Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় প্রাণী থেকে মানুষ, সবার পাশেই বাচ্চু
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

জাতিসংঘ অধিবেশনে ব্রাজিল সবসময় প্রথমে ভাষণ দেয় কেন?

আগামীর সময় ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৩৮
জাতিসংঘ অধিবেশনে ব্রাজিল সবসময় প্রথমে ভাষণ দেয় কেন?

২২ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের প্রথম দিনে ভাষণ দেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা ডি সিলভা— রয়টার্স

নিউ ইয়র্কে চলছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১ তম অধিবেশন। এতে অংশ নিতে জড়ো হয়েছেন বিশ্বনেতারা। অধিবেশন চলবে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর এবারের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন অন্তত ১৩০ জন রাষ্ট্রপ্রধান।

২২ সেপ্টেম্বর অধিবেশনের প্রথম দিনে স্বাগত ভাষণ দেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরেস। এর পর বক্তব্য দেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান। তবে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রথম বক্তব্য দেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা ডি সিলভা।

এবারেই প্রথম নয়, প্রতি বছরই অধিবেশনে প্রথম ভাষণ দেয় ব্রাজিল। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আয়োজক দেশ হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সবসময় দ্বিতীয় দেশ হিসেবে বক্তব্য দেয়।

ব্রাজিল কেন প্রথম?

১৯৫৫ সাল থেকে ব্রাজিল সাধারণ বিতর্কের উদ্বোধন করে আসছে। তবে ১৯৮৩ ও ১৯৮৪ সালে এর ব্যতিক্রম হয়েছিল।

এর একটি ব্যাখ্যা হলো, তখন প্রথম বক্তা হতে অনেক দেশই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করত না। ব্রাজিলই একমাত্র দেশ ছিল, যারা সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু করার জন্য স্বেচ্ছায় এগিয়ে এসেছিল।

জাতিসংঘের প্রটোকলবিষয়ক প্রধান ডেসমন্ড পার্কার ২০১০ সালে এনপিআরকে বলেছিলেন, ‘শুরুর দিকে যখন কেউ প্রথমে বক্তব্য দিতে চাইত না, তখন ব্রাজিল সবসময় প্রথমে বক্তব্য দেওয়ার প্রস্তাব দিত। এভাবেই সাধারণ পরিষদে প্রথমে বক্তব্য দেওয়ার অধিকার তারা অর্জন করে।’

আরও পড়ুন

কিউবার ‘পতন’ থেকে ইরান ‘ধ্বংসের’ হুমকি, জাতিসংঘে আর কী বললেন ট্রাম্প

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আরেকটি ব্যাখ্যা হলো, ব্রাজিলের কূটনীতিক অসভালদো আরানহা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বিশেষ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার সময় এই রীতির শুরু হয়। পরে তিনি সাধারণ পরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সভাপতিও নির্বাচিত হন।

বক্তাদের ক্রম কীভাবে নির্ধারিত হয়?

প্রথম দেখায় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কোন দেশ কখন বক্তব্য দেবে, সেই ক্রম কিছুটা এলোমেলো মনে হতে পারে। এটি বর্ণানুক্রমিক নয়। অঞ্চলভিত্তিকও নয়। আর যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় হলেও এই ক্রম আসলে ভূরাজনৈতিক ক্ষমতার কোনো নির্দিষ্ট মাপকাঠির ভিত্তিতেও সাজানো নয়।

ভাষণের তালিকায় রাষ্ট্রগুলোর মধে সব সময় প্রথমে থাকে ব্রাজিল। এর পরই যুক্তরাষ্ট্রব্রাজিল যুক্তরাষ্ট্রের পর বক্তাদের ক্রম নির্ধারণে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কোনো দেশ কাকে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠাচ্ছে, তারা কোন তারিখে বক্তব্য দেওয়ার আবেদন করেছে এবং তালিকায় ভৌগোলিক ভারসাম্য বজায় রাখা।

পার্কার বলছিলেন, ‘অন্য সবাই যে তারিখে বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ করেছিল, সেই ক্রম অনুসরণ করে। তাই আমরা যদি ১০ মে পর্যন্ত বক্তাদের তালিকা খুলি, তাহলে যারা ১১ মে বক্তব্য দেওয়ার আবেদন করেছে, তারা আগের দিকের একটি সময় পাবে।’

তিনি আরও বললেন, ‘প্রকৃত ক্রম নির্ধারিত হয় পদমর্যাদার ভিত্তিতে। অর্থাৎ প্রথমে রাষ্ট্রপ্রধানেরা বক্তব্য দেন, এরপর সরকারপ্রধানেরা, এরপর ভাইস প্রেসিডেন্ট, যুবরাজ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তারপর অন্যান্য উপমন্ত্রী।’

তথ্যসূত্র: সিএনএন

জাতিসংঘ অধিবেশনব্রাজিলভাষণলুলা ডি সিলভা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: