য বা ‘চার্ম’ হিসেবেই মেনে নিতে শুরু করেন।
    পরবর্তীতে বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মান আরেকটু উন্নত করার লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ এই ওভারপাসের ওপর দিয়ে ভারী সেমি-ট্রাক বা বড় কার্গো ট্রাক চলাচলে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর ফলে শব্দ ও কম্পন আগের চেয়ে অনেকটাই কমে আসে। যদিও জায়গাটি এখনো গুইয়াং শহরের সবচেয়ে শান্ত বা আরামদায়ক জায়গা নয় এবং রাস্তার ধুলোবালি ঘরে ঢোকা পুরোপুরি আটকানো সম্ভব হয়নি, তবুও এখানকার বাসিন্দারা তাদের এই সাশ্রয়ী মূল্যের ঠিকানা নিয়ে বেশ তৃপ্ত।

    ভবিষ্যতের নগর পরিকল্পনার এক নতুন মডেল

    আজকের দিনে, যখন বিশ্বের বড় বড় মেগাসিটিগুলো তীব্র ভূমি সংকটে ভুগছে, তখন গুইয়াংয়ের শুইকৌসি ব্রিজের নিচের এই আবাসিক কমিউনিটিটি আরবান ডেনসিটি বা নগর ঘনত্ব সামলানোর এক অত্যন্ত উদ্ভাবনী উদাহরণ হিসেবে গোটা বিশ্বে বিবেচিত হচ্ছে।
    অবশ্য, চীনে এ ধরনের অভিনব স্থাপত্য বা নগর পরিকল্পনার দেখা মেলাটা খুব একটা নতুন কিছু নয়। উদাহরণস্বরূপ, চীনের চংকিং শহরের কথা বলা যায়। সেখানেও স্থানাভাব দূর করতে একটি ১৯ তলা আবাসিক ভবনের পেট চিরে তৈরি করা হয়েছে আস্ত একটি ট্রেনের লাইন। লিজিবা নামের সেই স্টেশনে ভবনটির ভেতর দিয়েই প্রতিদিন যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে।

    শুইকৌসি ওভারপাসের এই গল্পটি আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয় যে, মানুষের উদ্ভাবনী ক্ষমতা আর যেকোনো পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা কত প্রবল হতে পারে। স্থানাভাব এবং প্রতিকূল পরিবেশকে জয় করে কীভাবে একটি বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী সমাজ গড়ে তোলা যায়, গুইয়াংয়ের এই ঝুলন্ত হাইওয়ে আর তার নিচের অ্যাপার্টমেন্টগু লো তারই এক জীবন্ত এবং অনুপ্রেরণাদায়ক প্রমাণ।
    সূত্রঃ অডিটি সেন্ট্রাল, রাতোপাটি, লেবানন নিউজ