৭ মিনিটে দৌড়াতে হবে ১.৬ কিমি

সংগৃহীত ছবি
জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) খেলোয়াড়দের জন্য ৭ মিনিটে ১.৬ কিলোমিটার দৌড়ের ফিটনেস মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ২২ সেপ্টেম্বর জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটাররা এই ফিটনেস পরীক্ষা দেবেন। এই ফিটনেস দেখেই বিভাগীয় দলের ক্রিকেটার নির্বাচন করা হবে।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৮-১৯ বছর বয়সী উদীয়মান ক্রিকেটারের পাশাপাশি ৩৮-৪০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররাও খেলেন। ফলে শারীরিক সক্ষমতা ও বয়সের পার্থক্য বিবেচনায় না নিয়ে একই সময়ে এক মাইল দৌড়ের মানদণ্ড নির্ধারণ কতটা বৈজ্ঞানিক ও বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
তবে জাতীয় দলের ফিটনেস ট্রেনার হিসেবে কাজ করা ইফতেখার ইসলাম ইফতি জানিয়েছেন, যারা খেলতে চায় তাদের জন্য একই মানদণ্ড থাকা উচিত, ‘নাহিদ রানা তো আর মুশফিকুর রহিমকে বয়স দেখে বল করবে না। সর্বোচ্চটা দিয়েই করবে। এখানে ক্রিকেটারদের তিনটা সুযোগ দেওয়া হবে। ব্যাটারদের জন্য ১.৬ কিলোমিটার শেষ করতে হবে ৭ মিনিট ২০ সেকেন্ডে, বোলারদের জন্য ৭ মিনিট, ফেল করলে ১০ দিন পর দ্বিতীয় সুযোগ, তারপরও ফেল করলে তৃতীয় সুযোগ পাবে। এবারও ফেল করলে আর বিসিবির কোনো টুর্নামেন্টেই খেলতে পারবে না তারা।’
বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বারবারই বলছেন এবার ফিটনেস ইস্যুতে কোনো ছাড় নয়। কারও সুপারিশও গ্রহণ করা হবে না। তাই ৩৫ বছরের ঊর্ধ্বে থাকা ক্রিকেটারদের জন্য দৌড় শেষ করার সময় বাড়ানোর চিন্তা শুরুতে এলেও তা বাতিল করা হয়েছে বলে জানান ইফতি।
পাশাপাশি আগামী তিন বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী তিন বছরের মধ্যে ফিটনেস পরিমাপের মানদণ্ড আরও কমিয়ে আনবে বিসিবি।



