নাইজেরিয়ায় মসজিদে বন্দুকধারীদের হামলা
- জুমার নামাজ পড়া অবস্থায় শতাধিক মুসুল্লিকে অপহরণ

অপহৃত মুসুল্লিদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার না করা পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ যৌথ অপারেশন অব্যাহত থাকবে।
জুমার নামাজ পড়া অবস্থায় একটি মসজিদে অতর্কিত হামলা চালিয়ে নারী, শিশু ও বয়স্কসহ শতাধিক মুসুল্লিকে গানপয়েন্টে জিম্মি করে অপহরণ করে নিয়ে গেছে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। এই নজিরবিহীন ও ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায়
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও নাইজেরিয়ার শীর্ষ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, নাইজেরিয়ার নাইজার রাজ্যের বোরগু এলাকার ডেকরা জেলার কেপেনিয়া জুম্মা মসজিদে মুসল্লিরা যখন জুমার নামাজে মগ্ন ছিলেন, তখন বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ও পিকআপে করে একদল মুখাচ্ছাদিত সশস্ত্র বন্দুকধারী সশস্ত্রে মসজিদে চড়াও হয়।
ফাঁকা গুলি চালিয়ে পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে তারা মসজিদের চারপাশ ঘেরাও করে ফেলে। এরপর অন্তত শতাধিক মুসুল্লিকে জিম্মি করে পাশের কাইঞ্জি লেক জাতীয় উদ্যানের গহিন বনাঞ্চলের দিকে গুম করে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার পরপরই নাইজেরিয়ান সশস্ত্র বাহিনী কাইঞ্জি বন অববাহিকা ও ডেকরা জেলায় সাঁড়াশি সামরিক অভিযান শুরু করেছে। যৌথ বাহিনীর তীব্র অভিযানের মুখে এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সেনাসক্তির ধারাবাহিক চাপের ফলে বোকো হারাম ও আইএসডব্লিউএপি-র বহু সন্ত্রাসী কোণঠাসা হয়ে পড়েছে বলে সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে।
নাইজেরিয়ার পুলিশ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, অপহৃত মুসুল্লিদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার না করা পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর এই বিশেষ যৌথ অপারেশন অব্যাহত থাকবে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, দ্য গার্ডিয়ান নাইজেরিয়া ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থা






