Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় মানুষের পাশে তাসলিমা
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ভারত

দিল্লির বুকে বিরোধীদের শক্তিপ্রদর্শন

'বিজেপি হটাও, দেশ বাঁচাও' স্লোগানে উত্তাল দিল্লির রামলীলা

  • দিল্লির বুকে বিরোধীদের শক্তিপ্রদর্শন : মোদি-শাহকে চ্যালেঞ্জ রাহুলদের
ইন্দ্রাণী দাশগুপ্ত , নয়াদিল্লি থেকে
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ২১:৩৩
শেয়ার করুন:
'বিজেপি হটাও, দেশ বাঁচাও' স্লোগানে  উত্তাল দিল্লির রামলীলা

ছবি: রয়টার্স

দুপুরের তীব্র রোদ। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা। হাতে জাতীয় পতাকা, গলায় দলের উত্তরীয়। কেউ এসেছেন বাংলার বিভিন্ন জেলা থেকে, কেউ উত্তরপ্রদেশ, বিহার কিংবা রাজস্থানের। কারও দাবি, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে তার পরিবারের সদস্যের নাম। কারও আশঙ্কা, আগামী নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন তো? এই প্রশ্ন, এই উদ্বেগ আর কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভকে সঙ্গী করেই গতকাল রবিবার দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে জড়ো হলেন বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের কর্মী-সমর্থকেরা। লাখো কন্ঠে তখন একটাই আওয়াজ—বিজেপি হটাও, দেশ বাঁচাও।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে 'ভোট চুরি'র অভিযোগ তুলে বিরোধীদের 'ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও' কর্মসূচি এদিন কার্যত জাতীয় স্তরের রাজনৈতিক শক্তিপ্রদর্শনের মঞ্চ হয়ে উঠল। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে থেকে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব,এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে সকলের নিশানায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলার এসআইআর (ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন) প্রক্রিয়া ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কও এদিন বিরোধীদের বক্তব্যে বিশেষ গুরুত্ব পেল। বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতার দাবি, এদিনের সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন প্রায় দুই থেকে তিন লক্ষ মানুষ। তবে সেই জনসমাগমের পরিমাণ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

সকাল সাতটা থেকেই রাজধানীর কনট প্লেস থেকে রামলীলা ময়দান পর্যন্ত রাস্তা ধরে বাড়তে শুরু করে মানুষের ভিড়। রবিবার ছুটির দিন হলেও দিল্লির মেট্রো স্টেশনগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকেরা রাজধানীতে আসেন। রাজস্থান থেকে শতাধিক বাসে করে মানুষ দিল্লিতে আসার চেষ্টা করলেও জিআরএপি-২ সংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে সেই বাসগুলোকে রাজধানীতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাসভবন থেকে হুডখোলা বাসে চেপে রামলীলা ময়দানের উদ্দেশে রওনা দেন ইন্ডিয়া জোটের শীর্ষ নেতারা। বাসে ছিলেন রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডি রাজা, অখিলেশ যাদব এবং তেজস্বী যাদবের মতো নেতারা। মাত্র দশ মিনিটের রাস্তা অতিক্রম করতে যানজট ও জনতার ভিড়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা সময় লেগে যায়।

দুপুরের তীব্র রোদে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও সমর্থকদের উৎসাহে ভাটা পড়েনি। মঞ্চে পাশাপাশি দেখা যায় সোনিয়া গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সভাস্থলে উড়ছিল জাতীয় কংগ্রেসের তেরঙ্গা পতাকা, বামেদের লাল পতাকা, সমাজবাদী পার্টি ও আরজেডির পতাকা। মঞ্চের পেছনে বড় বড় ব্যানারে লেখা ছিল, 'এসো, দেশ বাঁচাও'। বিভিন্ন রাজ্যে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ ওঠা লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম-সংবলিত একটি দীর্ঘ ব্যানারও মেলে ধরা হয় সভাস্থলে। রাজনৈতিক স্লোগানের পাশাপাশি সভাস্থলে শোনা যায় একাধিক দেশাত্মবোধক গান। 'মেরে দেশ কি ধরতি', 'চক দে ইন্ডিয়া', 'রং দে বসন্তী' এবং 'কর হর ময়দান ফতে'র মতো গানেও মুখরিত হয়ে ওঠে রামলীলা ময়দান।

তবে এদিনের সমাবেশের মূল সুর ছিল ভোটাধিকার রক্ষার দাবি। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে একাধিক নেতা দাবি করেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রভাবমুক্ত রাখা জরুরি। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি বলেন, ফ্যাসিবাদীদের হাত থেকে রাষ্ট্রকে রক্ষা করতে হবে। স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রসঙ্গ টেনে মহাত্মা গান্ধীর সত্যাগ্রহের সঙ্গে বর্তমান শাসনব্যবস্থার তুলনা করেন তিনি। তার বক্তব্য, মহাত্মা গান্ধী সত্যের পথ বেছে নিয়েছিলেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অসত্যের রাজনীতি করছেন।

এর পর বক্তব্য রাখতে উঠে বিহারের বিরোধী নেতা তেজস্বী যাদব বলেন, রামলীলা ময়দান রামলীলার জন্য বিখ্যাত। কিন্তু আজ এখানে ভোট চুরির বিরুদ্ধে মহাভারতের আয়োজন হয়েছে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বক্তব্যে উঠে আসে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা। তার স্পষ্ট ঘোষণা, যত দিন না মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ করছেন, তত দিন আন্দোলন থামবে না। এমনকি তিনি মাটির নীচে লুকিয়ে থাকলেও তাকে খুঁজে বের করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন খাড়্গে। তার অভিযোগ, দেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করলেও বিজেপি ঠিক করে দিচ্ছে কারা ভোটার তালিকায় থাকবেন। বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলোতে সরকার গঠনের ক্ষেত্রেও ভোট চুরির অভিযোগ তোলেন তিনি। তার বক্তব্য চলাকালীন কিছুক্ষণের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করেন। তার দাবি, উত্তরপ্রদেশে ভোটার তালিকা থেকে এক কোটি ২৭ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার খবর সামনে এসেছে। বাংলার নির্বাচন নিয়েও ভোট চুরির অভিযোগ তোলেন তিনি। রামলীলা ময়দানকে এদিনের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে 'গণতন্ত্রের হলদিঘাটির' সঙ্গে তুলনা করেন অখিলেশ।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন নেহা বোরা। বাংলার উদাহরণ দিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ জানান তিনি। বিরোধীদের বক্তব্যে বারবার উঠে আসে বাংলার এসআইআর প্রক্রিয়া। ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে বাংলায় যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা বিরোধীদের জাতীয় স্তরের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে।

এর পর বক্তব্য রাখতে উঠে তীব্র আক্রমণ শানান মমতা । প্রথমেই তিনি ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতি সংহতি জানান। বাংলার পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে বলেন, 'পরিস্থিতির শিকার হয়েছে বাংলা।' তার স্পষ্ট ঘোষণা, 'ওরা আমার বাংলাকে লুট করেছে, আমরা দিল্লিকে ছাড়ব না।'
মমতার কথায়, 'আমরা হারিনি, আমাদের হারানো হয়েছে। ভোট লুট করেছে বিজেপি, দেশের গণতন্ত্রকে হরণ করেছে।' বাংলার রাজনৈতিক লড়াইকে জাতীয় স্তরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ডাক দেন তিনি। 'বিজেপি হটাও, দেশ বাঁচাও' স্লোগানও তোলেন মমতা। সোনিয়া গান্ধীকে 'আমার নেত্রী' বলে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি রাহুল গান্ধীকে তরুণ নেতা বলে অভিহিত করে জানান, তারা লড়াই চালিয়ে যাবেন, কোনও ভাবেই পিছু হটবেন না।

সমাবেশের শেষ পর্বে বক্তব্য রাখতে উঠে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তার বক্তব্য, মোদি, শাহ এবং জ্ঞানেশ কুমারকে যে বার্তা দেওয়ার কথা ছিল, তা সফল হয়েছে। সেই বার্তা ইতিমধ্যেই তাদের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। তার কথায়, এটি কোনও একটি রাজনৈতিক দলের আওয়াজ নয়, দেশের সাধারণ মানুষের সম্মিলিত আওয়াজ। সংবিধানের ঊর্ধ্বে কেউ নন। যিনি যে পদেই থাকুন না কেন, দেশের সংবিধান তার চেয়ে অনেক বড়।

নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে রাহুলের অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই দেশে পরিকল্পিত ভাবে ভোট চুরি চলছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যে ভোটার তালিকা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়ম হয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি দাবি করেন, এনডিএ এবং বিরোধীদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র তিন শতাংশ। অথচ তার পরেই ভোটার তালিকা থেকে প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। রাহুলের অভিযোগ, দেশের নাগরিকদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার এই প্রক্রিয়া কোনও সাধারণ অনিয়ম নয়, মানুষের সাংবিধানিক অধিকারের উপর সরাসরি আঘাত।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও তীব্র করে রাহুল বলেন, তাকে পদত্যাগ করতেই হবে। শুধু পদত্যাগ করলেই হবে না, তাকে জেলেও যেতে হবে বলে দাবি করেন তিনি। তার অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সহযোগিতা ছাড়া নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়া কিংবা অমিত শাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়া সম্ভব হত না। ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষের নাম বাদ দেওয়ার ঘটনাকে তিনি 'রাষ্ট্রদ্রোহিতা' এবং 'বিরলতম অপরাধ' বলে অভিহিত করেন।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পাল্টা জবাবও দেন রাহুল। অমিত শাহের বক্তব্য ছিল, নরেন্দ্র মোদি কোথাও যাচ্ছেন না। তার জবাবে রাহুল বলেন, তাকে কোথাও যেতে দেওয়া হবে না। দেশের মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য প্রথমে জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরিয়ে জেলে পাঠানো হবে। তার পর মোদি এবং শাহের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে ব্যক্তিগত শত্রুতার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও স্পষ্ট করেন রাহুল। তার কথায়, মোদি, শাহ কিংবা জ্ঞানেশ কুমারকে তারা ঘৃণা করেন না। তারা হিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। কিন্তু দেশের আত্মা, গণতন্ত্র এবং সংবিধানের উপর আক্রমণ কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

বৈষম্যমূলক ভারত তারা চান না বলে মন্তব্য করেন রাহুল। তার বক্তব্য, দেশের সম্পদ কোনও দুই-তিনজনের হাতে তুলে দেওয়া যাবে না। দেশের যুবক, শ্রমিক, কৃষক-সহ প্রতিটি মানুষ যেন তাদের পরিশ্রমের যথাযথ মূল্য পান, সেই ভারতই গড়তে চান তারা।
ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশের প্রতিটি মানুষের অধিকার এবং কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দেওয়াই তাদের প্রধান লক্ষ্য বলে জানান রাহুল। ধর্মের থেকেও দেশের প্রতিটি নাগরিকের আওয়াজ তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রামলীলা ময়দানের এই সমাবেশে বিরোধীদের বার্তা স্পষ্ট,ভোটার তালিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাব চাই, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার ব্যাখ্যা চাই। তবে সেই প্রশ্নের উত্তর রাজনৈতিক মঞ্চের বাইরে কতটা প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে পাওয়া যায়, এখন নজর সেদিকেই।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রাহুল গান্ধীদিল্লিরামলীলা ময়দান
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    রাজবাড়ীতে দুই প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    রাজবাড়ীতে দুই প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    আইন সংশোধনে ‘একচ্ছত্র ক্ষমতা’ নিতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড

    আইন সংশোধনে ‘একচ্ছত্র ক্ষমতা’ নিতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড

    কোয়ার্টারের মাঠও অনিরাপদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গাড়ির চাপায় প্রাণ যায় জায়েদের

    কোয়ার্টারের মাঠও অনিরাপদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গাড়ির চাপায় প্রাণ যায় জায়েদের

    কী হচ্ছে জামায়াত-এনসিপিতে? জোটে ভাঙনের সুর, নাকি দর কষাকষির কৌশল?

    কী হচ্ছে জামায়াত-এনসিপিতে? জোটে ভাঙনের সুর, নাকি দর কষাকষির কৌশল?

    ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী

    ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী

    সাহিত্যে ‘সযত্ন ভালোবাসার প্রকৃতিবিজ্ঞান’

    সাহিত্যে ‘সযত্ন ভালোবাসার প্রকৃতিবিজ্ঞান’

    পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোতেই বোর্ডে শীর্ষে রাজশাহী জেলা

    পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোতেই বোর্ডে শীর্ষে রাজশাহী জেলা

    কালীগঞ্জে ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে উদ্ধার দুই মরদেহ

    কালীগঞ্জে ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে উদ্ধার দুই মরদেহ

    তাহসিফের সঙ্গে বারে যাওয়া সেই তরুণী গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

    তাহসিফের সঙ্গে বারে যাওয়া সেই তরুণী গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

    সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন এইচএসসি ফেল শিক্ষার্থীরা

    সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন এইচএসসি ফেল শিক্ষার্থীরা

    শিশুকে বলাৎকারচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার

    শিশুকে বলাৎকারচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার

    দুই ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে

    দুই ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে

    বাগাতিপাড়ায় তিন কলেজে এইচএসসিতে পাস করেনি কেউ

    বাগাতিপাড়ায় তিন কলেজে এইচএসসিতে পাস করেনি কেউ

    কেন আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়লেন রাশেদ খাঁন, অন্যরা কে কী বলছেন

    কেন আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়লেন রাশেদ খাঁন, অন্যরা কে কী বলছেন

    বিএনপির প্রচারসামগ্রীর ‘আকাশযাত্রা’, আসামের ধানক্ষেতে ‘রাজনৈতিক অবতরণ’

    বিএনপির প্রচারসামগ্রীর ‘আকাশযাত্রা’, আসামের ধানক্ষেতে ‘রাজনৈতিক অবতরণ’