অর্থসংকটে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’!

সংগৃহীত ছবি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলারের গাজা পুনর্গঠন পরিকল্পনা অর্থসংকটে পড়তে পারে। এমনটাই সতর্ক করেছে তার গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’। প্রতিশ্রুত অর্থ ও বাস্তবে অর্থ ছাড়ের মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে, তা জরুরি ভিত্তিতে দূর করতে হবে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বোর্ডটি।
ইসরায়েলের গাজা যুদ্ধ বন্ধ করা এবং ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া অঞ্চলটি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেন ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেছেন, এই বোর্ড অন্যান্য সংঘাত সমাধানেও কাজ করবে।
বোর্ডটিকে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। তবে ওয়াশিংটনের প্রধান মধ্যপ্রাচ্য মিত্র এবং কয়েকটি মাঝারি ও ছোট দেশের বাইরে অনেক বড় শক্তি এখনো যোগ দেয়নি এতে।
রয়টার্স এপ্রিল মাসে জানায়, গাজার জন্য সদস্য দেশগুলোর প্রতিশ্রুত ১৭ বিলিয়ন ডলারের খুব সামান্য অংশই বোর্ডটি পেয়েছে, ফলে তার পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে পারছেন না ট্রাম্প।
তবে বোর্ডটি ওই প্রতিবেদন অস্বীকার করে এক বিবৃতিতে জানায়, এটি ‘বাস্তবায়নকেন্দ্রিক একটি সংস্থা, যা প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ আহ্বান করে’ এবং ‘অর্থায়নে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই’।
এই অর্থ গাজার পুনর্গঠন এবং নতুন মার্কিন-সমর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন গাজা সরকারের কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যবহারের কথা।
১৫ মে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে বোর্ডটি বলেছে, ‘প্রতিশ্রুতি ও অর্থ ছাড়ের মধ্যে ব্যবধান দূর করতে হবে জরুরি ভিত্তিতে।’
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘যে অর্থের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে কিন্তু এখনো ছাড় করা হয়নি, সেটিই কাগজে থাকা একটি কাঠামো এবং গাজার মানুষের জন্য বাস্তবে কাজ করা একটি ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য তৈরি করছে।’
বোর্ডটি ট্রাম্পের উদ্যোগে যুক্ত হওয়া দেশগুলোসহ অন্যান্য রাষ্ট্রকে দ্রুত অর্থ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এবং যেসব সদস্য রাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তাদের ‘অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া দ্রুততর করার’ অনুরোধ করেছে।
প্রতিবেদনে বোর্ডটি কত অর্থ পেয়েছে বা ঘাটতির পরিমাণ কত, তা উল্লেখ করা হয়নি। তবে প্রতিশ্রুত অর্থের পরিমাণ এখনো ১৭ বিলিয়ন ডলার রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি বোর্ড অব পিস।




