আন্দোলন ঠেকাতে মোদি বিভাজনের রাজনীতি করছেন: দীপকে

সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে
বিরোধীদের আন্দোলন দমনে ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ কৌশল নিচ্ছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে গিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা-সহ একাধিক কর্মী আটক হওয়ার পর এই প্রশ্নই তুললেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তার অভিযোগ, বিরোধী রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন এবং তরুণ আন্দোলনকারীদের একজোট হতে না দিয়ে আলাদা আলাদা ভাবে মোকাবিলা করার চেষ্টা চলছে। কোথাও বিক্ষোভের অনুমতি নেই, কোথাও ধরনাস্থল বদলের নির্দেশ, আবার কোথাও প্রতিবাদকারীদের আটক, এই বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপের মধ্যেই সরকারের রাজনৈতিক কৌশল দেখছেন দীপকে।
দীপকের বক্তব্য, কোনও একটি আন্দোলনকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসাবে দেখলে বৃহত্তর অসন্তোষের ছবিটা আড়ালে থেকে যায়। তার দাবি, কখনও ছাত্রদের দাবি, কখনও ভোটার তালিকা নিয়ে প্রতিবাদ, কখনও বিরোধী দলগুলির আন্দোলন, প্রতিটি ক্ষেত্রকে আলাদা করে সামলানোর ফলে প্রতিবাদীদের মধ্যে সমন্বয় দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিকেই ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ বলে ব্যাখ্যা করছেন তিনি। তার মতে, যন্তর মন্তর শুধু একটি নির্দিষ্ট প্রতিবাদস্থল নয়,সেখানে প্রতিবাদের সুযোগ বন্ধ করা হলে তার প্রভাব পড়বে নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার উপরেও।
যন্তর মন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করে আটক হওয়া সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা ও অন্য কর্মীদের ঘটনাও এই বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে। আটক ব্যক্তিদের ফোন ব্যবহার করতে না দেওয়া এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে সিজেপি।
দীপকের বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্য এখানেই,বিরোধীদের আন্দোলনকে পৃথক পৃথক ইস্যুতে ভাগ করে দেখলে সরকারের উপর সম্মিলিত চাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। তাই তার আহ্বান, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও গণতান্ত্রিক অধিকার ও প্রতিবাদের প্রশ্নে বিরোধীদের মধ্যে সমন্বয় থাকা জরুরি



