ডোনাল্ড ট্রাম্প
চুক্তি ভাঙলে ‘যা প্রয়োজন তাই করব’

ডোনাল্ড ট্রাম্প- রয়টার্স
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নতুন করে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে হওয়া অন্তর্বর্তী চুক্তির শর্ত তেহরান লঙ্ঘন করলে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে। তবে অবমুক্ত অর্থের ব্যবহার নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে ইরান, যা দুই দেশের মধ্যে নতুন মতবিরোধের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সোমবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বললেন, ‘ইরান যদি তাদের চুক্তি অনুযায়ী না চলে, বা যদি তারা ঠিকভাবে আচরণ না করে, তাহলে আমি যা করার প্রয়োজন হবে, তাই করব।’
গত সপ্তাহে ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান একটি অন্তর্বর্তী চুক্তিতে সই করেন। এর তিন মাসেরও বেশি আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালায়, যার জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা করে।
ট্রাম্প দাবি করেন, অবমুক্ত করা অর্থ কেবল যুক্তরাষ্ট্র থেকে খাদ্য কিনতেই ব্যবহার করার কথা ছিল ইরানের।
তবে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের খবরে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দোলনাসের হেম্মাতির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, বর্তমান সমঝোতা স্মারকের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষিপণ্য বা কৃষি উপকরণ কেনার কোনো বাধ্যবাধকতা তেহরানের নেই।
ট্রাম্প বললেন, ‘ওই সব অর্থ শেষ পর্যন্ত খাদ্য কেনার মাধ্যমেই ফিরে আসবে। তাদের খাদ্যের খুব প্রয়োজন। তাদের ৯ কোটি ১০ লাখ মানুষ আছে, কিন্তু তারা নিজেদের খাওয়াতে পারে না। তাই আমরা যে অর্থ অবমুক্ত করছি, তা শেষ পর্যন্ত আমাদের কৃষকদের কাছেই যাবে।’
অন্যদিকে হেম্মাতি বলেছেন, অবমুক্ত হওয়া বাকি অর্থ শুধু প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার জন্য ব্যবহার করা হবে না। নিষেধাজ্ঞার আওতায় নেই এমন অন্যান্য পণ্য কিনতেও তা ব্যয় করা যেতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী হামলা এবং লেবাননে ইসরায়েলি অভিযানে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এ ছাড়া ইরান যুদ্ধ বিশ্ববাজারেও বড় প্রভাব ফেলেছে। এতে বিশ্বজুড়ে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং বেড়েছে তেলের দাম।




