ধর্ষকদের যৌনক্ষমতা কমানোর চিকিৎসা বিবেচনা করছে সিঙ্গাপুর

ছবি: রয়টার্স
যৌন অপরাধীদের অপরাধপ্রবণতা কমাতে ‘কেমিক্যাল ক্যাসট্রেশন’ বা রাসায়নিকভাবে যৌন সক্ষমতা কমানোর চিকিৎসা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে সিঙ্গাপুর। তবে এ পদ্ধতি অপরাধ কমাতে কার্যকর, এমন প্রমাণ এখনো ‘চূড়ান্ত নয়’ বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে. শানমুগাম মঙ্গলবার সংসদে লিখিত জবাবে জানিয়েছেন, কার্যকারিতার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে সরকার এ ধরনের চিকিৎসা বিবেচনা করতে প্রস্তুত।
শানমুগাম জানিয়েছেন, শিশু ও তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে এমন আরও পেশায় নিয়োগের আগে প্রার্থীদের যৌন অপরাধসহ অপরাধমূলক রেকর্ড যাচাইয়ের পরিধি বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনা করছে সিঙ্গাপুর সরকার। বর্তমানে যেসব খাতে এ ধরনের বাধ্যতামূলক যাচাই নেই, সেসব ক্ষেত্রে স্বেচ্ছামূলক স্ক্রিনিং চালু করা হবে কি না, সেটিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রতিমন্ত্রী গোহ পেই মিং আলাদাভাবে জানিয়েছেন, বর্তমানে পূর্ণকালীন মসজিদকর্মী, অনুমোদিত ধর্মীয় শিক্ষক, স্কুল ও প্রিস্কুলের কর্মী এবং নিবন্ধিত কোচদের নিয়োগের ক্ষেত্রে এ ধরনের যাচাই করা হয়।
এ ধরনের অপরাধীদের পাঁচ থেকে ২০ বছরের জন্য ন্যূনতম একটি মেয়াদে আটক রাখা হবে। জনসাধারণের জন্য তারা আর হুমকি নন—এমন মূল্যায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের মুক্তি দেওয়া হবে না।
সিঙ্গাপুরে ধর্ষণের অপরাধে সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এর সঙ্গে জরিমানা বা বেত্রাঘাতের শাস্তিও দেওয়া হয়।
সূত্র: ব্লুমবার্গ






