ঈদের আগের রাতে গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত ২

সংগৃহীত ছবি
ঈদুল আজহার প্রস্তুতির মধ্যেই গাজা সিটিতে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত দুই ফিলিস্তিনি, আহত হয়েছেন ২০ জনেরও বেশি। আহতদের মধ্যে রয়েছে নারী ও শিশু।
গাজার আল-শিফা হাসপাতালের একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে, রেমাল এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ঘটে হতাহতের এই ঘটনা।
আল জাজিরার গাজা সিটি প্রতিনিধি হানি মাহমুদের দাবি, সাম্প্রতিক দিনগুলোর মধ্যে এটি ছিল সবচেয়ে তীব্র হামলাগুলোর একটি। তার ভাষ্য, ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল সাধারণ মানুষ। এমন সময় হামলায় পাল্টে যায় পুরো পরিস্থিতি।
তিনি বলেন, গাজার ব্যস্ততম একটি সড়কের পাশে থাকা বহুতল ভবনের ওপরের তলায় যুদ্ধবিমান থেকে ফেলা হয় বোমা। এলাকাটি বহুদিন ধরেই অস্থায়ী বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হত। কেননা গাজার বড় অংশের বাজার ধ্বংস হয়েছে আরও আগেই।
প্রথম হামলার কয়েক মিনিট পর প্রায় ৩ দশমিক ২ কিলোমিটার দূরে আরেকটি আবাসিক ভবনে চালানো হয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। এতে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।
হামলায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক নারী, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কেনাকাটা করতে বের হয়েছিলেন যিনি। হামলায় আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও রয়েছে আশঙ্কা।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দাবি, হামলার লক্ষ্য ছিলেন হামাসের সামরিক শাখার নতুন প্রধান মোহাম্মদ ওদেহ। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে তাকে গাজায় হামাসের সামরিক শাখার কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে হামলায় ওদেহ নিহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানানো হয়নি।
গাজার পশ্চিমাঞ্চলে বর্তমানে বেড়েছে জনসংখ্যার চাপ, কারণ পূর্বাঞ্চলের বড় অংশ এখন ‘ইয়েলো লাইন’ হিসেবে চিহ্নিত। ফলে হাজারো বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন পশ্চিমাঞ্চলে। এমন পরিস্থিতিতে ঈদের আগের রাতে নতুন এই হামলা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ।






