খেলায় সম্প্রীতি-১
ফুটবলে বেড়েছে বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের সম্পর্কের গভীরতা
- আগস্টে পূর্ণ হলো রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢল নামার ৯ বছর। নানা অপরাধে জড়িয়ে রোহিঙ্গারা হুমকি হয়ে উঠেছে স্থানীয় জনগণের জন্য। তবে খেলাধুলার মাধ্যমে সম্প্রীতি বাড়ছে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশিদের। এ নিয়ে চার পর্বের ধারাবাহিকের প্রথম পর্ব আজ। কক্সবাজার ঘুরে এসে লিখেছেন রাহেনুর ইসলাম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভ্রাম্যমাণ খেলার গাড়ি। ছবি: আগামীর সময়
উখিয়ার বালুখালী ১৯ নম্বর ক্যাম্পের সি ব্লক। তখন বিকাল ৪টা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধুলো উড়িয়ে এলো একটি গাড়ি। বেশিরভাগ সময় তখনই আসে এটা। শব্দ শুনে প্রায় ২০০ শিশু-কিশোর দৌড়ে এসে ঘিরে ধরল ফ্রান্সের ক্লাব পিএসজির জার্সির রঙে রাঙানো গাড়িটি। এর বাইরে একটি প্রজেক্টর, সেখানে দেখানো হচ্ছিল খেলার ভিডিও। ফুটবলের টেকনিক্যাল অনেক কিছুও শেখানো হচ্ছিল সেখানে। গাড়ির পেছনে একটু ওপরে বাস্কেটবলের ব্ল্যাকবোর্ড। তাতে চাইলেই কয়েকজন মিলে খেলা যায় বাস্কেটবল।
গাড়িতে যা আছে
ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে রয়েছে ফুটবল, ভলিবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টনসহ আরও কয়েকটি খেলার সামগ্রী। শিশু-কিশোরদের যার যেটা ইচ্ছে নিয়ে ভোঁ দৌড়। খেলা শেষে ফিরিয়ে দেওয়ার তাড়া আছে যে! এই কিশোরদের একজন আরিফ মৃধা আগামীর সময়কে বলল, ‘২০২২ সাল থেকে গড়িটা আসছে ক্যাম্পে। এটা আসতে দেখলে ঈদের মতো খুশি লাগে। বল, ব্যাট এসব নিয়ে খেলার পর আবার ফেরত দিতে হয়। খুব খুশি আমরা।’
ফ্রান্স থেকে হাজার কিলোমিটার দূরের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মেসি-নেইমার-এমবাপ্পেদের নিয়ে উন্মাদনা রীতিমতো। এই তিন তারকা ক্লাব ছাড়লেও তাদের ছবি আঁকা গাড়িটা নিয়মিতই আসছে ক্যাম্পে। পিএসজি টানা দুই মৌসুম চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতায় তাদের আরও জনপ্রিয়তা বেড়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয়।
২০২১ সালে পিএসজির দাতব্য শাখা এনডাওমেন্ট ফান্ড ও শরণার্থীদের খেলাধুলা নিয়ে কাজ করা নেদারল্যান্ডসের সামাজিক সংস্থা ক্লাবু যৌথ উদ্যোগে ঘোষণা দিয়েছিল এমন কিছুর। সেটাই ২০২২ সালের এপ্রিলে বাস্তবায়িত হয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও মানবাধিকার সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের প্রচেষ্টায়।
তখন নিয়মিতই সেই গাড়িটা আসছে টেকনাফ-উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয়। নতুন উদ্ভাবিত ভ্রাম্যমাণ ক্রীড়া লাইব্রেরিটি সরবরাহ করেছে পিএসজির এনডাওমেন্ট ফান্ড।
এই প্রকল্পে সবাইকে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ক্লাবুর পরিচালক ইয়ান ফন, ‘স্পোর্টস লাইব্রেরি চালু করেছি আমরা। স্থানীয় বাংলাদেশি কোচরা প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন বলে এ দেশের মানুষের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের সম্পর্কের গভীরতা বাড়বে। এই শরণার্থীরা নিয়মিত খেললে তাদের অপরাধপ্রবণতা কমবে, যা স্থানীয়দের জন্য মঙ্গলজনক।’
সেই গাড়ি ঘিরে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস-ছবি : আগামীর সময়
নেই কোনো তহবিল
দাতা সংগঠনের অর্থ সাহায্যেই পরিচালিত হয় রোহিঙ্গা ক্যাম্প। যৌথ সাড়াদান কর্মসূচির (জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান-জেআরপি) আওতায় ২০১৭ থেকে এ পর্যন্ত দেশে আসা প্রতিশ্রুত ও প্রাপ্ত অর্থের হিসাব রাখছে ইন্টার সেক্টর কো-অর্ডিনেশন গ্রুপ (আইএসসিজি)। ২০১৭ সালে প্রতিশ্রুতি ছিল ৪৩৪ মিলিয়ন ডলার, পাওয়া গেছে ৩১৭ মিলিয়ন ডলার। একইভাবে ২০১৮ সালে ৯৫১ মিলিয়নের বিপরীতে ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার, ২০১৯ সালে ৯২০ মিলিয়নের বিপরীতে ৬৯৯ মিলিয়ন ডলার, ২০২০ সালে ১০৫৮ মিলিয়নের বিপরীতে ৬২৯ মিলিয়ন ডলার ও ২০২১ সালে ৯৪৩ মিলিয়নের বিপরীতে পাওয়া গেছে ৬৭৪ মিলিয়ন ডলার। এরপর থেকে ৫০০-৬০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি পাওয়া যায়নি কখনো।
প্রতি বছরই প্রতিশ্রুত অঙ্কের বিপরীতে পাওয়া গেছে কম অর্থ। এই অর্থে আবার রোহিঙ্গাদের খেলার জন্য আলাদা কোনো বরাদ্দ নেই। এ নিয়ে আইএসসিজির কর্তারা হতাশ। তবে পিএসজি, ক্লাবু, ইউএনএইচসিআর ও ফ্রেন্ডশিপের প্রচেষ্টায় ভ্রাম্যমাণ গাড়িটি ভালো সাড়া ফেলেছে। এ নিয়ে অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (উপসচিব) মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা বলেছেন, ‘খেলার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের অপরাধপ্রবণতা কমানোর উদ্যোগটি প্রশংসনীয়। তবে এজন্য কোনো তহবিল নেই। আমাদের কাছে একটি মানবাধিকার সংস্থা অনুমতি চাইতে এসেছিল তারকা ফুটবলারদের আনার। মেসি, নেইমার, এমবাপ্পেসহ আরও অনেকের নাম ছিল। তাদের আনা গেলে বড় তহবিলও আসতে পারে। তবে এই অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার আমাদের নেই। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করতে বলেছি। এরপর আর যোগাযোগ করেনি তারা।’
ভ্রাম্যমাণ গাড়ির সেবা পাচ্ছে ১৬০০ রোহিঙ্গা
ভ্রাম্যমাণ গাড়িটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশিক্ষক মোহাম্মদ সায়েম মিয়া। ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই ফুটবলার কোচিংয়ে করেছেন সি লাইসেন্স। ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে করে রোহিঙ্গাদের মধ্যে খেলার বিস্তারে তিনি বললেন, ‘করোনার সময় বদ্ধ একটা পরিবেশে থেকে প্রায় পাগল হয়ে গিয়েছিলাম আমরা। অথচ রোহিঙ্গারা কয়েক বছর ধরে একটা জায়গায় বসবাস করছে। খেলার মাধ্যমে ওদের বিনোদনের ব্যবস্থা করাটা যথেষ্ট ইতিবাচক মনে করি আমি। এখন আমরা বালুখালীর ১৯ নম্বর ক্যাম্পের চারটি ব্লকে কাজ করছি। ১৬০০ জনের মতো রোহিঙ্গা খেলার সুযোগ পাচ্ছে। আইন অনুযায়ী ৩০ শতাংশ বাংলাদেশিকেও এই সেবার আওতায় আনতে হবে। তাই উখিয়ার সাতটি স্কুলে একই কার্যক্রম চলছে আমাদের।’
সম্প্রীতির মাধ্যম ফুটবল
‘বাড়ি চলো’ লেখা ব্যানার নিয়ে ৩৪টি ক্যাম্প জুড়ে প্রায়ই সমাবেশ করেন রোহিঙ্গারা। বাংলাদেশে আসার পর থেকেই তারা ফিরতে চান। কিন্তু নানা কারণে সম্ভব হয়নি প্রত্যাবাসন। তারা দীর্ঘদিন থাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে সম্প্রীতি জরুরি হয়ে উঠেছে।
এ নিয়ে উখিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক, আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহীন আগামীর সময়কে বললেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্প কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা ঠিকই। তবে কাঁটাতারের নিচের মাটি খুঁড়ে ওদের অনেকে অবাধে চলাফেরা করছে আর হুমকি হয়ে উঠেছে স্থানীয়দের জন্য। গত চার-পাঁচ বছরে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়মিত ফুটবল খেলছে তারা। এটি সম্প্রীতির জন্য দারুণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ভ্রাম্যমাণ যে গাড়িটি খেলার সামগ্রী নিয়ে আসছে সেটিও ইতিবাচক মনে করি আমি। রোহিঙ্গারা চলে না যাওয়া পর্যন্ত যেকোনোভাবে সম্প্রীতি ভীষণ দরকার। সেটি সবচেয়ে ভালো করতে পারে খেলাধুলা।’
ফুটবলেই জীবন খুঁজছে তারা
নাদিয়া নাদিম। জন্ম আফগানিস্তানের শরণার্থী শিবিরে। সেখান থেকে তিনি এখন ডেনমার্কের নাগরিক। খেলছেন ডেনমার্ক নারী জাতীয় ফুটবল দলে। পিএসজির নারী দলে ছিলেন ২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত। নিজে শরণার্থী হওয়ায় বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের জন্য কিছু একটা করার তাগিদ ছিল নাদিয়ার। ক্লাবু ও পিএসজির এনডাওমেন্ট ফান্ডের সহায়তায় রোহিঙ্গাদের জন্য ভ্রাম্যমাণ খেলার গাড়ির প্রকল্পে শুরুতে জড়িয়েছিলেন তিনি। রোহিঙ্গাদের কাছে নাদিয়া নামটা তাই পরিচিত। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সম্প্রতি পরিচিত হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার বুল মাবিলের নামটিও। কেনিয়ার কাকুমা শরণার্থী শিবিরের ছোট্ট এক কুটিরে জন্ম নেওয়া মাবিলের দ্যুতিতে অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল নারী বিশ্বকাপের টিকিট।
রোহিঙ্গাদের কাছে নাদিয়া আর মাবিল এখন অনুপ্রেরণার নাম। স্বপ্নবাজ সেই তরুণদের অন্যতম উখিয়ার কুতুপালং আশ্রয়শিবিরের ফুটবলার আবুল হাসান। ফুটবল খেলে নিজেদের পরিচয় গড়তে চান তিনি, ‘আমরাও স্বপ্ন দেখি কোনো একদিন নিজেদের একটা পরিচয় হবে, দেশ হবে। নাদিয়া, মাবিলদের মতো আমাদেরও নাম ছড়িয়ে পড়বে। তবে সবচেয়ে বেশি করে চাইব দেশে ফিরে মিয়ানমারের হয়ে খেলতে। বাংলাদেশি ভাইরা আমাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। সুযোগ দিচ্ছে ওদের সঙ্গে ফুটবল খেলার, এটা বিশেষ কিছু।’
ফুটবলের পাশাপাশি শেখানো হয় ক্রিকেটও। ছবি: সংগৃহীত
এএফসি ও বাফুফের উদ্যোগ
বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়া নয়, নিজেদের দেশেই ফিরে যেতে চান রোহিঙ্গা তরুণরা। ৩৪টি ক্যাম্পের গণ্ডিতে থাকা এদের অনেকে পথ হারিয়ে অন্ধকার জগতের বাসিন্দা। এদের আলোর পথে ফেরাতে ২০১৯ সালে জুনে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সঙ্গে মিলে পাঁচ দিনের বিশেষ ক্যাম্প আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। সেখানে প্রশিক্ষণ পান রোহিঙ্গা ৭৫ জন কোচ। তরুণদের নিয়ে তাদের উদ্যোগে ৩৪টি ক্যাম্পে শুরু হয় মাঠ তৈরির কাজ। ছোট-বড় মিলিয়ে গড়ে ওঠে ৩০টি মাঠ। তবে ফুটবল খেলার উপযোগী মাঠ তৈরি হয়েছে ১০টি। এই মাঠগুলোতেই ৭৫ জন কোচ বিনা পারিশ্রমিকে ফুটবল শেখান আগ্রহীদের।
খেলছেন স্থানীয়দের সঙ্গে
এএফসি থেকে বড় অঙ্কের অনুদানের প্রতিশ্রুতি ছিল শুরুতে। করোনার থাবায় সেই প্রক্রিয়া থমকে যায়। তবে থামেননি রোহিঙ্গারা। নিজেদের মধ্যে তো বটেই, স্থানীয়দের সঙ্গেও নিয়মিত ফুটবল খেলছে তারা। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে হৃলার আলীখালি গোল্ড কাপে অংশ নিয়েছিল কুতুপালং রিফিউজি একাদশ নামে রোহিঙ্গাদের একটি দল। টুর্নামেন্টের ফাইনালে টেকনাফের স্থানীয়দের নিয়ে গড়া জাহাজফোরা ক্লাবকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শিরোপার উৎসব করেছিল রিফিউজি একাদশ। এ বছরের শুরুতে উখিয়ার মৌলভীবাজারের আরেকটি টুর্নামেন্টে সেমিফাইনালে খেলে রোহিঙ্গা যুব দল।
এই দুটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে পুরস্কার বিতরণ করেছেন উখিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহীন। তিনি বললেন, ‘আমরা চাই না রোহিঙ্গারা স্থানীয়দের সঙ্গে মিশে যাক। তবে স্থানীয়দের নিরাপত্তার জন্য রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সম্প্রীতি জরুরি। মাদক, জুয়া, খুন থেকে শুরু করে এমন কোনো অপরাধ নেই যা রোহিঙ্গা শিবিরে হয় না। এজন্যই স্থানীয়দের সঙ্গে ওদের খেলার সুযোগ দিয়ে সম্প্রীতি বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়। ক্যাম্পের পাশে মাঠ হওয়ায় ক্যাম্প ইনচার্জরা বাধা দেন না। টুর্নামেন্টের পাশাপাশি প্রীতি ম্যাচের আয়োজনও হয় মাঝেমধ্যে।’
সম্প্রীতি ও স্বপ্ন
রোহিঙ্গাদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে পিএসজি, ক্লাবু, ইউএনএইচসিআর ও ফ্রেন্ডশিপের প্রচেষ্টায় চালু হওয়া ভ্রাম্যমাণ খেলার গাড়ি। এই কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত বাফুফের ‘সি’ লাইসেন্সধারী কোচ ও ব্রাদার্সের সাবেক খেলোয়াড় মোহাম্মদ সায়েম মিয়া অবশ্য আশাবাদী, ‘স্থানীয় সাতটি স্কুল আর ১ হাজার ১০০-এর বেশি রোহিঙ্গাকে নিয়ে কাজ করছি আমরা। হয়তো এখান থেকেই সম্ভাবনাময় কেউ বেরিয়ে আসতে পারে।’
প্রতিভাবান কোনো ফুটবলার পেলে তাদের বড় মঞ্চে খেলার ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউএনএইচসিআরের এক কর্মকর্তা, ‘রোহিঙ্গাদের মধ্যে মানসম্পন্ন চার-পাঁচজন পাওয়া গেলেও চেষ্টা করা হবে তাদের জন্য বিশেষ কিছু করার।’
এটা বেঁচে থাকার একচিলতে স্বপ্ন ভাগ্যহত রোহিঙ্গাদের জন্য। নিয়তি কেড়ে নিয়েছে অনেক কিছু। ফুটবল কিছু ফিরিয়ে দিলে বাংলাদেশিদের কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে তারা।
মোট রোহিঙ্গা ক্যাম্প: ৩৪
উখিয়ায়: ২৬
টেকনাফে: ৭
ভাসানচরে: ১
মোট মাঠ: ৩০
বড় খেলার মাঠ: ১০
যেসব ক্যাম্পে খেলার বড় মাঠ: ১, ৪, ৪ এক্সটেনশন, ৫, ৬, ৯, ১০, ১৫, ১৭ ও ১৮।








