এবার মালিতে সামরিক পদক্ষেপের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

জেএনআইএমকে লক্ষ্য করে সামরিক পদক্ষেপের কথা ভাবছে ট্রাম্প প্রশাসন
মধ্যপ্রাচ্যের পর এবার আফ্রিকায় নজর ট্রাম্পের। মালিতে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী জামায়াত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল মুসলিমিনকে (জেএনআইএম) লক্ষ্য করে সামরিক পদক্ষেপের কথা ভাবছে ট্রাম্প প্রশাসন। সাবেক ও বর্তমান বেশ কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে জানা গেছে এমনই বিস্ফোরক তথ্য।
তবে এই পদক্ষেপের ব্যাপারে শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে মত পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সিনিয়র ডিরেক্টর সেবাস্তিয়ান গোর্কা আবার এই পদক্ষেপের পক্ষে নিয়েছে জোরালো অবস্থান।
প্রতিবেদনের ব্যাপারে শীর্ষ এক কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটিই করেননি। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র উত্তর ও পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোকে ‘সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে’ মার্কিন অস্ত্র কিনতে উৎসাহিত করছে।
মার্কিন ওই কর্মকর্তা সাহেল অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদকে ‘বহুজাতিক সমস্যা’ হিসেবে উল্লেখ করে বললেন, ‘জেএনআইএম ও আইএসআইএস (দায়েশ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে সাহেল রাষ্ট্রগুলোর জোটকে সহায়তা করতে আমরা আঞ্চলিক অংশীদার এবং ন্যাটো মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি আরও বললেন, ‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহেল রাষ্ট্রগুলোর জোট সফল হবে বলে যুক্তরাষ্ট্র আশা করে। তবে মালির অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির দায় রাশিয়ার, কারণ দেশটি মালির জন্য কার্যকর নিরাপত্তা অংশীদার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে পারেনি। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় রাশিয়ার এই দুর্বল পারফরম্যান্স থেকে আফ্রিকার অন্যান্য দেশ শিক্ষা নেবে বলেও আমরা আশা করি।’
এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। অন্যদিকে পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ‘মালিতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানায় যুক্তরাষ্ট্র।’
২০১৮ সালে মালিভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী জেএনআইএমকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।




