Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
১২ লাখ চারা বিতরণ প্রকৌশলী টুটুলের
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্প প্রশাসন ও রিপাবলিক্যান পার্টিতে ঝড়ো হাওয়া

জেডি ভ্যান্স নাকি মার্কো রুবি, কে হবেন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী

  • ভাইস প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে এড়িয়ে ডানপন্থী ধারা গড়ছেন
  • পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো জ প্রেসিডেন্টের আর্শীবাদের দৌড়ে
মনোয়ারুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র থেকে
agamir somoy
প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২১:৩২
শেয়ার করুন:
জেডি ভ্যান্স নাকি মার্কো রুবি, কে হবেন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী

২০২৮ সালে রিপাবলিক্যান পার্টির প্রার্থী কে হবেন? ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নাকি পররাষ্ট্র মন্ত্রী মার্কো রুবিও। মধ্যবর্তী নির্বাচনে লালা শিবিরের ভরাডুবির পর জেডি ভ্যান্স প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে এড়িয়ে চলছেন। পরাজয়ের জন্য ট্রাম্পের নীতি বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ ও ইসরাইল প্রশ্নে প্রকাশ্যে সমালোচনা করছেন। একটি ‘নতুন ডানপন্থী’ ধারা গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। এদিকে ফ্লোরিডা থেকে নির্বাচিত সাবেক সিনেটর ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী প্রেসিডেন্ট প্রার্থীতার ইঙ্গিত দিয়েছেন। প্রয়োজনে এখনই তিনি মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করতে চান। তবে প্রার্থীতায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সর্মথনটি তার বেশি দরকার। ভাইস প্রেসিডেন্টের চেয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে ট্রাম্পের পাশে বেশি দেখা গেছে। গত শুক্রবার প্রেসিডেন্টের সাথে তাকে ছায়ার মতো লেগে থাকতে দেখা গেছে। একসাথেই তারা ওয়াশিংটন থেকে ফ্লোরিডায় গিয়েছেন। নির্বাচন নিয়ে রুবিও ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিরও কোন সমালোচনা করেননি। রাজনৈতিক পযবেক্ষকরা বলছেন, ট্রাম্পের সর্মথন রুবিও’র পাল্লায় বেশি।
এদিকে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ট্রাম্প প্রশাসন ও দলের ভেতরে ঝড়ো হাওয়া বইছে। হোয়াইট হাউজের চীফ অব স্টাফ পদে স্টিফেন মিলারকে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাম্প। চীফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলস আইট। প্রশাসনে মিলার ইমিগ্রেশন বিরোধী হিসেবে পরিচিত। প্রেসিডেন্টের অভ্যন্তরীণ নীতি বিষয়ক উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন বিরোধী কঠোর পদক্ষেপগুলোর মূল কারিগর । ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরি মিলারের এই নিয়োগে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ওর হাতে আমেরিকানদের রক্ত লেগে আছে’।
শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির ভরাডুবির প্রেক্ষাপটে তিনি মন্ত্রিসভায় আরও রদবদল আনতে পারেন। এর ইঙ্গিত থেকে বোঝা যায়, চিফ অফ স্টাফ সুসি ওয়াইলস একমাত্র ব্যক্তি নন যাকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সিবিএস নিউজের রস ডাউথাতের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে কাউকে বরখাস্ত করার কথা ভাবছেন কি না জানতে চাওয়া হয়। জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, ভাবছি।”

ফক্স নিউজ ডিজিটালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এমন ভোটারদের নিয়ে একটি নতুন জোট গড়ার চেষ্টা করছেন, যারা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজেদের উপেক্ষিত বলে মনে করেন। ২০২৮ সালের নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে, রিপাবলিকান দলের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পারফরম্যান্স নিয়ে ভ্যান্স নিজের মতো করে বার্তা তৈরির চেষ্টা করছেন। ট্রাম্পের মতো দেশজুড়ে বিস্তৃত রাজনৈতিক পরিকাঠামো না থাকা সত্ত্বেও ২০২৮ সালের নির্বাচনে ভ্যান্স অন্যতম প্রধান সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে টিকে আছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভরাডুবি ঠেকানোর মরিয়া প্রচেষ্টার শেষ পর্যায়ে এসে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স তার কৌশল পরিবর্তন করেন। তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিষয়ে কম কথা বলেছেন এবং নিজের রাজনৈতিক পরিচিতি গড়ে তোলে এমন বিষয়গুলোর ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। এই কৌশলগত পরিবর্তনটি একটি ইঙ্গিত দেয় । রিপাবলিকান দল যখন ট্রাম্পের পরবর্তী অধ্যায়ের দিকে তাকাচ্ছে, তখন ৪২ বছর বয়সী এই ভাইস প্রেসিডেন্ট কীভাবে নিজের আলাদা রাজনৈতিক পথ তৈরি করতে পারেন তা দেখার বিষয়।
ট্রাম্প প্রশাসনের অনেকেই ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসের তদন্ত ও মামলায় জড়াতে চান না। অনেকেই আগেভাগেই কেটে পড়ার চেষ্টা করছেন। মার্কিন বিচার বিভাগের (ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস) দুই শীর্ষ কর্মকর্তা শুক্রবার পদত্যাগ করেছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর, বিচার বিভাগ থেকে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের চলে যাওয়ার প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হয়েছে।
বিচার বিভাগের জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান জন আইজেনবার্গ এবং ট্রাম্পের অতীতের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্ত পরিচালনাকারী জেসন রেডিং কুইনোনেস পদত্যাগ করেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার সিভিল রাইটস ইউনিটের প্রধান হারমিত ধিলনও পদত্যাগ করেছিলেন। ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প প্রশাসন এবং তার ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে বেশ কয়েকটি তদন্ত শুরুর পরিকল্পনা করছেন।
নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে দলের শীর্ষ নেতারা ট্রাম্পকে তুলোধুনো করছেন। ৩০ বছর ধরে ধরে রাখা সিনেট আসন হারানোর পর সুসান কলিন্স (মেইন) বলেছেন, তিনি ‘ট্রাম্প সুনামির কবলে’ পড়েছিলেন। ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’—এর সঙ্গে আলাপকালে কলিন্স পরোক্ষভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাঁর এই পরাজয়ের জন্য দায়ী করেছেন।মেইন অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট ট্রয় জ্যাকসনের কাছে পরাজিত হয়েছেন কলিন্স। জ্যাকসন সেখানে ৫৩ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছেন।
সিরি এক্সএম এর ‘দ্য জন ক্যাসিচ শো’তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিউ হ্যাম্পশায়ারে রিপাবলিক্যান সিনেট পদপ্রার্থী সুনুনু বলেন, ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাত থামাতে ট্রাম্পের ব্যর্থতা এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ওয়াশিংটনের দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থাকে নির্মূল করতে না পারা—এই বিষয়গুলো রিপাবলিকান প্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রমাণিত হয়েছে।
সুনুনু বলেন, “এখন মনে হচ্ছে, ওয়াশিংটনে যা কিছু লেনদেন বা চুক্তি হচ্ছে, তার সবকিছুর সঙ্গেই তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউ না কেউ জড়িত। আমার মনে হয়, এই দুটি বিষয় ভোটারদের মনে এমন ধারণা তৈরি করেছে যে, ‘তিনি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আমি কোনো রিপাবলিকান প্রার্থীকে ভোট দিতে পারি না’।” নিউ হ্যাম্পশায়ার সিনেট নির্বাচনে সুনুনু ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ক্রিস পাপাসের কাছে ১৩ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। অথচ রিপাবলিকানরা আশা করেছিল যে, ডেমোক্র্যাটদের দখলে থাকা এই আসনটি তারা জিতে নিতে পারবে।
ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিসান্টিস এবং সাবেক কংগ্রেস সদস্য মার্জোরি টেলর গ্রিনসহ অন্যান্য রিপাবলিকান নেতারা সরাসরি প্রেসিডেন্টকেই দায়ী করেছেন। তাদের মতে, এই ফলাফল প্রমাণ করে যে রিপাবলিকান দলের ভেতরে বড় ধরনের আত্মবিশ্লেষণ বা পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজন রয়েছে।
সিনেটর রন জনসন (রিপাবলিকান—উইসকনসিন) তার দলের সহকর্মীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পাঁচটি স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি সিনেট রিপাবলিকান কনফারেন্সের একটি বৈঠকের অনুরোধ জানিয়েছেন, যেখানে আগামী সপ্তাহে নির্ধারিত নেতৃত্বের নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
সিনেট বাজেট কমিটির চেয়ারম্যান ও ট্রাম্পের কট্টর মিত্র জনসন বড় পরাজয়ের পর সিনেট রিপাবলিকান নেতৃত্বের নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সিনেট রিপাবলিকান দলের একজন সহযোগী সিএনএনকে জানিয়েছেন, ট্রাম্পের একজন উপদেষ্টা সিনেট মেজরিটি লিডার জন থুন (রিপাবলিকান—সাউথ ডাকোটা)কে পুনরায় দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা উচিত কি না তা প্রশ্ন তুলেছেন ।
সিনেট রিপাবলিকান কনফারেন্সের চেয়ারম্যান টম কটন (রিপাবলিকান—আরকানসাস)—এর কাছে লেখা এক চিঠিতে জনসন যুক্তি দিয়েছেন , নির্বাচনের ফলাফল রিপাবলিকানদের জন্য একটি ‘বিস্ময়কর পরাজয়’। তিনি মনে করেন, থুন এবং অন্যান্য রিপাবলিকান নেতাদের পুনরায় নির্বাচিত করার আগে এই ফলাফল নিয়ে আরও সতর্কতার সঙ্গে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
উটাহ অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান সিনেটর জন কার্টিস মনে করেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ব্যাপক পরাজয়ের কারণ হলো—দলটি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার নেশায় তাদের মূল রক্ষণশীল আদর্শ বা মূল্যবোধগুলো বিসর্জন দিয়েছে। তার মতে, এই কৌশলটি এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে উল্টো ফল বয়ে এনেছে।
সাবেক সিনেটর ও সাবেক প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী মিট রমনী মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য ‘ত্রুটিপূর্ণ নীতি ও খারাপ চরিত্র’কে দায়ী করেছেন। তিনি দলের সদস্যদের এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য পদক্ষেপ নেবার আহ্বান জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে রমনি রিপাবলিকান পার্টির বিভিন্ন ভুল পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। যার মধ্যে অর্থনীতি, অভিবাসন এবং সরকারি দুর্নীতির মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত

    সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত

    ব্যানারে শহীদ জিয়ার ছবি নেই, শেখ মুজিবকে ‘জাতির পিতা’ বলায় হট্টগোল

    ব্যানারে শহীদ জিয়ার ছবি নেই, শেখ মুজিবকে ‘জাতির পিতা’ বলায় হট্টগোল

    নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’

    নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’

    বক্তব্যে শহীদ জিয়ার নাম নিলেন না শিক্ষা কর্মকর্তা, পরে দুঃখ প্রকাশ

    বক্তব্যে শহীদ জিয়ার নাম নিলেন না শিক্ষা কর্মকর্তা, পরে দুঃখ প্রকাশ

    রাষ্ট্র সংস্কারে জিয়ার ভূমিকা ও আজকের বাংলাদেশ

    রাষ্ট্র সংস্কারে জিয়ার ভূমিকা ও আজকের বাংলাদেশ

    ৩ প্রেক্ষিত ৩ পক্ষ

    ৩ প্রেক্ষিত ৩ পক্ষ

    আদর্শ থেকে ‘সরে যাওয়ায়’ এনসিপি ছাড়লেন শিশির

    আদর্শ থেকে ‘সরে যাওয়ায়’ এনসিপি ছাড়লেন শিশির

    শুল্ক বাড়িয়ে উল্টো রাজস্ব হারাল এনবিআর

    শুল্ক বাড়িয়ে উল্টো রাজস্ব হারাল এনবিআর

    মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন

    মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন

    সংহতি দিবসে বিএনপি নেতার তোরণে ট্রাকের ধাক্কা, চালককে পিটিয়ে আহত

    সংহতি দিবসে বিএনপি নেতার তোরণে ট্রাকের ধাক্কা, চালককে পিটিয়ে আহত

    কর্ণফুলী তো গুটিয়েই গেল; ইস্টার্ন প্লাজা, আলপনা প্লাজার কী হাল?

    কর্ণফুলী তো গুটিয়েই গেল; ইস্টার্ন প্লাজা, আলপনা প্লাজার কী হাল?

    জীবনে ঠিকানাহীন, সাহিত্যে চিরস্থায়ী

    জীবনে ঠিকানাহীন, সাহিত্যে চিরস্থায়ী

    রূপপুরের আলোয় স্বপ্ন দেখছে তরুণ প্রজন্ম

    রূপপুরের আলোয় স্বপ্ন দেখছে তরুণ প্রজন্ম

    বরিশালে বিএনপির সমাবেশে হাতাহাতি, আহত যুবদলের সাবেক নেতা

    বরিশালে বিএনপির সমাবেশে হাতাহাতি, আহত যুবদলের সাবেক নেতা

    ওই দেখা যায় এভারেস্ট

    ওই দেখা যায় এভারেস্ট