ক্যানসার নিরাময়ে কালজয়ী উদ্ভাবন

প্রতীকী ছবি: রয়টার্স
ক্যানসার নিরাময়ে কালজয়ী ইনজেকশন উদ্ভাবনের দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। আক্রান্ত রোগীদের শরীর থেকে পুরোপুরি টিউমার দূর করতে এটি ত্রিমুখী কার্যক্ষমতাসম্পন্ন। অ্যামিভান্টাম্যাব নামের এ ইনজেকশন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অংশ নেওয়া এক-তৃতীয়াংশের বেশি রোগীর টিউমারের আকার ছোট করতে সক্ষম হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দেখা গেছে নাটকীয় পরিবর্তন। এমনকি ১৫ রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা দেখতে পান, ওষুধটি সম্পূর্ণভাবে গলিয়ে দিয়েছে বা নির্মূল করে দিয়েছে তাদের টিউমার। বিবিসি।
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ ১১ দেশে পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের (পরীক্ষামূলক প্রয়োগ) অংশ হিসেবে এ ইনজেকশন দেওয়া হয় রোগীদের। তাদের ক্যানসার শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়েছিল বা আবার ফিরে এসেছিল। যাদের রোগ উপশম হচ্ছিল না অন্য কোনো চিকিৎসায়।
গবেষণায় পাওয়া ফল স্থানীয় সময় রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে আমেরিকান সোসাইটি অব ক্লিনিক্যাল অনকোলজির (এএসসিও) বার্ষিক সম্মেলনে উপস্থাপন করার কথা । এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্যানসার সম্মেলন।
মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত ১০২ রোগীকে পরীক্ষামূলক দেওয়া হয়েছিল এ ইনজেকশন। ক্যানসারের যেসব ধরনে মানুষ বেশি আক্রান্ত হয়েছেন, তার মধ্যে মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসারের অবস্থান ষষ্ঠ। তাই এতে দেখা গেছে, ৪৩ রোগীর ক্ষেত্রে টিউমার আকারে ছোট হয়েছে বা সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে গেছে। এর মধ্যে ২৮ জনের টিউমার উল্লেখযোগ্য ছোট হয়েছে। ১৫ রোগীর ক্ষেত্রে পুরোপুরি নির্মূল হয়ে গেছে টিউমার।
এ ইনজেকশনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ থেকে যে ফল পাওয়া গেছে, তাকে নজিরবিহীন বলেছেন গবেষকরা।
কেমোথেরাপি লাগবে না স্তন ক্যানসারে: স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়ে সুখবর দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এক গবেষণা বলছে, এই ক্যানসারে আক্রান্ত লাখো রোগীর প্রয়োজন পড়বে না কেমোথেরাপির। বিজ্ঞানীরা প্রোসিগনা নামে একটি ডিএনএ পরীক্ষা আবিষ্কার করেছেন, যাতে বোঝা যাবে কাদের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি প্রয়োজন আর কাদের প্রয়োজন নেই। গবেষণাটি পরিচালনা করেছে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন। এতে অংশ নিয়েছিলেন যুক্তরাজ্য, নরওয়ে, সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও থাইল্যান্ডের চার হাজারের বেশি ব্যক্তি। ওই গবেষণায় রোগীদের ওপর নতুন ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োগের পর কেমোথেরাপির বিষয়ে জানা গেছে এমন তথ্য।






