ফোন করে চুক্তি করতে চাইছে ইরান, দাবি ট্রাম্পের

এয়ার ফোর্স ওয়ানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : রয়টার্স
দফায় দফায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরও ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ‘তীব্র আগ্রহী’ হয়ে উঠেছে এবং এ বিষয়ে আলোচনার জন্য ফোনে কল করেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় বুধবার এয়ারফোর্স ওয়ান বিমানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছেন, ‘তারা কিছুক্ষণ আগে ফোন করেছিল, তারা খুব করে যেকোনো মূল্যে একটি চুক্তি করতে চায়। আমি আসলে জানি না, তারা এটি করার যোগ্য কি না। আমি এটাও জানি না, তারা চুক্তিটি সম্মান করবে কি না। এটাই সমস্যা।’
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, ‘ইরান হামলা চালালে তার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ২০ গুণ বেশি শক্তিশালী হামলা চালাচ্ছে। তারা আজ সামান্য কিছু করেছে, কিন্তু এটি ছিল মূলত গত রাতের প্রতিশোধ... যখন তারা আঘাত করে, আমরা অনেক বেশি কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত করি।’
ইরানের সঙ্গে বর্তমান উত্তেজনা পূর্ণাঙ্গ সামরিক যুদ্ধে রূপ নেবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, ‘জেতার অনেক উপায় আমাদের আছে, তবে সামরিকভাবে আমরা এরই মধ্যে জিতেছি।’
যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমি জানি না, তবে আমরা খুব দ্রুত জিতব।’
এ সময় ইউরোপ থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি ইরান ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির ওপর নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
এদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরানে অতিরিক্ত হামলা চালানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, মার্কিন বাহিনী ইরানের উপকূল বরাবর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি সরঞ্জাম, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুদ কেন্দ্র, নৌ সক্ষমতা এবং সামরিক রসদ অবকাঠামোসহ প্রায় ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
সেন্টকম আরও জানিয়েছে, আগের রাতে ইরানে সফল আক্রমণাত্মক হামলা চালানোর পরই এই সর্বশেষ হামলাগুলো চালানো হয়েছে।
আগের দিন ইরানে ৮০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি




