এক ম্যাচে তিন নারী রেফারি

ছবি: রয়টার্স
ছেলেদের ম্যাচে নারী রেফারির ম্যাচ পরিচালনা নতুন কিছু নয়। তবে ম্যাচ অফিসিয়ালদের সবাই নারী, বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন ঘটনা বিরল। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো মাঠে তিনজন নারী রেফারিকে দেখল ফুটবল বিশ্ব। দক্ষিণ আফ্রিকা ও চেক প্রজাতন্ত্রের ম্যাচে টরি পেনসো এবং তার দুই সহযোগী ব্রুক মেয়ো ও ক্যাথরিন নেসবিট নাম লেখালেন ইতিহাসের পাতায়।
মূল রেফারির দায়িত্বে ছিলেন ৩৯ বছর বয়সী পেনসো। তার দুই সঙ্গী মেয়ো ও নেসবিট মিলে গড়ে তুলেছেন দারুণ এক দল। ম্যাচে প্রতিটি সিদ্ধান্ত এসেছে দ্রুততা, আত্মবিশ্বাস এবং তিনজনের নিখুঁত যোগাযোগের মাধ্যমে।
টরি পেনসো ছিলেন পুরো ম্যাচের কেন্দ্রবিন্দু। ফাউল, কার্ড, পেনাল্টি— সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তার হাতেই ছিল। চাপের মধ্যেও থেকেছেন স্থির, দিয়েছেন সঠিক সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে লাইনের দুই পাশে নেসবিট ও মায়ো অফসাইড ও আউট অব প্লে পরিস্থিতিতে নিখুঁত সিদ্ধান্ত দিয়ে ম্যাচের গতি ঠিক রাখেন। বিশেষ করে দ্রুত আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের সময় তাদের চোখের সিদ্ধান্ত ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নেসবিট একজন পিএইচডি ডিগ্রিধারী বিজ্ঞানী। সেখান থেকে রেফারিংয়ে আসেন তিনি। মায়ো ছিলেন সাবেক ফুটবলার। অবসরের পর আসেন এই পেশায়। টরি পেনসো নিজেই দীর্ঘ পথ পেরিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ফিফা এলিট রেফারিদের তালিকায়।
নারী রেফারিবিশ্বকাপের মতো মঞ্চে নারী রেফারিদের এই উপস্থিতি প্রমাণ করেছে, ফুটবলের ভবিষ্যৎ আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সমান সুযোগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।




