আরাফাত রহমান কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিক্স
অ্যাথলেটিক্সে বিতর্ক এড়াতে ইঞ্জিনিয়ার, থাকবে ডিসপ্লে বোর্ডও

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশের অ্যাথলেটিক্সে ফলাফল বিতর্ক নতুন নয়। গত আসরেও নারীদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের ফল নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন দেশের দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার। পরশু শুরু হতে যাওয়া আরাফাত রহমান কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় প্রযুক্তির সহায়তা নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন।
থাকবেন ৭ জন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার, থাকবেন। ফটো ফিনিশিংয়ের পাশাপাশি ফলাফল প্রদর্শনে থাকছে রাখা হবে ৩-৪টি ডিসপ্লে বোর্ড। আজ বুধবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে সংবাদ সম্মেলনে এ পরিকল্পনার কথা জানান ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলী ইমাম তপন,‘ফটোফিনিশিংয়ের নিখুঁত ও দ্রুত ফলাফলের জন্য ৭ জন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার থাকবেন। ৩-৪টি ডিসপ্লে বোর্ড থাকবে যাতে আপনারা সবাই দেখতে পারেন। প্রতি ইভেন্ট শেষ হওয়ার ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে ফলাফল আসবে।’
অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটি আসন্ন এসএ গেমসে পেতে চায় দশটি পদক। খেলাটার উন্নতিতে তারা চায় আলাদা ভেন্যুও। আলী ইমাম তপন বললেন, ‘আমরা স্বর্ণ, রৌপ্য, ব্রোঞ্জ মিলিয়ে পাকিস্তান এসএ গেমসে দশটি পদকের লক্ষ্য ঠিক করেছি। অ্যাথলেটিক্সের আলাদা ভেন্যু প্রয়োজন। নিবিড় ও দীর্ঘমেয়াদি অনুশীলনের জন্য স্থায়ী আবাসন ক্যাম্প দরকার।’
এবারের সামার অ্যাথলেটিক্সের র মূল পৃষ্ঠপোষক ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। এছাড়া ওরিয়ন গ্রুপ, নোমান গ্রুপ, শেলটেক, টিকে গ্রুপসহ প্রায় বিশটির বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে। ফেডারেশনের সভাপতি ও নোমান গ্রুপের কর্ণধার আব্দুল্লাহ জাবের এ নিয়ে বললেন, ‘অ্যাথলেটিক্সের উন্নয়নে সবার সহযোগিতা চাই। এজন্য অনেক প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ছোট হলেও যেন অ্যাথলেটিক্সের সঙ্গে থাকে।’
তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় রয়েছে ৪০ ইভেন্ট । ফুটবল মাঠের সুরক্ষার জন্য থ্রো ইভেন্টগুলো আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। পদকজয়ীদের জন্য থাকছে আর্থিক পুরস্কার। প্রতিটি ইভেন্টে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীরা পাবেন যথাক্রমে ৬ হাজার, ৫ হাজার ও ৩ হাজার টাকা। কোনো অ্যাথলেট রেকর্ড গড়তে পাবেন ২০ হাজার টাকা।



