রাতের সিউলে চালক ছাড়াই ছুটছে বাস

বাসটিতে নেই চালকের আসন ও স্টিয়ারিং হুইল
সিউলে চালু হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম চালকবিহীন নৈশ বাস সেবা। আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ৭টা থেকে ‘চংগেচন এ০১’ নামের এই স্বয়ংক্রিয় বাস সেবা চালু করেছে সিউল মেট্রোপলিটন সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে যাত্রীরা বিনা ভাড়ায় এই বাসে চলাচল করতে পারবেন। ঐতিহাসিক চংগেচন খালসংলগ্ন ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ পথে চলবে বাসটি।
বাসটিতে নেই চালকের আসন ও স্টিয়ারিং হুইল। দুটি স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক শাটল বাস রাত ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত প্রতি ৩০ মিনিট পরপর চলাচল করবে। চংগেচন প্লাজা থেকে শুরু হয়ে ১১টি নির্ধারিত স্টপেজে যাত্রী ওঠানামা করাবে বাসগুলো। এর মাধ্যমে জংনো, উলজিরো ও ঐতিহ্যবাহী গোয়াংজাং মার্কেটের মতো ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা, খাবারের বাজার ও বিনোদনকেন্দ্রগুলোর মধ্যে যাতায়াত সহজ হবে।
গত এক বছর ধরে দিনের বেলায় পরীক্ষা চালানোর পর চালু করা হয়েছে সেবাটি। এর ফলে রাতে কর্মরত কর্মী, কেনাকাটা করতে বের হওয়া মানুষ এবং বিদেশি পর্যটকেরা শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিনোদন ও খাবারের কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সহজে যাতায়াত করতে পারবে।
সিউল নগর সরকারের পরিবহন ব্যুরোর প্রধান ইয়ো জাং-কোয়ান বলছেন, ‘নাগরিকদের নতুন পরিবহন অভিজ্ঞতা দেওয়ার মধ্যেই এই উদ্যোগ সীমাবদ্ধ নয়। এটি চংগেচনের রাতের দৃশ্যের সঙ্গে জংগাক ও উলজিরোর মতো আশপাশের এলাকাগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করছে।’
প্রাথমিক পর্যায়ে বাসে বিনা মূল্যে যাতায়াত করা গেলেও যাত্রীদের ওঠার সময় সাধারণ গণপরিবহনের ট্রানজিট কার্ড ট্যাপ করতে হবে। পরবর্তী সময়ে প্রতি যাত্রার ভাড়া ১ হাজার ৪০০ ওন বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩১ টাকা ঠিক করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। বাসের আগমনের তাৎক্ষণিক তথ্য ও স্টপেজের অবস্থান নেভার ম্যাপ এবং কাকাওম্যাপের মতো দক্ষিণ কোরিয়ার নেভিগেশন প্ল্যাটফর্মেও পাওয়া যাবে।



