Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের বিপদে ছোটেন খলিল
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় অন্যান্য

যুদ্ধ বদলে দিচ্ছে ক্রীড়াবিশ্বের মানচিত্র

ক্রীড়া ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:৫৩
শেয়ার করুন:
যুদ্ধ বদলে দিচ্ছে ক্রীড়াবিশ্বের মানচিত্র

সংগৃহীত ছবি

ইউক্রেন থেকে মধ্যপ্রাচ্য, কিংবা লোহিত সাগর—আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গন প্রবেশ করেছে এক নতুন যুগে। হামলা, প্রতিযোগিতা বাতিল, লজিস্টিক জটিলতা যেন নিত্যসঙ্গী। সৌদি আরবেও বাতিল ও স্থগিত করতে হয়েছে একাধিক টুর্নামেন্ট। অথচ ২০৩৪ সালে ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে সৌদি আরব।

ইউক্রেন, গাজা, ইরান বা লোহিত সাগরের বর্তমান সংকটের অনেক আগেই ক্রীড়াবিশ্ব বুঝতে পেরেছিল , আন্তর্জাতিক দ্বন্দ্বে নিজেদের সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রাখা সম্ভব নয়। আর যে তারিখটি বড় ধরনের ক্রীড়া ইভেন্টগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থাকে চিরতরে বদলে দিয়েছিল, সেটা ১৯৭২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। সেদিন সকালে মিউনিখ অলিম্পিক চলার সময় ফিলিস্তিনি সংগঠন ‘ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর’-এর আটজন সদস্য অলিম্পিক ভিলেজে হামলা চালায়। নিহত হন ইসরায়েলি দলের ১১ জন অ্যাথলেট ও কোচ আর একজন জার্মান পুলিশ।

অলিম্পিক গেমস তারপরও হয়েছে, কিন্তু কোনো কিছুই আর আগের মতো থাকল না। মিউনিখ অলিম্পিক ঘুরিয়ে দেয় একটি বড় মোড় । অলিম্পিক গেমস, বিশ্বকাপ, ইউরো কিংবা মহাদেশীয় টুর্নামেন্টগুলোকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু করা হয় সহজ কারণে—এগুলো কোটি কোটি মানুষকে আকর্ষণ করে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে কভারেজ পায় আর এগুলোর প্রতীকি মূল্য অনেক বেশি।
তারপর থেকে যে কোনো বড় আন্তর্জাতিক খেলার আসরে গোয়েন্দা পরিকল্পনা, কাউন্টার-টেরোরিজম প্রোটোকল এবং রাজনৈতিক শীর্ষ সম্মেলনের মতো বিশাল মাত্রায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়।


সফট টার্গেট
প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতের পরিভাষায় ‘সফট টার্গেট’ কথাটি বেশ প্রচলিত। তাতে এমন সব অবকাঠামো বা জনবহুল অঞ্চলকে বোঝানো হয়, যেখানে সুরক্ষিত সামরিক বা সরকারি স্থাপনার তুলনায় প্রবেশ সহজ। একটি কানায় কানায় পূর্ণ স্টেডিয়াম, ফ্যান জোন বা অলিম্পিক ভিলেজে এমন কিছু আছে- যা সহিংস গোষ্ঠীগুলো তাদের হামলার প্রভাব সবচেয়ে বেশি করতে ব্যবহার করে।
১৯৭২ সালের সেই ট্র্যাজেডির পর থেকে প্রতিটি বড় প্রতিযোগিতায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। নাইন-ইলেভেন (৯/১১)-এর পর এথেন্স অলিম্পিক, ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিক (যেখানে শহরাঞ্চলে বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছিল), ২০১৮ সালে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ, ২০২২ সালে কাতারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ—প্রতিটি ইভেন্টেই এর ধারাবাহিকতা ছিল আর এখনও আছে।


কয়েক দশক ধরে খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরে একটি বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তবে এখন পরিস্থিতি একেবারে উল্টো। ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ, গাজার যুদ্ধ, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি অবস্থান, ইয়েমেন থেকে হুথিদের হামলা, লোহিত সাগরে উত্তেজনা এবং বিশ্বশক্তিগুলোর মধ্যে ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা খেলাধুলাকে একবারে সামনের সারিতে এনে দাঁড় করিয়েছে। ইতিহাসে এর আগে কখনও এতগুলো দ্বন্দ্ব বা সংঘাত একসঙ্গে ঘটেনি, যা একই সঙ্গে টুর্নামেন্ট, অ্যাথলেট, স্পন্সর, সম্প্রচার স্বত্ব, আন্তর্জাতিক যাতায়াত এবং বড় ইভেন্টগুলোকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে।

খেলাধুলার ওপর যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব কতখানি ধ্বংসাত্মক হতে পারে, ইউক্রেন তার স্পষ্ট উদাহরণ। খুব কম দেশেই এমন করুণ চিত্র দেখা গেছে। অলিম্পিক সোনাজয়ী ইয়ারোস্লাভা মাহুচিক এমন এক সময়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন যখন তার জন্মশহরে হামলা চলছিল। বিশ্ব হেভিওয়েট বক্সিং চ্যাম্পিয়ন ওলেকসান্দর উসিক রিংয়ে ফেরার আগে ইউক্রেনের আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা বাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভিটালি ক্লিচকো এখন কিয়েভের মেয়র। তাদের পাশাপাশি শত শত ইউক্রেনীয় অ্যাথলেট ট্র্যাক, জিম ও স্টেডিয়াম ছেড়ে সামরিক পোশাকে করছেন যুদ্ধ।

তাদের অনেকে আর ফিরে আসেননি। ইউক্রেনের যুদ্ধ কেবল খেলার ক্যালেন্ডারই ওলটপালট করেনি; এটি ক্রীড়াবিদদের সৈন্যতে রূপান্তরিত করেছে, চ্যাম্পিয়নদের রাজনৈতিক নেতায় পরিণত করেছে আর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলোকে এক একটি জাতীয় স্বার্থ উদযাপনের প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেছে।


স্টেডিয়াম থেকে ভূ-রাজনীতিতে
বহু বছর ধরে ক্রীড়াঙ্গন একটি নিরপেক্ষ ক্ষেত্র হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করে এসেছিল। তবে এখন আন্তর্জাতিক ঘটনার প্রভাব থেকে কোনো চ্যাম্পিয়নশিপ, ক্লাব কিংবা বড় প্রতিযোগিতা মুক্ত নয়। যুদ্ধ এখন আর কেবল সংবাদ কিংবা কূটনৈতিক প্রতিবেদনেই সীমাবদ্ধ নেই; এগুলো জায়গা করে নিয়েছে খেলার ক্যালেন্ডারে, দলের ফ্লাইট বুকিংয়ে, আয়োজকদের বিমা নীতিতে এবং বড় বড় স্পোর্টিং ফেডারেশনের সিদ্ধান্তে।

রাশিয়াকে বহু আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, সেন্ট পিটার্সবার্গে নির্ধারিত চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি জায়ান্ট গাজপ্রমের সঙ্গে জড়িত বড় বড় স্পন্সরশিপ উধাও হয়ে গেছে। ইউরোপ জুড়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, চুক্তি এবং সময়সূচি বদলে দিয়েছে। আর ইউরোপ যখন ইউক্রেনের দিকে তাকিয়ে ছিল, ঠিক তখনই সমান্তরালভাবে আরেকটি ঘটনার উদয় হচ্ছিল। বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের অর্থনৈতিক কেন্দ্রটি মধ্যপ্রাচ্যের দিকে স্থানান্তরিত হতে শুরু করেছিল।

মধ্যপ্রাচ্য, ক্রীড়াবিশ্বের নতুন শক্তির কেন্দ্র
সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত গত এক দশকে বড় বড় ক্রীড়া ইভেন্টে শত শত কোটি ইউরো বিনিয়োগ করেছে। এর উদ্দেশ্য শুধু বিনোদনে সীমাবদ্ধ নয়। এটি তাদের নিজস্ব বড় জাতীয় রূপান্তর পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত একটি অর্থনৈতিক, পর্যটন ও কূটনৈতিক কৌশল। সৌদি আরবের ক্ষেত্রে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বাধীন ‘ভিশন ২০৩০’-এর অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হলো খেলাধুলা।
ফর্মুলা ওয়ান, মোটোজিপি, গলফ, বক্সিং, টেনিস, ই-স্পোর্টস, ফুটবল এবং ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপ—এ সবই রাজত্বটিকে একটি বৈশ্বিক ক্রীড়া শক্তিতে রূপান্তর করার প্রচেষ্টার অংশ। অথচ, এই অঞ্চলটিই বর্তমানে পৃথিবীর অন্যতম সংবেদনশীল দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।


দৈনন্দিন জীবন ও নিরাপত্তাজনিত অনিশ্চয়তা
মানচিত্রের দিকে তাকালে যুদ্ধকে অনেক দূরের বিষয় মনে হতে পারে। তবে তা খুব কাছে চলে আসে যখন হাজার মাইল দূরে থাকা আপনার একটি সাধারণ রুটিনকে তা ওলটপালট করে দেয়। সৌদি আরবের আল আরাবি এসসি-র স্প্যানিশ কোচ পাবলো গ্রান্দেস নিজের চোখে দেখেছেন কীভাবে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা মধ্যপ্রাচ্যের ফুটবল এবং দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করতে শুরু করেছে। কোনো সংঘাতের মুখোমুখি না হয়ে ইরাকে টানা তিনটি মৌসুম কাটানোর পর, তিনি স্বীকার করেছেন যে গত কয়েকটি মাস একেবারে আলাদা ছিল।

ইরান ও ইসরায়েলের উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং ইয়েমেন-সৌদির দ্বন্দ্বের পর প্রধান দুশ্চিন্তা মাঠের খেলা নিয়ে ছিল না। বরং ছিল মাঠের বাইরের পরিস্থিতি নিয়ে। ফ্লাইট বাতিল, শেষ মুহূর্তে যাতায়াত পরিকল্পনা পরিবর্তন, ম্যাচ স্থগিত হওয়া এবং আকাশসীমা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ক্লাব ও অ্যাথলেটদের রুটিনের অংশই হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পাবলো গ্রান্দেস বলেছেন: ‘একবার বাধ্য হয়ে ফ্লাইট বাতিল করে বাসে চড়ে পুরো পথ পাড়ি দিয়েছিল আমার দল। এখন দুশ্চিন্তা আরও বেড়েছে। সবাই এমন একটি সংকটের দিকে নজর রাখছে—যা দূরবর্তী মনে হলেও খেলার ওপর সমানভাবে প্রভাব ফেলছে। স্পেন থেকে সবসময় আমার খোঁজ নিচ্ছেন পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা। এটা উদ্বেগের।’

অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও বাস্তব চিত্র
রিয়াদ থেকে প্রায় এক ঘণ্টার দূরত্বে একটি শহরে দলের সঙ্গে থাকার সময় গত সপ্তাহে গ্রান্দেসের মোবাইল ফোনে একটি বিশেষ নিরাপত্তা সতর্কতা বার্তা আসে। এতে ড্রোন হামলা বা ওই এলাকায় সম্ভাব্য আক্রমণের বিপদ নিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।
সতর্কবার্তা আসার আগে তিনি নিজের ফোন সঙ্গে না নিয়েই হোটেলের বাগানে নিশ্চিন্তে হাঁটছিলেন। ফিরে আসার পর তিনি ফোনের নোটিফিকেশন দেখেন এবং বুঝতে পারেন যে কর্তৃপক্ষ আগে থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কয়েক মিনিট পর দ্বিতীয় একটি বার্তা আসে, যেখানে জানানো হয় যে ঝুঁকি কেটে গেছে। এ নিয়ে রসিকতা করেই বললেন,‘আমি তো কোনো কিছু না জেনেই নিশ্চিন্তে হেঁটে বেড়াচ্ছিলাম।’ শেষ পর্যন্ত খারাপ কিছু না ঘটলেও এটা বিশ্বের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে কাজ করার জটিলতাকে ফুটিয়ে তোলে।

এমন পরিস্থিতিতে অনিশ্চিত এশিয়ান কাপ ফুটবলও। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) আগামী বছর প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করতে সম্ভাব্য বিকল্প নিয়ে পর্যালোচনা করছে। বিকল্পগুলোর একটি হলো টুর্নামেন্টটি এক বছর পিছিয়ে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে নিয়ে যাওয়া। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মতো এশীয় ফুটবলের প্রভাবশালী কিছু ফেডারেশনের নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কারণেই টুর্নামেন্টটি পিছিয়ে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের বিশেষজ্ঞ অভিজ্ঞদের কথা বললে হুয়ান কার্লোস গার্রিদোর নাম সবার আগে আসে। গুজবে কান না দিয়ে তিনি এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গির কথা জোর দিয়ে বলেন, যা আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে বছরের পর বছর কাজ করার অভিজ্ঞতায় তিনি বারবার দেখেছেন। মাঠের আসল চিত্র সংবাদপত্রের সংবেদনশীল শিরোনামের চেয়ে অনেক বেশি স্বাভাবিক হয়। গার্রিদো মিসর, আলজেরিয়া, মরক্কো, তিউনিসিয়া, ইরান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বেলজিয়াম এবং লিবিয়ায় ডাগআউটে কোচিং করিয়েছেন।

প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে তিনি জানান, তার ঘুরে আসা অনেক দেশেই পরিস্থিতি বিদেশ থেকে পাওয়া খবরের চিত্রের চেয়ে আলাদা ছিল। এএস-কে তিনি বলেন, ‘অনেক সময় নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের বিপদকে বাড়িয়ে বলা হয়, কিন্তু বাস্তবে রূপটা একদমই অন্যরকম থাকে।’ এই অভিজ্ঞতাগুলো তাকে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে- নিরাপত্তার পরামর্শ মেনে চলা এবং দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা জরুরি। আর কেবল শিরোনাম দেখে বিচার না করে বাস্তব পরিবেশকে বোঝাটাও সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

২০৩৪ সালের অলক্ষ্যে নতুন শঙ্কা
সৌদি আরব ২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজক হতে যাচ্ছে, যা তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ক্রীড়া উৎসব। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘ভিশন ২০৩০’-এর অধীনে অর্থনীতি ও সামাজিক পরিবর্তনের যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তার মূল স্তম্ভ হলো এই বিশ্বকাপ। এর পেছনে অবকাঠামো, পর্যটন, পরিবহন ও ক্রীড়া খাতে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে।

তবে বিষয়টি কেবল আধুনিক স্টেডিয়াম তৈরি কিংবা স্পোর্টস সিটি বানানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; কিংবা বিশ্বের তারকা খেলোয়াড়দের উড়িয়ে নিয়ে আসার মধ্যেও আটকে নেই। আসল প্রশ্নটি অনেক বিস্তৃত: আগামী এক দশকে মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে এবং আঞ্চলিক এই অস্থিতিশীলতা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া উৎসবকে কতটুকু প্রভাবিত করবে?

কারণ হুয়ান কার্লোস গার্রিদো, পেপে লোসাদা কিংবা পাবলো গ্রান্দেসের মতো অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বদের গল্প যদি আমাদের কিছু শিখিয়ে থাকে, তা হলো—যুদ্ধ এখন আর খেলাধুলার জন্য দূরের কোনো গল্প বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দপ্তর, কূটনৈতিক ভবন কিংবা সামরিক সদর দপ্তরের সিদ্ধান্তগুলো শেষ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুম, বিমানবন্দর, টিমের হোটেল এবং খেলার মাঠে এসে আঘাত করে। এই নতুন যুগের মূল শিক্ষা হয়তো এটাই-খেলাধুলা এখনও সর্বজনীন এক ভাষা হতে পারে, কিন্তু তা আর ক্রমবর্ধমান অশান্ত এই বৈশ্বিক বাস্তবতা থেকে মুখ লুকিয়ে রাখতে পারে না।


ইরানযুক্তরাষ্ট্রসৌদি আরব
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ‘আই অ্যাম অ্যাট গান পয়েন্ট’- বলেছিলেন তাহসিফ

    ‘আই অ্যাম অ্যাট গান পয়েন্ট’- বলেছিলেন তাহসিফ

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    ‘তিনটি গুলির আওয়াজ শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি বাবা মাটিতে পড়ে আছেন’

    ‘তিনটি গুলির আওয়াজ শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি বাবা মাটিতে পড়ে আছেন’

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    সুন্দরবন এখনো আমাদের শেষ ভরসা

    সুন্দরবন এখনো আমাদের শেষ ভরসা

    নিজ বাসায় আওয়ামী লীগ নেত্রীর লাশ, হদিস মিলছে না দুই মোবাইলের

    নিজ বাসায় আওয়ামী লীগ নেত্রীর লাশ, হদিস মিলছে না দুই মোবাইলের

    পারিবারিক লেনদেন কি করযোগ্য আয়?

    পারিবারিক লেনদেন কি করযোগ্য আয়?

    পাঠ্যবইয়ে নৌকা-দাঁড়িপাল্লা খুঁজতে বিশেষ কমিটি!

    পাঠ্যবইয়ে নৌকা-দাঁড়িপাল্লা খুঁজতে বিশেষ কমিটি!

    হত্যা করা হয়েছে তাহসিফকে, সন্দেহ বাবার

    হত্যা করা হয়েছে তাহসিফকে, সন্দেহ বাবার

    শেখ হাসিনার পালানোর ভিডিও নিয়ে যা বলেছিলেন তাহসিফ

    শেখ হাসিনার পালানোর ভিডিও নিয়ে যা বলেছিলেন তাহসিফ

    ‘আপনারা বিতর্ক তৈরি করতে এসেছেন’

    ‘আপনারা বিতর্ক তৈরি করতে এসেছেন’

    ‘রইদ’ এর বদলে জয় চৌধুরীর সিনেমা অস্কারে পাঠানো উচিত, বললেন ইয়াশ

    ‘রইদ’ এর বদলে জয় চৌধুরীর সিনেমা অস্কারে পাঠানো উচিত, বললেন ইয়াশ