সরকার দিচ্ছে সাড়ে ৪ কোটি টাকা
টাঙ্গাইলের বাবুপুর খেলার মাঠ সম্প্রসারণে পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বাবুপুর গ্রামে সাত শতাধিক পরিবারের বসবাস। জনসংখ্যা সাড়ে তিন হাজারের বেশি হলেও এতদিন সেখানে ছিল না কোনো খেলার মাঠ। ধান কাটার পর ফাঁকা জমিতে শিশু-কিশোররা খেলাধুলা করত। তবে নতুন করে ফসলের আবাদ শুরু হলে বন্ধ হয়ে যেত তাদের খেলা। তাই নিজেরাই চাঁদা তুলে খেলার জমি কিনেছেন গ্রামবাসী।
গ্রামবাসী কিনেছেন ৫৯ শতাংশ জমি আর জমির মালিক দান করেছেন আরও এক শতাংশ। ‘আগামীর সময়’-সহ একাধিক গণমাধ্যমে প্রশংসনীয় এই উদ্যোগের খবর নজরে এসেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। এ নিয়ে আজ (রবিবার) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বললেন, ‘বাবুপুরবাসীর এই অনন্য উদ্যোগের ভিডিও ফুটেজ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। বার্তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভারপ্রাপ্ত সচিবকে টাঙ্গাইলের ডিসি ও দেলদুয়ারের ইউএনওর সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সদিচ্ছা বাস্তবায়ন করতেই মূলত এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে ওই গ্রামবাসীর পাশে থেকে একটি পরিপূর্ণ ও আধুনিক খেলার মাঠ উপহার দেওয়া যায়।’
মাঠের বাকি জমি কিনতে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সংবাদ সম্মেলনে এডিসি জেনারেলের উপস্থাপিত ৪ কোটি ৪১ লাখ টাকার সামগ্রিক বাজেট ও সম্ভাব্যতা যাচাই সাপেক্ষে দ্রুত কাজ শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়।
খেলার মাঠের জন্য জমি কিনতে ৮ সেপ্টেম্বর গ্রামবাসীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় একটি মতবিনিময় সভা । জমি কেনার পক্ষে মত দেন সবাই। এরপর সামর্থ্য অনুযায়ী করেন অর্থ সহায়তা। গ্রামের কেউ ২০০ টাকা, কেউ ৫০০ কেউ ২ হাজার, ৫ হাজার কিংবা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা করেছেন। ইকবাল মাহমুদ, খোরশেদ আলমসহ গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি দেন আরও বেশি টাকা। সেই টাকা তুলে কেনা হয়েছে ৬০ শতাংশ জমি।



