প্রথম গোল
বলটা কাটব্যাক করবি গাধা, আমি পৌঁছে যাব

সংগৃহীত ছবি
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় তুলে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। নিশ্চিত হয়েছে তাদের শেষ ৩২। দুই ম্যাচে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের পাঁচ গোলের সবই করেছেন লিওনেল মেসি। গতকাল জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে টপকে হয়েছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা (১৮টি)। শুরুতেই পেনাল্টি মিস করা মেসির প্রথম গোলের গল্পটা বেশ মজার।
ম্যাচ শেষে টিওয়াইসি স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে মেসি নিজেই ফাঁস করেন তার প্রথম গোলটির পেছনের গল্প। গোলটির কারিগর ছিলেন দলের লেফট-ব্যাক ফাকুন্দো মেদিনা, যাকে ম্যাচ চলাকালে একপ্রকার ধমকই দিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। পেনাল্টি মিস করে মেসির মেজাজ এমনিতেই খারাপ ছিল, তবে সতীর্থরা যেন তার জন্যই তৈরি করেছিল গোলের মঞ্চ।
মেসি হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমি সবসময় নেগ্রোকে (আলমাদা) বলতাম, “কাটব্যাক করবি গাধা... আমি ঠিক সময়ে পৌঁছে যাব।” আজ সে (মেদিনা) ঠিক সেটাই করেছে, একদম দুর্দান্ত একটা পাস। থিয়াগোও (আলমাদা) আমাকে আসতে দেখেছিল, এনজো আর লাউতারো ডিফেন্ডারদের টেনে ফার-পোস্টে নিয়ে গিয়েছিল। পুরো মুভমেন্টটাই এমন ছিল যা আমাকে গোল করার ফাঁকা জায়গা করে দেয়।’
আর্জেন্টাইন অধিনায়কের
এই গোলটি মনে করিয়ে দিয়েছে ২০১৭ সালের সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর সেই বিখ্যাত ‘এল ক্লাসিকো’র গোলকে, যেখানে বার্সেলোনার জার্সি খুলে রিয়াল মাদ্রিদ
সমর্থকদের সামনে উঁচিয়ে ধরেছিলেন তিনি। জর্দি আলবার কাটব্যাক থেকে যেভাবে গোল করতেন,
গতকাল মেদিনার পাসটি যেন সেই স্মৃতি উসকে দিয়েছে। তবে বার্সেলোনার স্মৃতি রোমন্থন করলেও
মেসি এই গোলের সব কৃতিত্ব মেদিনাকেই দিয়েছেন, ‘এই গোলটার পুরো কৃতিত্ব মেদিনার।’
ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করা নিয়ে জানতে চাওয়া হলে বিশ্বকাপ ইতিহাসের নতুন সর্বোচ্চ গোলদাতা বেশ পরিণত জবাবই দিলেন, ‘সবকিছু যেভাবে ঘটল তা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আজ (সোমবার) পেনাল্টিটা পেলে হয়তো ব্যবধান আরও বাড়ত। তবে কে জানে, ওটা গোল হলে হয়তো পরের দুটো গোল আমি পেতামই না! দিনশেষে আমি ফল, নিজের পারফরম্যান্স এবং দলের পারফরম্যান্সে ভীষণ খুশি।’






