লন্ডনে হামলা চালাতে পারে রাশিয়া

সংগৃহীত ছবি
ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ঐতিহাসিক ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজে হামলার আহ্বান জানানো হয়েছে রাশিয়ার কিছু প্রভাবশালী মহল থেকে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য মিরর এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইউক্রেনের একটি সামরিক অভিযানে ব্রিটেনের সরবরাহ করা ড্রোন ব্যবহারের তথ্য প্রকাশের পর রাশিয়ার কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনীয় বাহিনী গত বছর দিনিপ্রো নদীর একটি উপনদীর ওপর অবস্থিত একটি কৌশলগত সেতু ধ্বংস করে। রাশিয়ার দাবি, এই অভিযানে পশ্চিমা প্রযুক্তি ও সহায়তা ব্যবহৃত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে রুশ মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বিশ্লেষক ভ্লাদিমির কর্নিলভ বলেছেন, রাশিয়ার অভ্যন্তরে নাশকতায় পশ্চিমা দেশগুলোর ভূমিকা নিয়ে তারা প্রকাশ্যে কথা বলছে। তার মতে, এর জবাবে রাশিয়ারও কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত। তিনি লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজকে লক্ষ্যবস্তু করার কথাও উল্লেখ করেন।
তবে এই ধরনের বক্তব্যকে আনুষ্ঠানিক রুশ নীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে না। রাশিয়ার সরকারিভাবে এমন কোনো হামলার ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকেই রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক তীব্রভাবে অবনতি ঘটে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে। অন্যদিকে রাশিয়া এই সহায়তাকে সরাসরি সংঘাতে জড়িত থাকার সমতুল্য হিসেবে বিবেচনা করে।
ইউক্রেন যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় রাশিয়ার ভেতরে অবকাঠামোতে হামলা এবং দখলকৃত অঞ্চলে আক্রমণের ঘটনা বেড়েছে। এসব ঘটনার জন্য রাশিয়া প্রায়ই ইউক্রেন ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দায়ী করে।
এদিকে, বৈশ্বিক উত্তেজনার আরেকটি মাত্রা যোগ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যেও। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আনা একটি প্রস্তাবে রাশিয়া ও চীন ভেটো দিয়েছে। এতে প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায়। নিরাপত্তা পরিষদে ১১টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলেও স্থায়ী সদস্যের ভেটোর কারণে তা পাস হয়নি।















