গরুর মাংসের দাম কমাতে বিদেশ থেকে আমদানিতে শুল্ক কমালেন ট্রাম্প

ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রে গরুর মাংসের দাম লাগামছাড়া হয়ে উঠতেই এবার আমদানির শুল্ক কমানোর পথে হাঁটলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশের খামারি ও গবাদিপশু ব্যবসায়ীদের তীব্র বিরোধিতার মধ্যেই কম শুল্কে আরও ৩ লাখ টন গরুর মাংস আমদানির অনুমতি দিয়েছেন তিনি। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৯০ দিনের জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত আদেশে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের জন্য গরুর মাংসের দাম ‘অযৌক্তিকভাবে বেড়ে যাওয়ার’ বিষয়টি মোকাবিলা করতেই নেওয়া হয়েছে এই পদক্ষেপ।
হোয়াইট হাউসের তথ্যপত্র অনুযায়ী, এর আওতায় কম শুল্কে আমদানির যোগ্য মাংসের কুচির পরিমাণ আরও ৩ লাখ টন বাড়ানো হবে।
গত সপ্তাহেই ট্রাম্প এই পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এরপর দেশটির সবচেয়ে বড় কৃষক সংগঠন আমেরিকান ফার্ম ব্যুরো ফেডারেশন ট্রাম্পকে চিঠি দিয়ে সতর্ক করে, কম শুল্কের এই সুবিধা ‘যুক্তরাষ্ট্রের খামারিদের ক্ষতিগ্রস্ত করবে’।
খরা ও দাবানলের কারণে দেশটিতে গবাদিপশুর সংখ্যা ৭৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়ায় এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের গরুর মাংসের জন্য রেকর্ড পরিমাণ দাম দিতে হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের তথ্যপত্রে বলা হয়েছে, এই আদেশ শুধু এমন মাংসের কুচির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে কিমা করা মাংস তৈরিতে ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি এসব পণ্য ২৫ শতাংশ কম দামে বিক্রিতে উৎসাহ দেওয়া হবে।
ফেব্রুয়ারিতেও ট্রাম্প একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সে সময় আর্জেন্টিনা থেকে কম শুল্কে গরুর মাংস আমদানির পরিমাণ বাড়ানো হয়েছিল। ওই পদক্ষেপেরও সমালোচনা করেছিলেন খামারিরা।
নিউ ওয়ার্ল্ড স্ক্রুওয়ার্মের বিস্তার ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসন মেক্সিকো থেকে গবাদিপশু আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করায় গরুর মাংসের দাম বাড়ার ওপর আরও চাপ তৈরি হয়েছে। চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র তার দক্ষিণ সীমান্তে গবাদিপশু চলাচলের কয়েকটি বন্দর ধাপে ধাপে আবার খুলতে শুরু করেছে।








