ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করছে জার্মানি

অ্যারো-৩ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ছবি : সংগৃহীত
দেশজুড়ে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করেছে জার্মানি। এর অংশ হিসেবে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য বাভারিয়াতে ইসরায়েলের তৈরি অ্যারো-৩ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দ্বিতীয় ঘাঁটি স্থাপনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
গত ৩০ জুন জার্মান সামরিক বাহিনী বুন্দেসভেয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেয় বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য জেরুজালেম পোস্ট।
নতুন এই ঘাঁটিটি তৈরি করা হবে বৃহত্তর কাউফবেউরেন এলাকায়। এখানে মূলত স্থাপন করা হবে ইএলএম-২০৮০ গ্রিন পাইন ব্লক সি রাডার। এটি শত্রুপক্ষের ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত এবং তা ট্র্যাক করার প্রধান সেন্সর হিসেবে কাজ করবে।
জার্মানির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুরো দেশকে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় নিয়ে আসতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে অন্য এলাকায় ইন্টারসেপ্টর লঞ্চারসহ আরও কিছু প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ স্থাপনের পরিকল্পনা করছে বার্লিন।
কাউফবেউরেন বিমান ঘাঁটিতে জমি হস্তান্তরের এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে এই নতুন ঘাঁটির ঘোষণা দেওয়া হয়।
হাই-প্রোফাইল এই অনুষ্ঠানে বাভারিয়ারের মুখ্যমন্ত্রী মার্কাস সোডার, জার্মান বিমানবাহিনী লুফটবাফের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হোলগার নিউম্যান এবং দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ফোর্স ডেভেলপমেন্ট প্রধান আলেকজান্ডার গোৎজ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জার্মান বিমানবাহিনী প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিউম্যান এই সিদ্ধান্তকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, পুরো দেশের আকাশসীমা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখতে এবং যেকোনো ধরনের হামলা মোকাবিলায় এই সেন্সরটি অত্যন্ত অপরিহার্য।
এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মোতায়েন ইসরায়েলের সঙ্গে জার্মানির প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও গভীর করেছে। ব্যবস্থাটি মার্কিন অংশীদারদের পাশাপাশি যৌথভাবে তৈরি করেছে ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ।
সূত্র : আল মায়াদিন



