চাকরি না পেয়ে হতাশ, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

সাই প্রদীপ। ছবি: সংগৃহীত
উচ্চশিক্ষার জন্য ২০২৪ সালে ভারতের হায়দরাবাদ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দিয়েছিলেন সাই প্রদীপ নামে এক শিক্ষার্থী। দুই বছর পর তার মৃত্যুর খবর পেল পরিবার। চাকরি না পাওয়া ও মানসিক চাপে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের বরাতে জানা গেছে এ তথ্য।
‘দীপু’ নামে পরিচিত প্রদীপ ছিলেন হায়দরাবাদের উত্তর-পূর্ব উপশহর দাম্মাইগুড়ার বাসিন্দা। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট সান অ্যান্টোনিওতে স্নাতকোত্তরে পড়াশোনা শুরু করেন প্রদীপ।
পরিবার ও বন্ধুদের ভাষ্য, প্রায় চার মাস ধরে চাকরি খুঁজছিলেন প্রদীপ। এ সময় তিনি ছিলেন প্রচণ্ড মানসিক চাপে। গত ২১ আগস্ট আসে তার মৃত্যুর খবর।
প্রদীপের চাচাতো বোন দীপ্তির স্মৃতিতে প্রদীপ ছিলেন ‘ভালোবাসাপূর্ণ ও সদয় মনের একজন মানুষ’।
প্রদীপ ছোটবেলা থেকেই গেছেন বেশকিছু শারীরিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে। তবে সেগুলো কখনো তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি বলে একটি তহবিল সংগ্রহের পেজে লিখেছেন দীপ্তি।
যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময় স্প্যানিশ ভাষাও শিখেছিলেন প্রদীপ। প্রদীপের বোন বলেছেন, তার আকস্মিক মৃত্যু বাবা-মা, পরিবার ও স্বজনদের এমন এক শূন্যতার মধ্যে ফেলেছে। যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
প্রদীপের মরদেহ ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া ও শেষকৃত্যের খরচ মেটাতে দীপ্তি গোফান্ডমিতে উদ্যোগ নিয়েছেন একটি তহবিল সংগ্রহের। লক্ষ্য ৩৫ হাজার ডলার। অতিরিক্ত অর্থ থাকলে তা প্রদীপের বাবা-মাকে সহায়তায় ব্যয় করা হবে।
আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ওই তহবিলে অনুদান দিয়েছেন ৮২১ জন। সংগ্রহ হয়েছে ২৮ হাজার ৬০২ ডলার।
দীপ্তি লিখেছেন, প্রদীপের শক্তি, দৃঢ়তা, দয়া এবং জীবনের প্রতি ভালোবাসা সবসময় মানুষের মনে বেঁচে থাকবে।
সূত্র : এনডিটিভি







