Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
সড়ক সংস্কার করেন ছাত্তার
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

একশ দিনেও বাগে আসেনি ইরান

  • যুদ্ধ ও শান্তির দোলাচলে মধ্যপ্রাচ্য
আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৩
একশ দিনেও বাগে আসেনি ইরান

চোখের পলকে সরকার পতনের স্বপ্ন নিয়ে হামলা চালিয়ে একশ দিনেও ইরানকে বাগে আনতে পারল না যুক্তরাষ্ট্র। উল্টো রাজকোষ ফাঁকা করে বিপুল অর্থব্যয়ের ব্যর্থতায় নিজেরই যুদ্ধ ক্ষমতা খোয়াতে হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। চতুর্থ দফার চেষ্টায় যুদ্ধ বন্ধ বিল পাস করেছে মার্কিন কংগ্রেস। এখন নির্বাহী ক্ষমতাবলেও ইরানে হামলা করতে গেলে অন্তত কয়েকবার কপালের ঘাম মুছতে হবে ট্রাম্পকে।

যুদ্ধ বন্ধ বিল পাস হলেও আদতে তা বন্ধ হবে, নাকি আবার শুরু হবে যেকোনো সময়, তা নিয়েও রয়েছে সংশয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি মূলত এখন যুদ্ধ ও শান্তির দোলাচলে আটকে।  আলজাজিরা, রয়টার্স।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। দীর্ঘ এ যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি ব্যাহত হয়েছে জ্বালানি সরবরাহে। শতচেষ্টায় কুলোতে পারেনি অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি। লেবাননে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো স্থায়ী চুক্তি রয়ে গেছে অধরাই। ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি চললেও তা ভঙ্গুর। রবিবার যুদ্ধটি ১০০ দিনে পা রাখায় মূল প্রশ্নটি এখন— প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার লক্ষ্য অর্জন করতে পেরেছেন কি না।

ট্রাম্পের লক্ষ্যগুলো কী ছিল: ট্রাম্প বারবার বলেছেন, তার উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা, তেহরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বৃহত্তর নিরাপত্তা চুক্তি মেনে নিতে বাধ্য করা। পাশাপাশি ইরান ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করাও ছিল লক্ষ্য।

ট্রাম্প কি সফল: আংশিকভাবে। সামরিক অভিযান ইরানের নেতৃত্ব ও সামরিক অবকাঠামোতে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। তবে ট্রাম্পের অনেক বৃহত্তর উদ্দেশ্যই অপূর্ণ রয়ে গেছে। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সব দাবি মেনে নেয়নি, কোনো সমঝোতা হয়নি এবং আঞ্চলিক সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। কারণ, ইরানের কাছে দর-কষাকষির গুরুত্বপূর্ণ উৎস হরমুজ প্রণালি।

হরমুজ প্রণালি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ: ইরান হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিশ্বের তেল ও গ্যাস রপ্তানির বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। যুদ্ধের শুরুতে ইরান এই পথে নৌ-চলাচল ব্যাহত করার সিদ্ধান্ত নেয়। তিন মাসেরও বেশি সময় পর স্বাভাবিক নৌ-চলাচল পুনরুদ্ধারের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এটি ব্যাপকভাবে সীমাবদ্ধ রয়েছে, যা জ্বালানি বাজারের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।

লেবানন কেন প্রতিবন্ধক: একটি বৃহত্তর নিষ্পত্তির পথে লেবানন অন্যতম প্রধান বাধা। ইসরায়েল হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে ইরান বলছে, যেকোনো স্থায়ী ব্যবস্থায় লেবাননের পরিস্থিতি বিবেচনায় আনতে হবে। যতদিন সেখানে উত্তেজনা থাকবে, ততদিন কূটনৈতিক অগ্রগতি ঝুঁকিপূর্ণ।

১০০ দিন শেষে কে সুবিধাজনক অবস্থানে: কোনোপক্ষই সুস্পষ্ট বিজয় দাবি করতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর সামরিক সাফল্যের কথা বলছে। অন্যদিকে, তেহরান দেখিয়েছে যে তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ অব্যাহত রাখতে পারে। যুদ্ধের সবচেয়ে বড় পরিণতি অর্থনৈতিক-জ্বালানি বাজারের অনিশ্চয়তা ও বিশ্ববাণিজ্যে বিঘ্ন।

মধ্যপ্রাচ্যযুদ্ধআমেরিকা-ইরানট্রাম্প
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ন্যাম ফ্ল্যাটে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    ন্যাম ফ্ল্যাটে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    মেঘনায় তলিয়ে যাওয়া দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ বন্ধু

    মেঘনায় তলিয়ে যাওয়া দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ বন্ধু

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে লাখো মানুষের ঢল

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে লাখো মানুষের ঢল

    ডিজেলসহ সব জ্বালানি তেলে লিটারে বাড়ল ২০ টাকা

    ডিজেলসহ সব জ্বালানি তেলে লিটারে বাড়ল ২০ টাকা

    ৮ দিন পর উৎপাদনে ফিরল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

    ৮ দিন পর উৎপাদনে ফিরল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

    ইতালির স্কুলে মুখ ঢাকা পোশাক নিষিদ্ধ ও বিদেশি শিক্ষার্থী সীমিতের ঘোষণা মেলোনির

    ইতালির স্কুলে মুখ ঢাকা পোশাক নিষিদ্ধ ও বিদেশি শিক্ষার্থী সীমিতের ঘোষণা মেলোনির

    কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ চবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

    কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ চবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

    বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৃদ্ধিতে টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান

    বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৃদ্ধিতে টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান

    আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন, জ্যামে আটকা ফায়ার সার্ভিস

    আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন, জ্যামে আটকা ফায়ার সার্ভিস

    জুতা সেলাইয়ে ৩৫ বছর পার, এখন দিনে আয় ১০০-২০০ টাকা

    জুতা সেলাইয়ে ৩৫ বছর পার, এখন দিনে আয় ১০০-২০০ টাকা

    হুতিরা যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালাবে না : ট্রাম্প

    হুতিরা যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালাবে না : ট্রাম্প

    ২১৬ দিন পর যমুনা সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু

    ২১৬ দিন পর যমুনা সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু

    শেরেবাংলা নগরে হচ্ছে বিভাগীয় কমিশনারের নিজস্ব কার্যালয়

    শেরেবাংলা নগরে হচ্ছে বিভাগীয় কমিশনারের নিজস্ব কার্যালয়

    আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল বিতরণের অনুমোদন

    আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল বিতরণের অনুমোদন

    অপ্রতিম হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি ৩ আসামির

    অপ্রতিম হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি ৩ আসামির