Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের উপকারে ছুটে চলেন আলাউদ্দিন
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় আফ্রিকা

ইব্রাহিম ত্রাওরে

জনপ্রিয়তার আড়ালে বাস্তবতা কতটা ভিন্ন?

আলজাজিরা
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৩৮
জনপ্রিয়তার আড়ালে বাস্তবতা কতটা ভিন্ন?

ছবি: রয়টার্স

২০২২ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা ৩৮ বছর বয়সী সেনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ত্রাওরে এখন আফ্রিকার সবচেয়ে পরিচিত নেতাদের একজন। তার সমর্থকরা তাকে জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং বিদেশি প্রভাবের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন।

তবে মহাদেশ জুড়ে তার জনপ্রিয়তা বাড়লেও, তার শাসনামলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর ক্রমবর্ধমান বিধিনিষেধ, দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা-সংকট এবং জাতীয় পুনর্গঠনের বার্তা বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারবে কি না— তা নিয়ে প্রশ্নও বেড়েছে।

এপ্রিল মাসে ত্রাওরে বুরকিনা ফাসোর জনগণকে ‘গণতন্ত্রের কথা ভুলে যেতে’ বলেন। তার যুক্তি ছিল, দেশটি এখন গণতান্ত্রিক নয়; বরং একটি বিপ্লবী পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর কিছুদিন আগে তার সরকার সামরিক নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সময়সীমা বাড়ায় এবং রাজনৈতিক দলগুলো বিলুপ্ত করে। এতে স্পষ্ট হয়, বেসামরিক শাসনে দ্রুত ফিরে যাওয়া আর সরকারের অগ্রাধিকার নয়।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ত্রাওরের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং বুরকিনা ফাসোর ভেতরের বাস্তবতার এই বৈপরীত্যই তার প্রেসিডেন্সির অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

প্রায় এক দশক ধরে সাহেল অঞ্চলের নিরাপত্তা সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বুরকিনা ফাসো। আল-কায়েদা ও আইএসআইএল (আইএস)-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো দেশটির বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেছে এবং একের পর এক সরকারকে চাপে ফেলেছে।

ত্রাওরে এত জনপ্রিয় কেন?

ত্রাওরের জনপ্রিয়তা শুধু বুরকিনা ফাসোতেই সীমাবদ্ধ নয়। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে-বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ, অর্থনৈতিক নির্ভরতা এবং জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন বলে বিবেচিত রাজনৈতিক অভিজাতদের প্রতি যে অসন্তোষ রয়েছে, তিনি সেটিকেই নিজের পক্ষে কাজে লাগিয়েছেন।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ক্ষমতা নেওয়ার পর তিনি ফরাসি সেনাদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করেন, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেন, স্থানীয় শিল্প ও কৃষিকে উৎসাহিত করেন এবং অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতাকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেন। তার সরকার সাহেল অঞ্চলের অন্য সামরিক সরকারগুলোর মতোই পশ্চিমা নিরাপত্তা অংশীদারত্ব থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার নীতি গ্রহণ করেছে।

তার ভাষণে প্রায়ই উঠে আসে সাবেক বিপ্লবী নেতা থমাস সানকারার নাম। ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৭ সালে হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার আগ পর্যন্ত সানকারা বুরকিনা ফাসো শাসন করেন। আজও তিনি আফ্রিকা জুড়ে সাম্রাজ্যবাদবিরোধিতা এবং আত্মনির্ভরতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

ত্রাওরের সমর্থকদের দাবি, তিনি দেশের জাতীয় আত্মমর্যাদা ফিরিয়ে এনেছেন এবং এমন একটি ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন, যার কারণে বুরকিনা ফাসো রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে ছিল।

নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং বিকন কনসালটিং লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা কবির আদামু আলজাজিরাকে বললেন, ‘বুরকিনা ফাসোতে যা ঘটছে, তা হলো বৈধতার ধারণাকে কার্যকারিতা থেকে আলাদা করে ফেলা। ত্রাওরে নিরাপত্তা কাঠামোকে কার্যকারিতার বদলে সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে পুনর্গঠন করেছেন।’

তার মতে, ‘ভলান্টিয়ার্স ফর দ্য ডিফেন্স অব দ্য হোমল্যান্ড’ নামে স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী গঠন, পশ্চিম আফ্রিকার অর্থনৈতিক জোট (ইকোওয়াস) থেকে বুরকিনা ফাসোর বেরিয়ে আসা এবং রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের মতো পদক্ষেপগুলো এমন এক জনগোষ্ঠীর কাছে ইতিবাচকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়েছে, যারা বছরের পর বছর বিদেশি সমর্থনপুষ্ট সামরিক অভিযানের ব্যর্থতায় ক্লান্ত।

ঘানায় কর্মরত বুরকিনা ফাসোর এক কূটনীতিক, যিনি গণমাধ্যমে কথা বলার অনুমতি না থাকায় নাম প্রকাশ করতে চাননি— বলেন, ত্রাওরের জনপ্রিয়তা মূলত এমন একজন নেতার প্রতি মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন, যিনি বিদেশি শক্তির প্রভাবমুক্ত বলে মনে হয়।

তিনি আলজাজিরাকে বললেন, ‘দশকের পর দশক আমি পশ্চিমা নেতাদের বক্তব্য শুনেছি। বহু বছরের মধ্যে ত্রাওরেই প্রথম নেতা, যাকে দেখে মনে হয় না তিনি তাদের লিখে দেওয়া বক্তব্য পড়ছেন।’

তার মতে, ত্রাওরের কিছু সমর্থক পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনাকে এ প্রমাণ হিসেবে দেখেন যে, বুরকিনা ফাসো স্বাধীন পথ অনুসরণের চেষ্টা করে প্রচলিত আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।

ত্রাওরের সরকারের অধীনে কী পরিবর্তন এসেছে?

ত্রাওরে তার সার্বভৌমত্বের বার্তাকে বাস্তব নীতিতে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তার সরকার স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো, কৌশলগত খাতে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা এবং বিদেশি অংশীদারদের ওপর নির্ভরতা কমানোর নীতি গ্রহণ করেছে।

সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, বুরকিনা ফাসো কৃষি খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। বিশেষ করে ধান ও ভুট্টার মতো প্রধান খাদ্যশস্য উৎপাদনে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাত শিল্পকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সরকার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পও এগিয়ে নিচ্ছে এবং কৌশলগত অর্থনৈতিক খাতে রাষ্ট্রের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

সমর্থকদের মতে, এসব উদ্যোগ বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার ভিত্তি তৈরি করছে। পাশাপাশি দেশের সম্পদ বিদেশি স্বার্থের পরিবর্তে জাতীয় উন্নয়নে ব্যবহার নিশ্চিত করছে।

সরকার ‘ভলান্টিয়ার্স ফর দ্য ডিফেন্স অব দ্য হোমল্যান্ড’ কর্মসূচিও সম্প্রসারণ করেছে। এটি সরকার-সমর্থিত একটি বেসামরিক বাহিনী, যা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা দুর্বল এমন এলাকাগুলোতে সেনাবাহিনীকে সহায়তা করে।

নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে কি?

এটিই ত্রাওরের প্রেসিডেন্সির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

বহু বছর ধরে চলা নিরাপত্তা সংকটের অবসানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি ক্ষমতায় আসেন। তার আগের সরকারগুলো প্রতিবেশী মালিতে অস্থিতিশীলতার পর সাহেল অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া আল-কায়েদা ও আইএসআইএল (আইএস)-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছিল।

২০২২ সালের পর থেকে সেনাবাহিনী দেশ জুড়ে অভিযান জোরদার করেছে এবং একাধিক শহর ও কৌশলগত অবস্থান পুনর্দখলের ঘোষণা দিয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, কয়েকটি এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং আগে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলগুলো আবার রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

ঘানার নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞ এবং বেসরকারি তদন্তকারী মুস্তাফা বাতুরে সাল্লামা আলজাজিরাকে বললেন, ‘ত্রাওরের প্রেসিডেন্সির সফলতা শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত হবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে কি না, তার ওপর।’

ঘানা-বুরকিনা ফাসো সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় কর্মরত সাল্লামা বলেছেন, আল-কায়েদার সাহেল শাখা জামাআত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) এবং আইএসআইএলের পশ্চিম আফ্রিকা শাখা (আইএসডব্লিউএপি)-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হুমকি এখনো গুরুতর। লাখো মানুষের মানবিক সহায়তা প্রয়োজন, ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত এবং সরকারের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করার সুযোগও সীমিত।

তিনি আরও বলেছেন, সীমান্তপারের হুমকি মোকাবিলা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সহিংসতা যাতে অন্য এলাকায় ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য বুরকিনা ফাসো ও ঘানার মধ্যে গোয়েন্দা সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

সরকার উন্নতির দাবি করলেও বুরকিনা ফাসো এখনো সশস্ত্র সহিংসতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি। বিভিন্ন অঞ্চলে হামলা অব্যাহত রয়েছে। নিয়মিত বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছেন। মানবিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এখনো লাখো মানুষের জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।

২০ লাখের বেশি মানুষ এখনো বাস্তুচ্যুত। ক্ষতিগ্রস্ত অনেক এলাকায় পৌঁছানোও কঠিন। পাশাপাশি সাংবাদিক, গবেষক ও মানবিক সংস্থাগুলোর প্রবেশাধিকার কমে যাওয়ায় সেনাবাহিনীর দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করাও ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়েছে।

রাজনৈতিক স্বাধীনতার অবস্থা কী?


ত্রাওরের সরকার ধীরে ধীরে শুধু সামরিক অন্তর্বর্তী প্রশাসনের সীমায় না থেকে আরও বিস্তৃতভাবে ক্ষমতা নিজেদের হাতে কেন্দ্রীভূত করেছে।

জানুয়ারিতে কর্তৃপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো বিলুপ্ত করে এবং সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিত ঘোষণা করে। তাদের যুক্তি ছিল, জাতীয় সংকটের সময়ে এসব কার্যক্রম বিভক্তি তৈরি করছে। এর আগে সামরিক নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সময়ও বাড়ানো হয়েছিল, ফলে নির্বাচনভিত্তিক রাজনীতিতে ফেরার প্রক্রিয়া কার্যত আরও পিছিয়ে যায়।

রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ কেবল রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। গত মাসে ত্রাওরে প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন, ধর্মীয় উগ্রবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মুসলিম আলেমদের বিরুদ্ধে ‘লড়াই শুরু হয়েছে’। নতুন ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন কার্যকর এবং কয়েকজন প্রভাবশালী সুন্নি আলেমকে গ্রেপ্তারের পর তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ ঘটনাটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল, কারণ এর আগে অনেক মুসলিম নেতাকেই ত্রাওরের সমর্থক হিসেবে দেখা হতো। সমালোচকদের আশঙ্কা, এসব পদক্ষেপ ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে দুর্বল করতে পারে। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা সংকটের সময় এ ধরনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোও রাজনৈতিক দল, সাংবাদিক এবং নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোর ওপর আরোপিত বিভিন্ন বিধিনিষেধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

বাস্তবতা কি ত্রাওরের জনপ্রিয়তার সঙ্গে মিলছে?

ত্রাওরের উত্থান একটি শক্তিশালী বার্তার ওপর দাঁড়িয়ে—বুরকিনা ফাসোর নিরাপত্তা, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপর দেশটির নিজেরই আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত।

অনেক সমর্থকের কাছে তিনি এমন এক প্রজন্মের আফ্রিকান নেতার প্রতীক, যারা সাবেক ঔপনিবেশিক শক্তিগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানাতে, পশ্চিমা নিরাপত্তা কাঠামো প্রত্যাখ্যান করতে এবং জাতীয় সম্পদের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে প্রস্তুত। বিদেশি হস্তক্ষেপ নিয়ে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের এ অঞ্চলে তার এই বার্তা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

তবে তার জনপ্রিয়তার শক্তি এখন নতুন এক পরীক্ষার মুখে—প্রতীকী সাফল্য কি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারবে?

যদি বিচার করা হয় সার্বভৌমত্ব, রাজনৈতিক বার্তা এবং সমর্থকদের অনুপ্রাণিত করার সক্ষমতা দিয়ে, তাহলে খুব অল্প সময়েই ত্রাওরে উল্লেখযোগ্য প্রভাব তৈরি করেছেন এবং আফ্রিকার সবচেয়ে পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের একজন হয়ে উঠেছেন।

কিন্তু যদি মূল্যায়নের ভিত্তি হয় নিরাপত্তা, মানবিক পরিস্থিতি এবং বুরকিনা ফাসোর রাজনৈতিক স্বাধীনতা, তাহলে চিত্রটি অনেক বেশি জটিল। সশস্ত্র সহিংসতা এখনও চলছে, বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা কমেনি এবং সামরিক শাসন আদৌ দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা আনতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়ে গেছে।

ত্রাওরে সার্বভৌমত্বকে শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তায় পরিণত করতে সফল হয়েছেন। এখন প্রশ্ন হলো, সেই বার্তা কি বুরকিনা ফাসোর মানুষ যে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করে, তা নিশ্চিত করতে পারবে?

নিরাপত্তাজনিত কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওয়াগাদুগুর এক যুবনেতা আলজাজিরাকে বললেন, ‘আমরা গর্বিত যে আমাদের একজন নেতা আছেন, যিনি পশ্চিমাদের সামনে মাথা নত করেন না এবং আমাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেন। সেই গর্ব বাস্তব।’

তবে তিনি বললেন, ‘শুধু গর্ব দিয়ে একটি পরিবারের খাবার জোটে না, একটি গ্রামও নিরাপদ থাকে না। আমরা চাই ক্যাপ্টেন ত্রাওরে শক্তির প্রতীক হোন, কিন্তু একই সঙ্গে তিনি যেন এই দেশেই নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারেরও প্রতীক হয়ে ওঠেন।’

ইব্রাহিম ত্রাওরেবুরকিনা ফাসো
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নাগরিক নন যেসব তারকা

    বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নাগরিক নন যেসব তারকা

    তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা

    তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা

    যে রাতে নাটক দেখার আনন্দ পরিণত হয়েছিল বিষাদে

    যে রাতে নাটক দেখার আনন্দ পরিণত হয়েছিল বিষাদে

    অনৈতিক কর্মকাণ্ড : সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    অনৈতিক কর্মকাণ্ড : সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি

    এআই ভিডিও প্রসঙ্গে যা বললেন মেহজাবীন

    এআই ভিডিও প্রসঙ্গে যা বললেন মেহজাবীন

    ১২ মাসে মবের হাতে নিভেছে ২৪৯ প্রাণ

    ১২ মাসে মবের হাতে নিভেছে ২৪৯ প্রাণ

    মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ

    মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ

    মৃত স্ত্রীর জন্মদিনে জাহের আলভীর পোস্ট, ‘পারলে মাফ করে দিও’

    মৃত স্ত্রীর জন্মদিনে জাহের আলভীর পোস্ট, ‘পারলে মাফ করে দিও’

    হাসপাতাল থেকে আবার সার্কিট হাউজে ফিরলেন চুয়েট উপাচার্য

    হাসপাতাল থেকে আবার সার্কিট হাউজে ফিরলেন চুয়েট উপাচার্য

    রবীন্দ্রনাথের ‘আমার সোনার বাংলা’ মুসলমানদের বিরুদ্ধে, দাবি হেফাজত নেতার

    রবীন্দ্রনাথের ‘আমার সোনার বাংলা’ মুসলমানদের বিরুদ্ধে, দাবি হেফাজত নেতার

    আগে সংস্কার, তারপর ঋণ, বার্তা আইএমএফের

    আগে সংস্কার, তারপর ঋণ, বার্তা আইএমএফের

    ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা ১১০ মেগাওয়াটে নিতে চায় মেঘনা গ্রুপ

    ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা ১১০ মেগাওয়াটে নিতে চায় মেঘনা গ্রুপ

    আইন নিজের হাতে তুলে নিলেন বিদেশি নাগরিক!

    আইন নিজের হাতে তুলে নিলেন বিদেশি নাগরিক!