ইউরোপে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাল, বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবধান এখন ৫ ঘণ্টা

ছবি: রয়টার্স
ইউরোপের বেশির ভাগ দেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। রবিবার ভোর ৩টায় জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ঘড়ির সময় এক ঘণ্টা পিছিয়ে রাত ২টা করা হয়। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে গ্রীষ্মকালীন সময় বা ‘ডেলাইট সেভিং টাইম’। শুরু হয়েছে শীতকালীন সময়।
এই পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে জার্মানিসহ মধ্য ইউরোপের দেশগুলোর সময়ের ব্যবধান চার ঘণ্টা থেকে বেড়ে পাঁচ ঘণ্টা হয়েছে। এখন বাংলাদেশে রাত ১০টা হলে জার্মানিতে বিকেল ৫টা।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়ম অনুযায়ী, বছরে দুইবার ঘড়ির সময় পরিবর্তন করা হয়। মার্চের শেষ রবিবার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে দেওয়া হয়। আবার অক্টোবরের শেষ রবিবার তা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
গ্রীষ্মকালে দিনের আলো বেশি সময় থাকে। সেই আলো কাজে লাগাতেই ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে সন্ধ্যায় আরও বেশি সময় প্রাকৃতিক আলো পাওয়া যায়। শীত আসার আগে আবার ঘড়ি আগের সময়ে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
জার্মানিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯১৬ সালে প্রথম গ্রীষ্মকালীন সময় চালু করা হয়। দিনের আলো বেশি কাজে লাগানো এবং জ্বালানি সাশ্রয় ছিল এর অন্যতম উদ্দেশ্য। ১৯১৯ সালে ব্যবস্থা বন্ধ করা হলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪০ সালে আবার চালু করা হয়।
পরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর মধ্যে সময় পরিবর্তনের নিয়মে সমন্বয় করা হয়। ১৯৯৬ সাল থেকে মার্চের শেষ রবিবার থেকে অক্টোবরের শেষ রবিবার পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন সময় অনুসরণ করা হচ্ছে।
নতুন সময়ের কারণে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে যোগাযোগ, অনলাইন সভা, ক্লাস ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সময়েও এক ঘণ্টার পরিবর্তন হবে। তবে যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের ব্যবধান পাঁচ ঘণ্টা নয়; এটি মূলত জার্মানি, ফ্রান্সসহ মধ্য ইউরোপীয় সময় অনুসরণকারী দেশগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।




