গোলোৎসবে শুরু বার্সেলোনার

জয়ের দুই নায়ক ইয়ামাল ও রাফিনিয়ার গোল উদযাপন
চ্যাম্পিয়নস লিগ বার্সেলোনার জন্য হতাশার এক টুর্নামেন্ট। লা লিগায় যে দাপটটা দেখা যায়, চ্যাম্পিয়নস লিগে সেখানে সঙ্গী হয় ব্যর্থতা। সেই ২০১৫ সালে মেসি-নেইমার-সুয়ারেজ ত্রয়ীতে ট্রফি উঁিচয়ে ধরেছিল স্প্যানিশ জায়ান্টরা। এরপর কেটে গেছে প্রায় এক যুগ। অধরা ট্রফি। ফের শুরু হলো আরেকটি মৌসুম। এবার শুরুটা করল দুর্দান্তভাবে। লা লিগার ছন্দ ধরে রাখল চ্যাম্পিয়নস লিগের নিজেদের প্রথম ম্যাচেই। গতকাল ক্যাম্প ন্যুতে রাফিনিয়া আর লামিন ইয়ামালের নৈপুণ্যে ফেইনুর্দের বিপক্ষে গোলোৎসবে মাতল বার্সা। হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা জিতল ৫-১ গোলে। জোড়া গোল ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফিনিয়ার। জোড়া অ্যাসিস্ট আর এক গোল ইয়ামালের। কারিম আদেয়েমি ও গ্যাব্রিয়েল জেসুস করেন বাকি গোল দুটি। ফেইনুর্দের সেম স্টেইন শোধ দেন এক গোল।
চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত খেলা পাঁচটি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের চারটিতেই প্রতিপক্ষের জালে পাঁচবার বল জালে পাঠিয়েছে বার্সেলোনা।
এর আগের দিন রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগে শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন থিবো কোর্তোয়া। ইন্টার মিলানের সামনে মাইলফলকের ম্যাচে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। ২-১ গোলে জেতা ম্যাচে সাতটি সেভ করে রিয়াল মাদ্রিদের নায়ক বেলজিয়ামের এই কিংবদন্তি। অন্য ম্যাচে আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে পোর্তোকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে হোসে মরিনহোর পুরনো ক্লাব ইন্টার মিলানের মুখোমুখি হয়েছিল রিয়াল। ইন্টারের দুটি ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাজিমাত করেছে রিয়াল। ১৪ মিনিটে ইয়ান বিসেকের নিয়ন্ত্রণ হারানো বল পেয়ে ব্রাহিম দিয়াস বাড়ান কিলিয়ান এমবাপ্পেকে। ফরাসি অধিনায়ক বল জালে জড়িয়ে করেন চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের ৭১তম গোল, যা সর্বকালের যৌথ পঞ্চম সর্বোচ্চ। রাউল গঞ্জালেসের গোলও সমান ৭১টি। ২৩ মিনিটে বেনজামিন পাভার্দের ব্যাকপাস গোলরক্ষক জোসেপ মার্তিনেসের পা থেকে কেড়ে জালে জড়ান ভালভার্দে। এরপর রিয়াল ও ইন্টার নষ্ট করতে থাকে একের পর এক সুযোগ। ৭৭ মিনিটে লাউতারো মার্তিনেসের পাস থেকে কার্লোস অগুস্তো ইন্টারের হয়ে ফেরান এক গোল।
পোর্তোর মাঠে ৪৭ মিনিটে ম্যানসিটিতে নতুন আসা মিডফিল্ডার এনসো ফের্নান্দেসের নিখুঁত ক্রস থেকে দারুণ হেডে দলকে এগিয়ে দেন হলান্ড। যোগ করা সময়ে রায়ান আইত-নৌরির বাড়ানো বলে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এই নরওয়ের স্ট্রাইকার। চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫৯ ম্যাচে ঠিক ৫৯টি গোল হালান্ডের।





